Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ

গঙ্গা চুক্তি নবায়নে ভারতকে ‘চাপ দিচ্ছে’ বাংলাদেশ

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ২০: ৫১
গঙ্গা চুক্তি নবায়নে ভারতকে ‘চাপ দিচ্ছে’ বাংলাদেশ
ফারাক্কা বাঁধ। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের সঙ্গে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ আগামী ডিসেম্বরের ১২ তারিখ শেষ হচ্ছে। এর আগে নতুন কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে দেশে তীব্র পানিসংকট দেখা দিতে পারে। এতে কয়েক কোটি মানুষের জীবিকাকে হুমকির মুখে পড়তে পারে।

Advertisement

বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

বাংলাদেশের শুষ্ক বরেন্দ্র অঞ্চলের ৭২ বছর বয়সী বিকাশ সরেনের এখনো মনে আছে, একসময় গঙ্গা নদী দিয়ে সারা বছর বড় বড় নৌকা চলাচল করত। ভারতের মধ্য দিয়ে বয়ে আসা নদীটি ছিল তার গ্রামের পাশেই।

প্রটেস্ট্যান্ট ধর্মযাজক সরেন বলেন, “বছরে প্রায় তিন মাস এই নদীতে পানির কোনো প্রবাহই চোখে পড়ে না।” তার ভাষ্য, পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় ধান ও গমের ফসল নষ্ট হয়ে গত মৌসুমে দুই কৃষক আত্মহত্যা করেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বাংলাদেশে পদ্মা নামে পরিচিত গঙ্গার প্রবাহ কমে যাওয়ায় নদীতে মাছের পরিমাণও আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে। ৫৫ বছর বয়সী আবু বকর সিদ্দিক একসময় নদীতে মাছ ধরতেন। এখন নদী ছেড়ে পুকুরে মাছ চাষ করছেন তিনি।

সিদ্দিক বলেন, “আমরা এখন মাছ কোথায় পাব? আমি আগে কত রকমের মাছ ধরতাম।”

গঙ্গার পানি চুক্তির গুরুত্ব বুঝে ভারত এগিয়ে আসবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীShama Obaid

বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২ হাজার ৫২৫ কিলোমিটার দীর্ঘ গঙ্গা নদী বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল নদী অববাহিকার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এ অববাহিকায় বাস করে প্রায় ৬৫ কোটি ৫০ লাখ মানুষ। তাদের মধ্যে বাংলাদেশেরই ৫ কোটির বেশি মানুষ।

গঙ্গার পানি বণ্টনে ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ভারতের সঙ্গে চুক্তি করে। সমঝোতা অনুযায়ী ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ফারাক্কা থেকে দুই দেশের মধ্যে পানি বণ্টন করা হয়ে থাকে।

৪০ বছরের গড় মাত্রা অনুযায়ী ভারত পানির ভাগ পায়। যেকোনো সংকটের সময় বাংলাদেশকে ৩৫ হাজার কিউসেক পানি সরবরাহ করার নিশ্চয়তাও দেওয়া হয়।

পানি বণ্টনবিষয়ক কারিগরি কমিটির প্রধান ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, “বাংলাদেশের এখন পারস্পরিক সুবিধা ও শ্রদ্ধার ভিত্তিতে একটি নতুন চুক্তি প্রয়োজন।”

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৫৪টি অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন নিয়ে বিরোধ দীর্ঘদিনের। এসব নদীর মধ্যে গঙ্গা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ।

পানি বণ্টন তদারককারী সংস্থা যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) সাবেক সদস্য মালিক ফিদা এ খান বলেন, ভারত উজানে ‘অতিরিক্ত বাঁধ নির্মাণ’ করেছে। তার মতে, নতুন চুক্তিতে জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি পুরো নদী অববাহিকাকে বিবেচনায় নিতে হবে।

নতুন গঙ্গা চুক্তিতে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’-এ গুরুত্ব ঢাকার, কেন? india_bangladesh flag

বাংলাদেশ জানিয়েছে, চুক্তি নবায়নের আলোচনা শুরুর অনুরোধ জানিয়ে ভারতকে চিঠি দেওয়া হলেও নয়াদিল্লি এখনো সাড়া দেয়নি।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, নদীসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা যৌথ নদী কমিশনের এখতিয়ারভুক্ত। কমিশনের সর্বশেষ কারিগরি বৈঠক হয়েছিল গত মে মাসে।

তবে কমিশনের মন্ত্রী পর্যায়ের সর্বশেষ নিশ্চিত বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০২২ সালে, দীর্ঘ ১২ বছরের বিরতির পর। এদিকে অভিন্ন তিস্তা নদীর পানি বণ্টনে প্রস্তাবিত চুক্তিও ২০১১ সাল থেকে ঝুলে আছে।

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর থেকেই নয়াদিল্লি ও ঢাকার মধ্যকার সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু হয়। তিনি এখনো সেখানেই রয়েছেন।

মানবতাবিরোধী অপরাধে তার অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরার কথা বলেছেন। ঘটনাচক্রে, তার স্বাক্ষর করা গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদও ওই মাসেই শেষ হচ্ছে।

এদিকে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফর করতে পারেন বলে আলোচনা রয়েছে। তবে এ ধরনের সফরের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

গঙ্গার পানি বণ্টন নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত ১৯৭৫ সালে, যখন ভারত ২ দশমিক ২ কিলোমিটার দীর্ঘ ফারাক্কা ব্যারেজ চালু করে। সে সময় বাংলাদেশের অভিযোগ ছিল, ভারত নদীর বেশির ভাগ পানি সরিয়ে নিচ্ছে।

