চরচা প্রতিবেদক

অর্থ আত্মসাৎ ও মানবপাচারের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ফেনী–৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক মো. রায়হানুর রহমান পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন।
অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মোর্শেদ আলম শাহীন রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন। পরে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস এলাকার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে। মামলাটি দায়ের করা হয় ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর পল্টন মডেল থানায়। মামলাটি করেছিলেন আফিয়া ওভারসিজের মালিক আলতাব খান।
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে যে, জনশক্তি রপ্তানি খাতে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলে ব্যবসায়ীদের থেকে চাঁদা আদায় করে আসছিলেন মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী। অভিযোগ রয়েছে, ভয়–ভীতি ও বলপ্রয়োগের মাধ্যমে মানবপাচারের উদ্দেশ্যে ৮৪১ জনের কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা করে মোট ১২ কোটি ৫৬ লাখ টাকা আদায় করা হয়। এছাড়া একই চক্রের মাধ্যমে অন্যান্য ব্যবসায়ীদের থেকেও প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা চাঁদা আদায় করে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
মামলায় সাবেক প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ইমরান আহমেদ, সাবেক এমপি বেনজীর আহমেদ, সাবেক সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীনসহ মোট ১০৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।

অর্থ আত্মসাৎ ও মানবপাচারের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ফেনী–৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক মো. রায়হানুর রহমান পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন।
অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মোর্শেদ আলম শাহীন রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন। পরে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস এলাকার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে। মামলাটি দায়ের করা হয় ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর পল্টন মডেল থানায়। মামলাটি করেছিলেন আফিয়া ওভারসিজের মালিক আলতাব খান।
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে যে, জনশক্তি রপ্তানি খাতে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলে ব্যবসায়ীদের থেকে চাঁদা আদায় করে আসছিলেন মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী। অভিযোগ রয়েছে, ভয়–ভীতি ও বলপ্রয়োগের মাধ্যমে মানবপাচারের উদ্দেশ্যে ৮৪১ জনের কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা করে মোট ১২ কোটি ৫৬ লাখ টাকা আদায় করা হয়। এছাড়া একই চক্রের মাধ্যমে অন্যান্য ব্যবসায়ীদের থেকেও প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা চাঁদা আদায় করে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
মামলায় সাবেক প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ইমরান আহমেদ, সাবেক এমপি বেনজীর আহমেদ, সাবেক সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীনসহ মোট ১০৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর গণমাধ্যমকে জানান, আগের সরকারের সময়ে নেওয়া ১ হাজার ৩০০টির অধিক উন্নয়ন ও অবকাঠামো প্রকল্প রয়েছে, যেগুলোর অনিয়ম ও যৌক্তিকতা খতিয়ে দেখতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কমিটি করা হয়েছে।