Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ

ইরানের পর কি ইসরায়েলের পরবর্তী লক্ষ্য তুরস্ক?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৭ মার্চ ২০২৬, ১০: ০৯
ইরানের পর কি ইসরায়েলের পরবর্তী লক্ষ্য তুরস্ক?

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে তৈরি হওয়া উত্তেজনা নিয়ে তুরস্কের উদ্বেগ দিন দিন বাড়ছে। ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানকে আঙ্কারা কেবল একটি সীমিত সংঘর্ষ হিসেবে দেখছে না। বরং তুরস্কের দৃষ্টিতে এটি এমন এক বিপজ্জনক প্রক্রিয়ার সূচনা, যা পুরো অঞ্চলকে বড় ধরনের আঞ্চলিক যুদ্ধে ঠেলে দিতে পারে।

Advertisement

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান, দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক বিবৃতি থেকে স্পষ্ট যে, আঙ্কারা এই সংঘাতকে শুধু ইরান–ইসরায়েল দ্বন্দ্ব হিসেবে দেখছে না। তাদের মতে, এটি এমন এক সংকট, যা পূর্ব ভূমধ্যসাগর থেকে শুরু করে পারস্য উপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করে দিতে পারে।

তুরস্কের দৃষ্টিতে ইরানের ওপর হামলা মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার কোনো উপায় নয়; বরং এটি নতুন অস্থিরতা ও সংঘাতের পথ উন্মুক্ত করতে পারে।

আঙ্কারার প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া

Advertisement
Advertisement
Advertisement

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা প্রকাশ্যে শুরু হওয়ার পরপরই এরদোয়ান তাৎক্ষণিকভাবে এর নিন্দা জানান এবং যুদ্ধবিরতি ও কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান করেন। তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও জানায়, আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে পরিচালিত এমন হামলা এবং বেসামরিক মানুষের জীবন ঝুঁকিতে পড়ার ঘটনায় তারা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।

তুরস্কের প্রেসিডেন্সির যোগাযোগ বিভাগের প্রধান বলেন, এই সংঘাত শুধু সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সমস্যা নয়; এটি পুরো অঞ্চলের স্থিতিশীলতা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি। তাই দ্রুত সংলাপের পথ খুলে দেওয়া জরুরি।

২ মার্চ এক বিবৃতিতে এরদোয়ান আরও কঠোর ভাষায় বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন। তিনি উল্লেখ করেন, তুরস্ক ইরানি জনগণের কষ্ট অনুভব করছে এবং যুদ্ধ বন্ধ না হলে এর পরিণতি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুতর হতে পারে। তার ভাষায়, এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যেখানে অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তার বোঝা কোনো দেশই দীর্ঘদিন বহন করতে পারবে না। তাই দ্রুত এই উত্তেজনা প্রশমিত করা প্রয়োজন।

জ্বালানি ও অর্থনৈতিক উদ্বেগ

৩ মার্চ পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান জানান, যুদ্ধ বন্ধ করে পুনরায় আলোচনার পথে ফিরতে তুরস্ক সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখছে। তিনি বিশেষভাবে সতর্ক করে বলেন, এই সংঘাত জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। ছবি: রয়টার্স
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। ছবি: রয়টার্স

বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীতে কোনো বিঘ্ন ঘটলে তার প্রভাব হবে বৈশ্বিক। বিশ্বের একটি বড় অংশের তেল এই প্রণালীর মাধ্যমে পরিবাহিত হয়।

তুরস্ক যুদ্ধকে শুধু সামরিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছে না। আঙ্কারার কাছে বিষয়টি জ্বালানি বাজার, বাণিজ্য পথ, পরিবহন অবকাঠামো এবং অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত।

তুরস্ক একটি বড় জ্বালানি আমদানিকারক দেশ। দেশটি প্রতি বছর প্রায় ৫০ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস আমদানি করে। ফলে আঞ্চলিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের ধাক্কা লাগলে তার সরাসরি প্রভাব পড়বে তুরস্কের অর্থনীতিতে। তেলের দাম বৃদ্ধি, উৎপাদন ব্যয় বাড়া এবং মুদ্রাস্ফীতির চাপ—সবই তুরস্কের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ।

