Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ

ইয়েলো লাইনের আতঙ্কে বারবার বাস্তুচ্যুত গাজাবাসী

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৫: ৪২
ইয়েলো লাইনের আতঙ্কে বারবার বাস্তুচ্যুত গাজাবাসী
ইসরায়েল ‘ইয়েলো লাইন’ আরও ভেতরে সরিয়ে নেওয়ায় পূর্ব গাজা সিটির শুজাইয়ায় তাঁবু বসাচ্ছেন বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি মাহমুদ হারজিন। ছবি: আল জাজিরা

একবার তাঁবু খাটিয়ে রাতে ঘুমালেন। পরদিন সকালে আবারও গুছিয়ে নিতে হলো বিছানাপত্র, জিনিসপত্র। কারণ, ইসরায়েলি বাহিনী আরও এগিয়ে এনেছে ‘ইয়েলো লাইন’। ফলে নতুন করে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বের হতে হয়েছে মাহমুদ হারজিনকে। গাজার এই বাসিন্দার মতো অনেক ফিলিস্তিনির জীবন এখন এমনই অনিশ্চয়তায় ঘেরা। সীমারেখা যত এগিয়ে আসে, ততই ছোট হয়ে আসে তাদের আশ্রয়ের জায়গা।

Advertisement

ফিলিস্তিনের নাগরিক মাহমুদ হারজিনের বর্তমান তাঁবুটি ইসরায়েলের তথাকথিত ‘ইয়েলো লাইন’ চিহ্নিত হলুদ কংক্রিটের ব্লক থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে। ৩৫ বছর বয়সী এই ব্যক্তির জন্য এটি ষষ্ঠবারের মতো স্থান পরিবর্তনের প্রস্তুতি। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে তার ও গাজার অন্য বাসিন্দাদের এমন দুর্বিষহ জীবনের চিত্র।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

প্রতিবার এই সীমারেখা একটু একটু করে এগিয়ে এলে মাহমুদ জিনিসপত্র গুছিয়ে আরও পেছনে সরে যান। পরিবারের সদস্যদের বিপদ থেকে দূরে রাখতেই তার এই চেষ্টা। কিন্তু প্রতিবার স্থান পরিবর্তনে মেলে কেবল সাময়িক স্বস্তি।

আল জাজিরাকে তিনি বলেন, “তারা একটু করে সামনে আগায়, আর আমরা একটু করে পেছনে সরে যাই।”

২০২৫ সালের অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে গাজার ভূখণ্ডকে ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনি নিয়ন্ত্রণাধীন দুই ভাগে বিভক্ত করে ‘ইয়েলো লাইন’ নির্ধারণ করা হয়। ইসরায়েলি বাহিনী এই রেখার পেছনে সরে গেলেও পরে গাজার আরও ভেতরে রেখাটি সরিয়ে নেওয়া অব্যাহত রেখেছে।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে গাজার প্রায় ৬৫ শতাংশ এলাকা ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে। এক বছর আগে চুক্তিতে এই নিয়ন্ত্রণের পরিমাণ নির্ধারিত হয়েছিল ৫৩ শতাংশ।

মাহমুদ বলেন, “প্রায় ছয়বার এমন হয়েছে। প্রতিবারই রেখাটি একটু এগিয়ে এলে আমার মনে হয়েছে, জায়গাটি বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। তাই একটু পেছনে সরে গিয়ে সেখানে কিছুদিন থাকার চেষ্টা করেছি।”

সব শেষবার নতুন জায়গায় তার থাকা এক রাতও স্থায়ী হয়নি। তাঁবু খাটাতে বেশ কিছুটা সময় দেওয়ার পর সেখানে এক রাত ঘুমিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু পরদিন সকালে ইসরায়েলি বাহিনী আবারও ‘ইয়েলো লাইন’ এগিয়ে নেয়। এতে রেখাটি তার কাছে বিপজ্জনক রকমের কাছাকাছি চলে আসে।

মাহমুদ বলেন, “আমি তাঁবু খাটিয়ে সেখানে এক রাত ঘুমিয়েছিলাম। পরদিন সকালে বিছানাপত্র ও জিনিসপত্র গুছিয়ে আমরা সেখান থেকে চলে যাই।”

