Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ

এবারের ব্রিকস সম্মেলন ঐক্যের মাইলফলক হতে পারে

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯: ৩৬
এবারের ব্রিকস সম্মেলন ঐক্যের মাইলফলক হতে পারে
আজ শুরু হচ্ছে ব্রিকস সম্মেলন। ছবি: রয়টার্স

নয়াদিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তবে সম্মেলন ঘিরে ভারতের এবারের প্রকাশ্য আয়োজন তিন বছর আগে জি-২০ সম্মেলনের সময়ের মতো জাঁকজমকপূর্ণ নয়। আয়োজন সাদামাটা হলেও সম্মেলনটির গুরুত্ব কমে যায়নি। উদীয়মান বড় অর্থনীতি ও গ্লোবাল সাউথের উন্নয়নশীল দেশগুলোর নেতাদের এই বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।

Advertisement

হংকং-ভিত্তিক ইংরেজি সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট তাদের সম্পাদকীয়তে লিখেছে, বিশ্বের সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যার দুই দেশ ভারত ও চীনের সম্পর্কের ক্ষেত্রে এই সম্মেলন একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হতে পারে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এই সম্মেলনের মাধ্যমে প্রায় সাত বছর পর ভারতে সফর করছেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং। সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের ফাঁকে শনিবার সি চিনপিংয়ের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে সি চিনপিংয়ের। সেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার বৈঠক হওয়ার কথা। এর আগে মোদি ও সি চিনপিংয়ের বৈঠকের দিকে ওয়াশিংটন থেকে মস্কো পর্যন্ত নজর থাকবে।

যুক্তরাষ্ট্র ভারতের সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজার। অন্যদিকে, রাশিয়া ভারতের অন্যতম প্রধান অস্ত্র ও জ্বালানি সরবরাহকারী দেশ।

১৮তম ব্রিকস সম্মেলন শুরু হচ্ছে আজ brics

ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত ও চীনকে নিয়ে ২০ বছর আগে ব্রিকস জোট গঠিত হয়। পরে দক্ষিণ আফ্রিকাও এতে যোগ দেয়। ধনী ও উন্নত দেশগুলোর জোট জি৭-এর প্রভাবের বিপরীতে নিজেদের অবস্থান শক্ত করাই ছিল ব্রিকস গঠনের অন্যতম লক্ষ্য।

এখন ব্রিকস গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোর একটি গুরুত্বপূর্ণ জোট। এশিয়া, আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও লাতিন আমেরিকার দেশগুলো এতে রয়েছে।

এই জোটে জ্বালানি রপ্তানিকারক দেশ, বড় উৎপাদনকারী দেশ এবং দ্রুত উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশ রয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সঙ্গে এসব দেশের সম্পর্ক একরকম নয়।

নয়াদিল্লির এই সম্মেলন মূলত একটা ‘টেস্ট কেস’। এতে বোঝা যাবে ব্রিকস জোট নিজেদের স্বার্থে একসঙ্গে কতটা কাজ করতে পারে।

জি-৭ এর মতো ব্রিকসের কোনো শক্তিশালী বা নির্দিষ্ট নেতৃত্ব নেই। তাই দেশগুলোর মধ্যে আরও বেশি মিল খুঁজে বের করতে হবে এবং সহযোগিতা বাড়াতে হবে। তবে এত ভিন্ন দেশের জোট হয়েও ব্রিকস এখন পর্যন্ত অনেক দূর এগিয়েছে।

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট লিখেছে, নয়াদিল্লির এই সম্মেলন ব্রিকস দেশগুলোর ঐক্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। জোটের সদস্যরা এখন বুঝতে পারছেন, ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি মোকাবিলায় তাদের একসঙ্গে কাজ করা দরকার। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের আরও কঠোর ও সক্রিয় পররাষ্ট্রনীতি এবং বিশ্বের অস্থির ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিও রয়েছে।

এই কারণেই সম্মেলনের এবারের মূল স্লোগানও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এবারের স্লোগানও হলো- ‘সহনশীলতা, উদ্ভাবন, সহযোগিতা ও টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণ।’