শুধু অর্থনীতি নয়, কৌশলগত উদ্বেগও

তবে তুরস্কের অবস্থানকে শুধু অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা করলে ভুল হবে। আঙ্কারার ধারণা, সামরিকভাবে ইরানকে ধ্বংস করলে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আসবে না। বরং এতে আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্য ভেঙে পড়তে পারে এবং নতুন সংঘাতের শৃঙ্খল তৈরি হতে পারে। এই অস্থিতিশীলতা ছড়িয়ে পড়তে পারে ইরাক, সিরিয়া, দক্ষিণ ককেশাস এবং পূর্ব ভূমধ্যসাগর পর্যন্ত।

তুরস্ক ও ইরানের মধ্যে ঐতিহাসিক দ্বন্দ্ব রয়েছে—বিশেষ করে সিরিয়া, ইরাক এবং বিভিন্ন পরিবহন করিডোরকে কেন্দ্র করে। তবুও তুরস্ক ইরানের সম্ভাব্য পতন নিয়ে উদ্বিগ্ন। আঙ্কারার মতে, ইরান ভেঙে পড়লে পুরো অঞ্চলের কৌশলগত কাঠামোই বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে।

গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা

১২ মার্চ পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেন, ইরানে গৃহযুদ্ধ উসকে দেওয়ার যেকোনো পরিকল্পনার তুরস্ক কঠোর বিরোধিতা করে। তার মতে, ইরানের ভেতরে অস্থিতিশীলতা তৈরি হলে তা সরাসরি তুরস্কের সীমান্তে একটি বড় সংকট সৃষ্টি করবে।

ইরানের ভাঙন মানে শুধু ক্ষমতার ভারসাম্য পরিবর্তন নয়; বরং একটি বিশাল অস্থিতিশীল অঞ্চল তৈরি হওয়া, যার প্রভাব সীমান্ত পেরিয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।

যুদ্ধের প্রভাব ইতিমধ্যেই সীমান্তে

তুরস্ক ইতিমধ্যেই এই সংঘাতের সরাসরি প্রভাব দেখতে শুরু করেছে। মার্চের শুরুতে একটি ঘটনা ঘটে, যখন ইরানের একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তুরস্কের আকাশসীমায় ঢুকে পড়ে এবং ন্যাটোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে সেটি প্রতিহত করা হয়।

এর পর আঙ্কারা তেহরানকে জানায়, এমন ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এর পুনরাবৃত্তি হলে তুরস্ক প্রয়োজনীয় প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেবে। এই ঘটনা তুরস্ককে দেখিয়ে দিয়েছে যে যুদ্ধ আর দূরের কোনো বিষয় নয়; এটি সরাসরি তাদের জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে।

অতীতের অভিজ্ঞতা

মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক ইতিহাস থেকে তুরস্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা পেয়েছে। ইরাক, সিরিয়া ও লিবিয়ায় সামরিক হস্তক্ষেপের পর যে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে, তার প্রভাব তুরস্ক খুব কাছ থেকে অনুভব করেছে।

শরণার্থী সংকট, সশস্ত্র গোষ্ঠীর উত্থান, সীমান্তে অস্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক চাপ—এসব তুরস্কের জন্য বাস্তব অভিজ্ঞতা। এই কারণেই আঙ্কারা মনে করে, ইরানের মতো বড় রাষ্ট্র অস্থিতিশীল হলে তার প্রভাব আরও গভীর ও বিস্তৃত হতে পারে।

ইসরায়েলের কৌশল নিয়ে সন্দেহ

তুরস্কের বিশ্লেষণে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। আঙ্কারার ধারণা, ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপ কেবল তাৎক্ষণিক নিরাপত্তা উদ্বেগের প্রতিক্রিয়া নয়; বরং অঞ্চলকে নতুনভাবে সাজানোর বৃহত্তর কৌশলের অংশ হতে পারে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: রয়টার্স
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: রয়টার্স

এই আশঙ্কা তুরস্কে আরও জোরদার হয়েছে, যখন ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট প্রকাশ্যে বলেন যে ইসরায়েলকে তুরস্কের দিকেও নজর দিতে হবে এবং আঙ্কারাকে সম্ভাব্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।

এ ধরনের বক্তব্য তুরস্কে একটি ধারণা শক্তিশালী করেছে—ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ হয়তো শেষ লক্ষ্য নয়; বরং এটি একটি বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতার সূচনা হতে পারে।

