
গত শুক্রবার ইরানে মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করা হয়। ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়, আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ব্যবহার করে তারা যুক্তরাষ্ট্রের একটি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ইগল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে। পরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে পাইলটকে দ্রুতই উদ্ধার করে যুক্তরাষ্ট্র।
ইরানের সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা ইসফাহান প্রদেশে বেশকিছু মার্কিন এবং ইসরায়েলি ড্রোন ধ্বংস করেছে। এ ঘটনার পর ওই যুদ্ধবিমানে থাকা দুজনকেই উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আমেরিকা। এ নিয়ে বিস্তারিত শুনুন অধ্যাপক বদরুল আলম খানের বিশ্লেষণে।

ইরানে মার্কিন এফ-১৫ই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। একজন সেনাসদস্যকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। দ্বিতীয় পাইলটকে উদ্ধারের দাবি করেছে আমেরিকা। শত্রু ভূখণ্ডের গভীরে যখন কোনো মার্কিন পাইলট আটকা পড়েন, তখন কীভাবে কাজ করে মার্কিন সামরিক বাহিনী?

ইরানি কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইরানের আকাশসীমায় এবং ভূখণ্ডে বেশ কয়েকটি বিদেশি যুদ্ধবিমান ও ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে।

ইরানে নিখোঁজ মার্কিন সেনাকে উদ্ধারে পরিচালিত অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের আরও একটি বিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে তেহরান। দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ জানিয়েছে, ধ্বংস হওয়া বিমানটি মার্কিন বিমান বাহিনীর ‘সি-১৩০’ শ্রেণির একটি পরিবহন বিমান।

‘আমরা তাকে পেয়েছি! তিনি এখন নিরাপদ ও সুস্থ আছেন।’

ইসরায়েল-আমেরিকা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরানে। ইরানও থেমে নেই। ইরান নতুন করে আমেরিকার অন্তত তিনটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত করেছে। ওদিকে, যুদ্ধের জন্য নতুন করে তহবিল চেয়েছে হোয়াইট হাউজ। তবে কী যুদ্ধ আরও লম্বা হচ্ছে?

ইরানের আকাশসীমায় দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার পর নিখোঁজ ক্রু সদস্যকে নিয়ে উত্তেজনা তুঙ্গে। উদ্ধার অভিযানে মার্কিন দলগুলো গুলিবর্ষণের শিকার হলেও খুজেস্তান প্রদেশে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যেই নিখোঁজ সেনাকে জীবিত ধরতে পারলে বড় পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছে ইরান।

ইরানে বিধ্বস্ত হওয়া মার্কিন এফ-১৫ই যুদ্ধবিমানের দ্বিতীয় ক্রুকে উদ্ধার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ‘তীব্র গোলাগুলির’ পর ওই ক্রুকে উদ্ধার করা সম্ভব হয় বলে দাবি করা হয়েছে।

ইরান ও পারস্য উপসাগরের আকাশে বিধ্বস্ত মার্কিন যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ এক ক্রু সদস্যকে (পাইলট) খুঁজে বের করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে দুই পক্ষই।

একই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে ইরান। স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার দেশটির মধ্যাঞ্চলে মার্কিনিদের একটি এফ-১৫ বিমান ভূপাতিত করা হয়। একই সময়ে হরমুজ প্রণালির কাছে পারস্য সাগরে এ-১০ ওয়ার্থগ মডেলের আরেকটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইরান।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলায় এ পর্যন্ত ১ হাজার ৩৪০ জন নিহত হয়েছেন। যার মধ্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনিও ছিলেন।

ইসরায়েল তাদের পারমাণবিক অস্ত্রের অস্তিত্ব নিশ্চিতও করে না, আবার অস্বীকারও করে না। কার্যত, এই অস্পষ্টতা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে একটি কঠিন প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়া এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। আর তা হলো, ঠিক কোন পরিস্থিতিতে ইসরায়েল প্রকৃতপক্ষে এগুলো ব্যবহার করবে?

সেন্টকমের তথ্যমতে, যুদ্ধবিমানগুলো ‘অপারেশন এপিক ফিউরির’ সমর্থনে কুয়েতের আকাশসীমায় উড্ডয়নরত ছিল। প্রাথমিক তদন্তে একে একটি ‘ফ্রেন্ডলি ফায়ার’ বা মিত্রপক্ষের ভুল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

সেন্টকমের তথ্যমতে, যুদ্ধবিমানগুলো ‘অপারেশন এপিক ফিউরির’ সমর্থনে কুয়েতের আকাশসীমায় উড্ডয়নরত ছিল। প্রাথমিক তদন্তে একে একটি ‘ফ্রেন্ডলি ফায়ার’ বা মিত্রপক্ষের ভুল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।