অনেক দিন ধরেই চীন ও ভারতের সম্পর্কের কারণে ব্রিকসে কিছু সমস্যা রয়েছে। সীমান্ত নিয়ে বিরোধের কারণে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনাও আছে। ব্রিকসের বৈঠকে যোগ দিয়ে এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করে সি চিনপিং দুই দেশের সম্পর্ক ভালো করতে চাইছেন। তিনি দুই দেশের মতপার্থক্যও কমাতে চাইছেন।

এটি ব্রিকসের জন্য ভালো খবর। চীন ও ভারতের সম্পর্ক ভালো হলে এশিয়ায় স্থিতিশীলতা বাড়বে। একই সঙ্গে ব্রিকসও আরও শক্তিশালী হবে।

ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী: হুমায়ুন কবিরhumayun-kabir

এশিয়ায় স্থিতিশীল পরিবেশ ধরে রাখতে সি চিনপিং গত এক মাসে কয়েকটি দেশ সফর করেছেন। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রথমে তিনি সাংহাই কো-অপারেশন অরগানাইজেশন সম্মেলনে যোগ দিতে কিরগিজস্তান সফর করেন। এরপর ১০ বছর পর প্রথমবারের মতো মিশর সফর করেন। এবার তিনি ভারত সফরে এসেছেন।

বছরের শুরুতে সি চিনপিং বেশিরভাগ সময় বেইজিংয়ে ছিলেন। তখন তিনি বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

এশিয়ায় স্থিতিশীলতার এই বার্তা চীনের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। এতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় চীন আরও শক্ত অবস্থান থেকে কথা বলতে পারবে।

চীন ও ভারতের জন্য এই সপ্তাহের বৈঠকগুলো গুরুত্বপূর্ণ। এসব বৈঠকে নরেন্দ্র মোদি ও সি চিনপিং সীমান্তের উত্তেজনা আরও কমানোর চেষ্টা করতে পারেন।

বিতর্কিত সীমান্ত নিয়ে দুই দেশের মধ্যে কিছু সমঝোতা হয়েছে। সীমান্তে উত্তেজনা কমানো এবং সেনা সরিয়ে নেওয়ার বিষয়েও তারা ধীরে ধীরে একমত হয়েছে। তবে মাঝে মাঝে আবার উত্তেজনার খবর পাওয়া যায়।

আশা করা যায়, সি চিনপিংয়ের এই সফরের পর দুই দেশ আগের সমঝোতা আরও ভালোভাবে মানবে। এতে দুই দেশের সম্পর্কও ধীরে ধীরে ভালো হতে পারে।

অর্থনৈতিক দিকেও ভারত সমস্যায় আছে। যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক এবং চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতির পাশাপাশি ভারত থেকে বিদেশি বিনিয়োগও কমছে। চীন ও ভারতের সম্পর্ক ভালো হলে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কও বাড়তে পারে। ভারতে চীনের বিনিয়োগও বাড়তে পারে।

সব মিলিয়ে, ব্রিকসের এবারের সম্মেলন গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন হয়ে উঠছে।

বিষয়: চীনসি চিনপিংনরেন্দ্র মোদিভারতব্রিকসনয়াদিল্লিব্রিকস সম্মেলন
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ২

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৩

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৪

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

  • ৫

    চুয়েটের শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ফিরছেন, এক মাসের ঘাটতি মিটবে কীভাবে?

সম্পর্কিত
  • ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা তৈরি করেছে। সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কূটনৈতিক তৎপরতা কিংবা হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা—কোনো উদ্যোগই এখন পর্যন্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি

  • এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    গত ২২ বছরের মধ্যে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের জন্য প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ফলাফলের জন্য দায়ী।

  • রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগালের মতো দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থাহীনতা ইউরোপের বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ

  • ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্য শুধু কংগ্রেসের আসনসংখ্যা নির্ধারণের লড়াই নয়; এটি তার পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন জনগণের মূল্যায়নেরও পরীক্ষা। ইউক্রেনের প্রতি অবস্থান পরিবর্তন, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ এবং শুল্কনীতির কারণে সৃষ্ট অসন্তোষ রিপাবলিকান ভোটব্যাংকেও প্রভ