তুরস্কের দ্বৈত কৌশল

বর্তমান পরিস্থিতিতে তুরস্ক একাধিক কৌশল একসঙ্গে অনুসরণ করছে। প্রথমত, তারা ইরানের ওপর হামলার নিন্দা করছে এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের বিষয়টি সামনে আনছে। দ্বিতীয়ত, আঙ্কারা কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদার করছে যাতে সংঘাত আরও বিস্তৃত না হয়। তৃতীয়ত, তুরস্ক নিজের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতিও শক্তিশালী করছে।

কারণ আঙ্কারা বুঝতে পারছে, সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে তুরস্কের নিরাপত্তা, অর্থনীতি এবং কৌশলগত স্বার্থ সরাসরি চাপের মুখে পড়তে পারে।

একটি বৃহত্তর সংকটের প্রতিফলন

তুরস্কের এই অবস্থান আসলে পুরো মধ্যপ্রাচ্যের একটি গভীর সংকটের প্রতিফলন। দীর্ঘদিন ধরে অঞ্চলটি অস্থিতিশীলতার মধ্যে থাকলেও কিছু সীমা ছিল, যা বড় আঞ্চলিক যুদ্ধকে আটকে রেখেছিল। আঙ্কারার মতে, ইরানের ওপর হামলা সেই সীমাগুলো ভেঙে দিতে পারে।

এর ফলে একসঙ্গে বহু সংকট—ইরান, সিরিয়া, ইরাক, জ্বালানি, পরিবহন ও অভিবাসন—একত্রিত হয়ে একটি বড় আঞ্চলিক অগ্নিগোলকে পরিণত হতে পারে।

আঙ্কারার মূল বার্তা

সব মিলিয়ে তুরস্কের অবস্থান তিনটি ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। প্রথমত, আইনি দৃষ্টিকোণ—তুরস্ক মনে করে ইরানের ওপর হামলা আন্তর্জাতিক আইন ও সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন। দ্বিতীয়ত, রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ—এ ধরনের হামলা আঞ্চলিক সহিংসতার চক্রকে আরও ত্বরান্বিত করে। তৃতীয়ত, কৌশলগত ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ—একটি আঞ্চলিক যুদ্ধ জ্বালানি, বাণিজ্য, অর্থনীতি এবং সামাজিক স্থিতিশীলতার ওপর মারাত্মক আঘাত হানতে পারে।

এই কারণেই আঙ্কারা আজ একটি স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে—ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আনবে না। বরং এটি নতুন সংঘাত, নতুন অর্থনৈতিক ধাক্কা এবং আরও দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতার সূচনা করতে পারে।

আর যদি ইরান একটি গুরুত্বপূর্ণ ভারসাম্য রক্ষাকারী শক্তি হিসেবে দুর্বল হয়ে পড়ে, তাহলে আঞ্চলিক শক্তির নতুন প্রতিযোগিতা দ্রুত তুরস্কের দিকেও এগিয়ে আসতে পারে।

এই কারণেই ইরানের বিরুদ্ধে হামলার নিন্দা করে তুরস্ক শুধু একটি প্রতিবেশী দেশের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে না; বরং নিজেদের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা রক্ষার কৌশলগত অবস্থানও স্পষ্ট করছে।

( নিবন্ধটি আরটি ডট কম থেকে অনূদিত)

বিষয়: তুরস্কআমেরিকাইরানযুদ্ধইসরায়েল
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা তৈরি করেছে। সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কূটনৈতিক তৎপরতা কিংবা হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা—কোনো উদ্যোগই এখন পর্যন্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি

  • এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    গত ২২ বছরের মধ্যে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের জন্য প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ফলাফলের জন্য দায়ী।

  • রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগালের মতো দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থাহীনতা ইউরোপের বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ

  • ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্য শুধু কংগ্রেসের আসনসংখ্যা নির্ধারণের লড়াই নয়; এটি তার পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন জনগণের মূল্যায়নেরও পরীক্ষা। ইউক্রেনের প্রতি অবস্থান পরিবর্তন, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ এবং শুল্কনীতির কারণে সৃষ্ট অসন্তোষ রিপাবলিকান ভোটব্যাংকেও প্রভ