Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ

ভারত-বাংলাদেশ টানাপোড়েনে গঙ্গা চুক্তি কোন পথে?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯: ৪৮
ভারত-বাংলাদেশ টানাপোড়েনে গঙ্গা চুক্তি কোন পথে?

গঙ্গা নদীর পানি বণ্টন নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক চুক্তিটির নবায়ন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন, রাজনৈতিক বিরোধ, কূটনৈতিক টানাপোড়েন এবং বাংলাদেশের আসন্ন সাধারণ নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা এই আলোচনা প্রক্রিয়াকে জটিল করে তুলতে পারে।

Advertisement

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তিটির মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে শেষ হচ্ছে। চুক্তি নবায়নের প্রস্তুতি হিসেবে ইতোমধ্যে উভয় দেশের কর্মকর্তারা গঙ্গা নদীর (যা বাংলাদেশে পদ্মা নামে পরিচিত) পানির স্তর যৌথভাবে পরিমাপ শুরু করেছেন।

হংকংভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সপ্তাহে এই পানি পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং আগামী ৩১ মে পর্যন্ত প্রতি ১০ দিন অন্তর এটি পরিচালিত হবে। শুষ্ক মৌসুমে নদীর পানিপ্রবাহ মূল্যায়নের জন্য এই সময়কালকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

এই আলোচনা এমন এক সংবেদনশীল সময়ে শুরু হয়েছে, যখন ভারত ও বাংলাদেশ একদিকে পারস্পরিক সম্পর্কের টানাপোড়েন কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে, অন্যদিকে রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক নানা জটিলতার মুখোমুখি। একই সঙ্গে তারা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বিতর্কিত আন্তঃসীমান্ত পানিবণ্টন ব্যবস্থার আওতায় সংগৃহীত হাইড্রোলজিক্যাল বা জলতাত্ত্বিক তথ্য বিশ্লেষণ করছে, যা দুই দেশের কোটি কোটি মানুষের জীবিকা ও পরিবেশের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
ক্রিকেটে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক এখন কোথায় গিয়ে ঠেকবে?mustafiz

আমেরিকার অ্যারিজোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ওয়াটার রিসোর্সেস রিসার্চ সেন্টার’-এর রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট পিন্টু কুমার মাহলা বলেন, বর্তমানে চলমান দুটি বিতর্ক নয়াদিল্লি ও ঢাকার মধ্যে পানি সংক্রান্ত আলোচনাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

গত এপ্রিল মাসে ‘গ্রেটার বাংলাদেশ’ সংক্রান্ত একটি মানচিত্র বিতর্ক ভারতীয় কূটনৈতিক মহলে উদ্বেগ সৃষ্টি করে। ছবি: এক্স থেকে নেওয়া
গত এপ্রিল মাসে ‘গ্রেটার বাংলাদেশ’ সংক্রান্ত একটি মানচিত্র বিতর্ক ভারতীয় কূটনৈতিক মহলে উদ্বেগ সৃষ্টি করে। ছবি: এক্স থেকে নেওয়া

গত এপ্রিল মাসে ‘গ্রেটার বাংলাদেশ’ সংক্রান্ত একটি মানচিত্র বিতর্ক ভারতীয় কূটনৈতিক মহলে উদ্বেগ সৃষ্টি করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের কিছু উগ্র গোষ্ঠী ভারতের পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অংশবিশেষকে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত দেখিয়ে মানচিত্র প্রকাশ করলে এই পরিস্থিতির উদ্ভব হয়।

এর পাশাপাশি, গত মাসে বাংলাদেশে দিপু চন্দ্র দাস নামে এক হিন্দু পোশাক শ্রমিককে তার সহকর্মীরা ধর্ম অবমাননার মিথ্যা অভিযোগে নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা করলে ভারতে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ভারত সরকার এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নতুন করে টানাপোড়েন দেখা দেয়। এর জবাবে ঢাকা কর্তৃপক্ষ জানায়, ঘটনার সুষ্ঠু বিচার করা হবে।

তবে মাহলা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “উভয় দেশই তাদের জনগণ ও পরিবেশের স্বার্থে সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে একসঙ্গে কাজ করবে।এটি একটি ইতিবাচক দিক।”

নির্বাচন হলেই কী বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়ে যাবে?bangladesh flag

১৯৯৬ সালের চুক্তি অনুযায়ী, গঙ্গা নদীর পানিপ্রবাহ থেকে ভারত ও বাংলাদেশ প্রত্যেকে প্রতি সেকেন্ডে ৩৫ হাজার কিউবিক ফুট (প্রায় ৯৯১ কিউবিক মিটার) করে পানি পাওয়ার কথা।

মাহলার মতে, নয়াদিল্লির একটি বড় উদ্বেগের জায়গা হলো ঢাকা আগের তুলনায় বেশি পানি দাবি করতে পারে। বিশেষ করে গত জুন মাসে বাংলাদেশ জাতিসংঘের ওয়াটার কনভেনশনে যোগ দেওয়ার পর দেশটির দর কষাকষির অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

