তুরস্ক

তুরস্ক, কাতার, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তান প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে
প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার লক্ষ্যে তুরস্ক, কাতার, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তান ‘বদর মেমোরেন্ডাম’ স্বাক্ষর করেছে। গতকাল বুধবার কাতারের রাজধানী দোহায় চার দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের উপস্থিতিতে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। তুরস্কের জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বুধবার এক বিবৃতিতে

আঙ্কারায় বাংলাদেশ দূতাবাসে ভাবগাম্ভীর্যে লালন সাঁইয়ের তিরোধান দিবস পালন
তার বক্তব্যের শুরুতে বলেন, লালন সাঁইয়ের গান শেখায়, মানুষের প্রকৃত পরিচয় তার ধর্মে, বর্ণে বা জাতিতে নয়-বরং তার মনুষ্যত্বে। প্রবাসে মাতৃভূমি থেকে দূরে থাকলেও লালনের এই মানবতাবাদী মূল্যবোধই আমাদের শিকড়ের সাথে যুক্ত রাখে।

মক্কা চুক্তি ইসরায়েলকে বাইরে রেখে মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র বদলে দিচ্ছে
মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও ভূরাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করছে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তি। ইয়েমেন থেকে সৌদি আরবের ওপর ধারাবাহিক হামলার মুখে রিয়াদ এই চুক্তির সামরিক কার্যকারিতা সক্রিয় করেছে।

‘মক্কা চুক্তি সৌদি আরবকে সুরক্ষা দিতে পারছে না’
সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি গোষ্ঠীর হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া কী? মক্কা চুক্তি সৌদি আরবকে কতটা সুরক্ষা দিতে পারছে? তুরস্ক বা পাকিস্তান সৌদি আরবের এই সংকটে আদৌ কি এগিয়ে গেছে? মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভাবনায় বদল আসছে। আগের মতো মধ্যপ্রাচ্যের সংকটে সরাসরি যুক্ত হচ্ছে না ওয়াশিংটন।

সক্রিয় মক্কা চুক্তি, সৌদিতে সেনা পাঠাচ্ছে পাকিস্তান, তুরস্ক
সৌদি আরবের সুরক্ষায় মক্কা প্রতিরক্ষা জোট সক্রিয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সদস্য দেশগুলো। এর আওতায় হুতিদের ঠেকাতে সৌদি আরবে দ্রুত সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনের ঘোষণাও দিয়েছে জোটের অপর দুই শরিক দেশ পাকিস্তান ও তুরস্ক।

রাশিয়া-চীন ডিডলারাইজেশন চায়, ভারত কী চায়?
রাশিয়া ও চীন ডিডলারাইজেশন চায়। কিন্তু ভারত কী চায়? ডিডলারাইজেশন প্রশ্নে ভারত কিছুটা রক্ষণশীল অবস্থানে। বলা যায় কৌশলী অবস্থানে নয়াদিল্লি। ব্রিকসে থাকা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোও এই প্রশ্নে ডলারকে বাদ দিতে চায় না। তারা উভয় নৌকায় পা দিয়ে চলতে চায়। সৌদি আরবকে ঘিরে সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মক্কা চুক্

মক্কা চুক্তির প্রথম পরীক্ষা
ইয়েমেন সংকট বর্তমানে দেশটির সীমানা ছাড়িয়ে বৃহত্তর আঞ্চলিক নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করেছে। হুতিদের আগ্রাসনের জবাবে সৌদি আরব পাঁচ দিনে প্রায় তিন শ বিমান হামলা চালিয়েছে এবং নিজ ভৌগোলিক ভূখণ্ডে যেকোনো আঘাতের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

পাকিস্তান ও তুরস্কের নিন্দা ও হুঁশিয়ারিই সার, মুসলিম ন্যাটোর দৌড় কতটা?
সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থাপনায় হুতি হামলা হচ্ছে। এমনকি মক্কায় ড্রোন হামলার অভিযোগও তুলেছে রিয়াদ। এককথায় হুতি হামলায় আক্রান্ত সৌদি আরব। তাহলে মক্কা চুক্তি কী করছে? প্রশ্ন উঠেছে–মুসলিম ন্যাটো দাবি করা এই ত্রিদেশীয় প্রতিরক্ষা চুক্তির মূল্য তাহলে কী?

মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা: সৌদি আরব কী খেলা খেলছে, হুতিরা কী বলছে?
ইসলামের পবিত্র শহর মক্কার কাছে নাকি হুতিরা একটি ড্রোন নিক্ষেপ করেছে। এটা সৌদি আরবের দাবি। এ নিয়ে সৌদি আরব ও হুতিদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি বক্তব্যও শুরু হয়েছে। কিন্তু বিষয়টা এখন আর শুধু সৌদি আরব আর হুতিদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়–থাকার কথাও ছিল কি?