যুদ্ধের তিন বছর পর গাজা এখন কোন অবস্থায়gaza

শুধু কংক্রিটের ব্লক সরিয়ে নেওয়াই বিপদের একমাত্র কারণ নয়। মাহমুদ জানান, ড্রোন ও হেলিকপ্টারের আনাগোনা, কামানের গোলাবর্ষণ এবং এদিক-সেদিক থেকে ছুটে আসা বুলেটের মধ্যে তাদের বসবাস করতে হচ্ছে। আশপাশে আশ্রয় নেওয়া মানুষের জন্য গোলার টুকরাও সব সময় বিপদের কারণ হয়ে রয়েছে।

তার ভাষ্য, রেখাটি এগিয়ে নেওয়ার রাতগুলো বিশেষভাবে আতঙ্কের। ব্লক সরানোর সময় ট্যাংক, পদাতিক সেনাদের উপস্থিতি এবং ভারী গোলাবর্ষণের মধ্যে কাটে সেই রাত।

মাহমুদ বলেন, “যেদিন রেখাটি সরানো হয়, সেদিন ট্যাংক আসে, পদাতিক সেনারা এগিয়ে আসে, আর গোলা ছোড়া হয়। এসবই করা হয় শুধু হলুদ ব্লকটি একটু সামনে এগিয়ে নেওয়ার জন্য।”

যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও ইসরায়েল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। গত এক বছরে এসব হামলায় প্রায় দেড় হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ২০২৩ সালের অক্টোবরে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গাজায় ইসরায়েলের হামলায় ৭৪ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

ইসরায়েলের হামলা এবং পুরো গাজাজুড়ে ভবন ধ্বংসের কারণে অধিকাংশ ফিলিস্তিনিকে একাধিকবার বাস্তুচ্যুত হতে হয়েছে। এতে তুলনামূলক নিরাপদ এলাকায় তাঁবু খাটানোর মতো জায়গা খুবই কমে গেছে। অন্যদিকে, বেড়ে যাওয়া বাড়িভাড়া বহন করার সামর্থ্যও নেই মাহমুদের।

এখন আবারও স্থান পরিবর্তনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। মাহমুদ বলেন, “সম্ভবত তারা আবারও রেখাটি সামনে এগিয়ে নেবে। প্রতিবার পালাতে হলে আমাদের এর আরও কাছে গিয়ে আশ্রয় নিতে হয়। এভাবেই আমাদের এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় সরে যেতে হচ্ছে।”

গাজার শুজাইয়ায় তাঁবুর পাশে পড়ে আছে একটি ফিলিস্তিনি পরিবারের জিনিসপত্র। সেখানে বাসিন্দারা আবারও বাস্তুচ্যুত হওয়ার আশঙ্কা করছেন। ছবি: আল জাজিরা
গাজার শুজাইয়ায় তাঁবুর পাশে পড়ে আছে একটি ফিলিস্তিনি পরিবারের জিনিসপত্র। সেখানে বাসিন্দারা আবারও বাস্তুচ্যুত হওয়ার আশঙ্কা করছেন। ছবি: আল জাজিরা

রাতে পালানো, সকালে ফেরা

মাহমুদ হারজিনের মতো গাজার শুজাইয়া এলাকার বাসিন্দা আসমা আলির জীবনেও ‘ইয়েলো লাইন’ মানে অনিশ্চয়তা আর বারবার বাস্তুচ্যুত হওয়া। ৩২ বছর বয়সী তিন সন্তানের এই মায়ের পরিবারকে যুদ্ধবিরতি শুরুর পর থেকে সাত-আটবার স্থান পরিবর্তন করতে হয়েছে। কখন কোথায় থাকতে পারবেন, তা নিয়ে নিশ্চয়তা নেই।

গাজা শহরের মধ্যভাগে কিছুদিন থাকার পর স্থায়ীভাবে বসবাসের আশায় তারা শুজাইয়ার আল-মান্তার এলাকায় ফিরে যান। কিন্তু এক মাস পর আবারও গোলাবর্ষণ শুরু হয়। নতুন করে এলাকা ছাড়তে হতে পারে, এমন আশঙ্কায় তাদের আবারও স্থান পরিবর্তন করতে হয়।

প্রথমে একটি স্কুলে আশ্রয় নেয় পরিবারটি। পরে একটি বাসস্টপের কাছে একটি বাড়িতে ওঠে তারা। কিন্তু এক রাতে ভারী গোলাবর্ষণের পর ভোররাতে সেখান থেকেও চলে যেতে হয়। এরপর গাজা শহরের কেন্দ্রে ফিরে স্বজনদের সঙ্গে থাকতে শুরু করেন তারা। তবে ‘ইয়েলো লাইন’ আরও এগিয়ে আসায় পরবর্তী সময়ে কোথায় আশ্রয় নেবেন, তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন আলী।