এই প্রেক্ষাপটেই গত সেপ্টেম্বরে ১৪টি আন্তঃসীমান্ত নদীর পানিবণ্টন চুক্তি ব্যবস্থাপনার জন্য বাংলাদেশের একটি নতুন প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গঠনের প্রস্তাবকে ভারত ‘সন্দেহের চোখে’ দেখেছে। উল্লেখযোগ্য যে, ভারত জাতিসংঘের এই ওয়াটার কনভেনশনের স্বাক্ষরকারী দেশ নয়।

তীব্র পানি সংকট ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলার পাশাপাশি জাতিসংঘের এই চুক্তিতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণকে ভারত ও চীনের মতো উজান অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে অভিন্ন নদীগুলোতে সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী আইনি কাঠামো তৈরির প্রচেষ্টা হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

মাহলা ব্যাখ্যা করে বলেন, “যদি গঙ্গা চুক্তি এমনভাবে নবায়ন করা হয় যাতে বাংলাদেশ আগের চেয়ে বেশি পানি পায়, তাহলে ভারতের পূর্বাঞ্চলে পানির চাপ আরও বাড়তে পারে। এই অঞ্চলটি ইতোমধ্যেই পানিস্বল্পতায় ভুগছে। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে এতে ভারতের পানি ধরে রাখার সক্ষমতা বড় ধরনের পরীক্ষার মুখে পড়বে।”

বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে জাতিসংঘের এই ওয়াটার কনভেনশনে যোগ দেয়, যা পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনার জন্য একটি বৈশ্বিক কাঠামো প্রদান করে।

ঢাকার নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ‘সাউথ এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব পলিসি অ্যান্ড গভর্নেন্স’-এর পরিচালক এস কে তৌফিক এম হক বলেন, শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রবাহ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ১৯৯৬ সালের গঙ্গা চুক্তির সময়োপযোগী নবায়ন প্রত্যাশা করছে।

তিনি উল্লেখ করেন, “ভারত এখন পর্যন্ত সতর্ক অবস্থান নিয়েছে এবং মূল আলোচনা বিলম্বিত করতে আগ্রহী হতে পারে।” এর পেছনে বড় একটি কারণ হিসেবে তিনি বর্তমানে বাংলাদেশে কোনো নির্বাচিত সরকার না থাকাকে চিহ্নিত করেন। উল্লেখ্য, বাংলাদেশে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

হক আরও বলেন, আন্তঃসীমান্ত পানি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দিল্লি ক্রমশ ‘কৌশলগত কঠোরতা’ প্রদর্শন করছে এবং পানিসম্পদ বণ্টন নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মতবিরোধ দীর্ঘদিন ধরেই বিদ্যমান।

বাংলাদেশের মতো ভারতের এই কঠোর অবস্থানের পেছনেও রয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত পানির ঘাটতি, জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ।

ঢাকায় হ্যান্ডশেক: ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক কি স্বাভাবিক হবে?india pakistan new

এই ধরনের উদ্বেগই ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যেও বিরোধের জন্ম দিয়েছে। ১৯৬০ সালে স্বাক্ষরিত সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তিটি বর্তমানে জটিল অবস্থার মুখে। দিল্লির অভিযোগ, ইসলামাবাদ সন্ত্রাসবাদে মদদ দিচ্ছে, যা এই পানিবণ্টন চুক্তিকে রাজনৈতিক দরকষাকষির হাতিয়ারে পরিণত করার আশঙ্কা তৈরি করেছে।

আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা। ছবি: এআই দিয়ে তৈরি
আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা। ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতন এবং তার ভারতে অবস্থানকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে গত এক বছরে ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্কেও টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ এবং বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে ভারতের প্রতিবাদের ঘটনায় উভয় দেশ একে অপরের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ভারত বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচনের দিকে কড়া নজর রাখবে, কারণ নির্বাচনের ফলাফলই নির্ধারণ করবে ঢাকার প্রতি দিল্লির ভবিষ্যৎ দৃষ্টিভঙ্গি।

ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সাবেক ক্ষমতাসীন ও বর্তমানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিকল্প হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করায় দলটির গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে।

হকের মতে, নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রভাবশালী ইসলামপন্থী দল জামায়াতে ইসলামী যারা প্রায়ই বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ থাকে। তাদের ভারতবিরোধী অবস্থান ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

তবে তিনি এটিও যোগ করেন যে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সাম্প্রতিক বাংলাদেশ সফর দুই দেশের মধ্যে নতুন করে আস্থা তৈরিতে সহায়ক হতে পারে।

বিষয়: বাংলাদেশনির্বাচননদীভোটভারত
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা তৈরি করেছে। সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কূটনৈতিক তৎপরতা কিংবা হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা—কোনো উদ্যোগই এখন পর্যন্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি

  • এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    গত ২২ বছরের মধ্যে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের জন্য প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ফলাফলের জন্য দায়ী।

  • রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগালের মতো দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থাহীনতা ইউরোপের বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ

  • ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্য শুধু কংগ্রেসের আসনসংখ্যা নির্ধারণের লড়াই নয়; এটি তার পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন জনগণের মূল্যায়নেরও পরীক্ষা। ইউক্রেনের প্রতি অবস্থান পরিবর্তন, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ এবং শুল্কনীতির কারণে সৃষ্ট অসন্তোষ রিপাবলিকান ভোটব্যাংকেও প্রভ