মক্কা চুক্তি উন্মুক্ত করে দিল হুতিরা
সম্ভবত সবাই মক্কা চুক্তির পাদটীকাগুলো পড়তে ভুলে গিয়েছিল। সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক যখন মক্কায় তাদের যৌথ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উন্মোচন করে, তখন এর ভাষা ছিল অত্যন্ত মহৎ-ভ্রাতৃত্ব, প্রতিরোধ, সংহতি ও সাধারণ নিরাপত্তা। বিশ্বকে বলা হয়েছিল যে, যেকোনো একটি দেশের ওপর আক্রমণকে সব দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে

তুরস্কের কুচকাওয়াজে কেন পশুর সাজ?
তুরস্কের বালিকেসিরে স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজে প্রতি বছর অংশ নেন তুলুতাবাকলাররা। কালো রং, পশুর চামড়া আর পশুর খুলি দিয়ে তারা তুলে ধরেন স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়কার এক প্রতিরোধের গল্প। প্রায় এক শতাব্দী পরও এই আয়োজন হয়ে উঠেছে স্থানীয় ইতিহাস ও ঐতিহ্য স্মরণের অনন্য মাধ্যম।

বাংলাদেশ কি মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দেবে?
আগস্টের শুরুতে কার্যকর হওয়া ‘মক্কা জয়েন্ট ডিফেন্স এগ্রিমেন্টের’ লক্ষ্য হলো যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা। চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

রাশিয়া-চীন সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যয় পুতিন ও সির
সি চিনপিং বলেন, বেইজিং ও মস্কোর সম্পর্কের সামনে “আরও উজ্জ্বল” সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তিনি স্বীকার করেন, “আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় অনিশ্চয়তা ও অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির মাত্রা স্পষ্টতই বেড়েছে।” পুতিনও এতে একমত হয়ে বলেন, “সব ক্ষেত্রেই সহযোগিতা সফলভাবে এগিয়ে চলছে।”

মক্কা চুক্তি: বাংলাদেশ কী পাবে, বিনিময়ে কী দিতে হবে?
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান মূলত তার সমস্যা নয়। সমস্যা হলো, পররাষ্ট্রনীতির চিন্তাভাবনা অনেক সময় ভৌগোলিক সীমার মধ্যেই আটকে থাকে। ঢাকা যদি পররাষ্ট্রনীতিকে শুধু দক্ষিণ এশিয়ার দৃষ্টিকোণ থেকে দেখে, তাহলে বাংলাদেশের প্রায় সব হিসাবের কেন্দ্রেই থাকবে ভারত।

ইরানের অর্থনীতিকে গলা টিপে ধরতে চাইছেন ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও আমেরিকার যুদ্ধ কি সত্যিই শেষ হয়েছে? মধ্যপ্রাচ্যের সংকট কি কাটল? এসব প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার আগেই ঘোষণা এল, সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা ‘মক্কা জয়েন্ট ডিফেন্স অ্যাগ্রিমেন্ট’ হিসেবে পরিচিত। এই জোটেল লক্ষ্য কী?

ত্রিদেশীয় প্রতিরক্ষা জোটকে ভারত সন্দেহের চোখে দেখবে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি—‘মক্কা জয়েন্ট ডিফেন্স অ্যাগ্রিমেন্ট’। এই চুক্তির উদ্দেশ্য কী? কতটা কার্যকর হবে? এর পেছনে কি অন্য কোনো উদ্দেশ্য লুকিয়ে আছে?

তুরস্কে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার পরিকল্পনা ছিল?
ইরান হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে ওয়াশিংটনের কাছ থেকে অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাগত ছাড় আদায় করতে চাইছে। লক্ষ্য একটাই—যুক্তরাষ্ট্রকে আবার জুনের সেই সমঝোতার টেবিলে ফিরিয়ে আনা। শুনুন অধ্যাপক বদরুল আলম খানের বিশ্লেষণ।

তুরস্কে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার পরিকল্পনা ছিল?
ইরান হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে ওয়াশিংটনের কাছ থেকে অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাগত ছাড় আদায় করতে চাইছে। লক্ষ্য একটাই—যুক্তরাষ্ট্রকে আবার জুনের সেই সমঝোতার টেবিলে ফিরিয়ে আনা। শুনুন অধ্যাপক বদরুল আলম খানের বিশ্লেষণ।

সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তান জোটে যোগ দিতে পারে মিশরও
তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে সই হওয়া যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে মিশরও যোগ দিতে পারে বলে জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। এই চুক্তিতে তিনি কায়রোর অন্তর্ভুক্তিকে ‘সম্ভব’ বলে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন, জোটটি ভবিষ্যতে আরও সদস্য গ্রহণের জন্য উন্মুক্ত।

মক্কা চুক্তি: অনেক প্রশ্নের উত্তর জরুরি
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে নতুন এক সমীকরণের ইঙ্গিত দিয়েছে। সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে ২০২৬ সালের ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত এই চুক্তিতে বলা হয়েছে, কোনো এক সদস্যের ওপর সশস্ত্র হামলা হলে তা তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচিত হবে।