আলী বলেন, “প্রতি রাতেই আমরা পালিয়ে যেতাম, তারপর সকালে ফিরে আসতাম। রাতটা কাটানোর জন্য কোথাও থাকার জায়গা খুঁজতে হতো, এরপর পরদিন সকালে আবার ফিরে আসতাম।”

তার ভাষায়, “ইয়েলো লাইন এগিয়ে আসার রাতগুলো ভয়ংকর। রাতের শুরু থেকে ভোর পর্যন্ত গুলিবর্ষণ চলতে থাকে। সব সময় আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হয়।”

গাজার বাস্তুচ্যুতদের ফেরা কেন কঠিন হয়ে পড়েছে?A Palestinian young man stands of residential buildings destroyed during the war, in Gaza City, September 28, 2026–Reuters

আসমা জানান, তারা যে ঘরটিতে থাকছিলেন, সেটি ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় পরিবারের সব জিনিসপত্র হারিয়েছেন। এর মধ্যে ছিল স্বর্ণালংকার, ঘরের প্রয়োজনীয় সামগ্রী এবং সন্তানদের পোশাক।

হারিয়ে যাওয়া জিনিসের মধ্যে ছিল প্রতিবন্ধী ছেলের ব্যবহারের জন্য একটি ব্রেস। এটি হাতে পাওয়ার মাত্র দুই দিন পরই হারিয়ে যায়।

“চোখের পলকেই সব শেষ হয়ে গেল,” বলেন আসমা।

ইয়েলো লাইন এগিয়ে আসায় কোথায় নিরাপদে থাকতে পারবেন, তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন আসমা আলী ও তার পরিবার। ছবি: আল জাজিরা
ইয়েলো লাইন এগিয়ে আসায় কোথায় নিরাপদে থাকতে পারবেন, তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন আসমা আলী ও তার পরিবার। ছবি: আল জাজিরা

পরিবারের জন্য নিরাপদে থাকার একটি জায়গা খুঁজছেন আলী। কিন্তু তার ভাষ্য, তাদের সামর্থ্যের মধ্যে এমন কোনো জায়গা নেই। দক্ষিণে সরে যাওয়াও কঠিন। সেখানে যাওয়ার জন্য যানবাহন পাওয়া দুষ্কর। তাছাড়া, সেখানে পৌঁছেও নিরাপদ আশ্রয় মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

আসমার চাওয়া খুবই সাধারণ। এমন একটি জায়গা, যেখানে তার সন্তানরা আবার পালিয়ে যাওয়ার ভয় ছাড়াই ঘুমাতে পারবে।

৩২ বছর বয়সী এই নারী বলেন, “আমাদের জন্য সবচেয়ে জরুরি হলো একটি নিরাপদ জায়গা। এমন কোথাও, যেখানে সন্তানদের নিয়ে থাকতে পারব, একটু বিশ্রাম নিতে পারব, একটু থিতু হতে পারব।”

বিষয়: গুলিগাজা উপত্যকাআশ্রয়কেন্দ্রযুদ্ধবিরতিইসরায়েলফিলিস্তিনি
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ২

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৩

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৪

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

  • ৫

    চুয়েটের শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ফিরছেন, এক মাসের ঘাটতি মিটবে কীভাবে?

সম্পর্কিত
  • ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা তৈরি করেছে। সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কূটনৈতিক তৎপরতা কিংবা হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা—কোনো উদ্যোগই এখন পর্যন্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি

  • এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    গত ২২ বছরের মধ্যে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের জন্য প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ফলাফলের জন্য দায়ী।

  • রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগালের মতো দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থাহীনতা ইউরোপের বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ

  • ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্য শুধু কংগ্রেসের আসনসংখ্যা নির্ধারণের লড়াই নয়; এটি তার পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন জনগণের মূল্যায়নেরও পরীক্ষা। ইউক্রেনের প্রতি অবস্থান পরিবর্তন, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ এবং শুল্কনীতির কারণে সৃষ্ট অসন্তোষ রিপাবলিকান ভোটব্যাংকেও প্রভ