পরবর্তী সময়ে জাতিসংঘের হস্তক্ষেপে ১৯৭৭ সালে দুই দেশের মধ্যে একটি পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। তবে এক দশক পর ওই চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে বাংলাদেশে এর মারাত্মক প্রভাব পড়ে বলে জানান ঢাকাভিত্তিক পরিবেশবাদী সংগঠন রিভারাইন পিপলের শেখ রোকন।

ভারত-বাংলাদেশ টানাপোড়েনে গঙ্গা চুক্তি কোন পথে?river padma

রোকন বলেন, “চুক্তিহীন বছরগুলোতে গঙ্গা মারাত্মক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল এবং অন্তত তিনটি নদী প্রায় শুকিয়ে গিয়েছিল।”

এসব নদীর একটি গড়াই। নদীটি বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন ও বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনে মিষ্টি পানি সরবরাহ করে। একই সঙ্গে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে লবণাক্ত পানি যাতে বনের ভেতরে বেশি প্রবেশ করতে না পারে, সে ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

শেখ রোকনের ভাষ্য, দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প (জিকে প্রজেক্ট) পানির অভাবে কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছিল। প্রকল্পটি ৯৫৫ বর্গকিলোমিটার ফসলি জমিতে সেচ দেওয়ার জন্য নির্মাণ করা হয়েছিল।

পানিসংকট মোকাবিলায় গত মে মাসে ঢাকা ২৮০ কোটি ডলারের পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প অনুমোদন করেছে। প্রকল্পটিতে ১১৩ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রও রয়েছে।

তবে ১৯৯৬ সালের চুক্তিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মেয়াদ বাড়ানোর কোনো বিধান নেই। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন চুক্তি না হলে পানি বণ্টন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে।

আলোচনায় তিস্তা-পুশ ইন, কী ভাবছেন রাজনীতিকেরাbangladesh-india border

শেখ রোকন বলেন, “আমরা যদি কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হই, তবে আমার আশঙ্কা, পরিস্থিতি অতীতে চুক্তিহীন বছরগুলোতে যা দেখেছিলাম, তার চেয়েও খারাপ হবে। কারণ, উভয় দেশেই এখন মিষ্টি পানির চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।”

রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসের তথ্য অনুযায়ী, চুক্তি কার্যকর থাকার সময়েও গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্পের আওতাধীন জমির পরিমাণ কমে ৫৫০ বর্গকিলোমিটারে নেমে এসেছে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী সারওয়ার জাহান এএফপিকে বলেন, “নদীতে যদি পর্যাপ্ত পানি না থাকে, তবে তার পরিণতি হতে পারে মারাত্মক বিপর্যয়কর।”

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবেও বাংলাদেশের কৃষি ও জনজীবন ক্রমেই চাপে পড়ছে। নদীর প্রবাহে পরিবর্তন, শুষ্ক মৌসুমে তীব্র খরা এবং বর্ষায় প্রবল বন্যা—সব মিলিয়ে কৃষিপ্রধান দেশটির সংকট আরও জটিল হয়ে উঠছে। বন্যায় ফসলি জমি ও গ্রামের পর গ্রাম প্লাবিত হচ্ছে, আবার শুষ্ক মৌসুমে পানির অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষিকাজ।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নদীটির প্রস্থ প্রায় তিন কিলোমিটার হয়েছে, যা এর স্বাভাবিক প্রস্থের প্রায় দ্বিগুণ।

ফিল্ডার বাজার গ্রামের ৫০ বছর বয়সী রেহানা খাতুন জানেন, নদীর এমন পরিবর্তন কতটা ভয়াবহ হতে পারে। বন্যায় নিজের বাড়িঘর ধ্বংস হওয়ার স্মৃতি এখনো তাকে তাড়া করে ফেরে।

বর্তমানে একটি বাঁশের ঘরে বসবাস করা খাতুন সেই সময়ের কথা বলতে গিয়ে নদীর ভয়াল গর্জনের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, “নদীটি হিংস্র রূপ ধারণ করে তীরের সবকিছু গিলে খেতে শুরু করেছিল। আর বন্যার পানি নেমে যাওয়ার অনেক পরও সেই মানসিক ক্ষত শিশুদের মনে থেকে যায়।”

বিষয়: গঙ্গাবিশ্ব ব্যাংকভারতজাতিসংঘবাংলাদেশপানি সংকটপানিবণ্টন চুক্তি
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ২

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৩

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৪

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

  • ৫

    চুয়েটের শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ফিরছেন, এক মাসের ঘাটতি মিটবে কীভাবে?

সম্পর্কিত
  • ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা তৈরি করেছে। সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কূটনৈতিক তৎপরতা কিংবা হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা—কোনো উদ্যোগই এখন পর্যন্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি

  • এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    গত ২২ বছরের মধ্যে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের জন্য প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ফলাফলের জন্য দায়ী।

  • রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগালের মতো দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থাহীনতা ইউরোপের বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ

  • ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্য শুধু কংগ্রেসের আসনসংখ্যা নির্ধারণের লড়াই নয়; এটি তার পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন জনগণের মূল্যায়নেরও পরীক্ষা। ইউক্রেনের প্রতি অবস্থান পরিবর্তন, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ এবং শুল্কনীতির কারণে সৃষ্ট অসন্তোষ রিপাবলিকান ভোটব্যাংকেও প্রভ