Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

দেশের কোথায় খাবারের দাম বেশি, কোথায় কম?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৮: ২৩
দেশের কোথায় খাবারের দাম বেশি, কোথায় কম?
ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

দেশে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিইউএফপি)। তবে সেই সঙ্গে অঞ্চল ভেদে দামের পার্থক্যের তথ্যও তুলে ধরেছে বৈশ্বিক সংগঠনটি।

Advertisement

গত মে মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.৬ শতাংশ। যা পরের মাস অর্থাৎ, জুনে নেমে এসেছে ৮ দশমিক ৬ শতাংশে। কিন্তু এতে পুরো চিত্র নেই। কারণ দেশের সব অঞ্চলে একই দামে খাদ্যপণ্য বিক্রি হয় না। কোথাও চাল তুলনামূলক সস্তা, আবার কোথাও সেই একই চাল কিনতে গুনতে হয় বেশি টাকা।

ডব্লিউএফপির বাংলাদেশ মার্কেট মনিটর, জুন-২০২৬ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ভৌগোলিক অবস্থান, পরিবহন ব্যয় ও সরবরাহ ব্যবস্থার পার্থক্যের কারণে বিভাগভেদে খাদ্যপণ্যের দামে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে।

সবচেয়ে বেশি দামে মোটা চাল বিক্রি হয়েছে ময়মনসিংহ বিভাগে। সেখানে প্রতি কেজির গড় দাম ছিল ৫২ দশমিক ২ টাকা। এর পরেই রয়েছে বরিশাল, যেখানে দাম ছিল ৫১ দশমিক ৪ টাকা। চট্টগ্রামে প্রতি কেজি মোটা চাল বিক্রি হয়েছে ৫১ দশমিক ৩ টাকায়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
দেশের একজন মানুষের মাসে কোন খাবার কতটা প্রয়োজন?organic food

ডব্লিইউএফপি যে তথ্য দিয়েছে, তাতে সবচেয়ে কম দামে মোটা চাল পাওয়া গেছে রংপুর বিভাগে। সেখানে প্রতি কেজির গড় দাম ছিল ৪৪ দশমিক ১ টাকা। খুলনায় একই চালের দাম ছিল ৪৭ দশমিক ৪ টাকা এবং সিলেটে ৪৮ দশমিক ৩ টাকা। অর্থাৎ, একই ধরনের চাল কিনতে ময়মনসিংহের একজন ক্রেতাকে রংপুরের একজন ক্রেতার তুলনায় প্রতি কেজিতে প্রায় ৮ টাকা বেশি খরচ করতে হয়েছে।

চালের মতো ভোজ্যতেলের বাজারেও আঞ্চলিক পার্থক্য স্পষ্ট। প্রতিবেদনে দেখা গেছে, জুন মাসে চট্টগ্রাম বিভাগে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের গড় দাম ছিল ১৯১ দশমিক ৫ টাকা, যা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ। অন্যদিকে সিলেট বিভাগে একই তেলের দাম ছিল ১৬৯ টাকা। অর্থাৎ, দুই বিভাগের মধ্যে প্রতি লিটারে ২২ টাকারও বেশি ব্যবধান ছিল।

ডব্লিউএফপির প্রতিবেদনে বিশেষভাবে উঠে এসেছে ভাসান চরের চিত্র। মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ায় সেখানে খাদ্যপণ্য পৌঁছাতে চট্টগ্রাম থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার সমুদ্রপথ অতিক্রম করতে হয়। ফলে পরিবহন ব্যয় স্বাভাবিকভাবেই বেশি। বর্ষাকালে বৈরী আবহাওয়ার কারণে এই ব্যয় আরও বেড়ে যায় এবং সরবরাহ ব্যবস্থাও ঝুঁকির মুখে পড়ে। এর প্রভাব সরাসরি পড়ে খাদ্যপণ্যের দামে।

খাবারেও ফ্যাসিবাদ আছে?FOOD-FACI-11

এ কারণেই জুন মাসে ভাসান চরে একজন মানুষের নূন্যতম পুষ্টির চাহিদা পুরন করে এমন মাসিক খাদ্য তালিকার খরচ ছিল ১ হাজার ৪৭৯ টাকা। একই সময়ে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরে এই ব্যয় ছিল ১ হাজার ৩৮৯ টাকা। আর উখিয়া ও টেকনাফের স্থানীয় বাজারে একই খাদ্য তালিকার মূল্য ছিল ১ হাজার ৪৫৭ টাকা। রোহিঙ্গা শিবিরের কারণে ডব্লিইউএফপি আলাদা করে এসব এলাকার খাদ্যের পণ্যমূল্য উল্লেখ করেছে।

শুধু অঞ্চলভেদে দামের পার্থক্যই নয়, জাতীয় পর্যায়েও খাদ্য ব্যয় অনেক মানুষের নাগালের বাইরে রয়ে গেছে। ডব্লিউএফপির হিসাবে, ২০২৬ সালের জুনে একজন মানুষের প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাদ্যের মাসিক গড় খরচ ছিল ২ হাজার ৮৬৮ টাকা। অথচ জাতীয় খাদ্য দারিদ্র্যসীমা মাসে ১ হাজার ৮৫১ টাকা। ফলে নিম্ন আয়ের পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ।

প্রতিবেদনটি আরও দেখায়, একজন পোশাক শ্রমিকের এক দিনের গড় আয় দিয়ে কেনা যায় প্রায় ৯ দশমিক ৭ কেজি মোটা চাল। অর্থাৎ, যেসব অঞ্চলে চালের দাম বেশি, সেখানে একই আয়ে খাদ্য কেনার সক্ষমতাও আরও কমে যায়।

ডব্লিউএফপির বিশ্লেষণ বলছে, খাদ্যের দামের এই আঞ্চলিক বৈষম্যের পেছনে মূলত পরিবহন ব্যয়, সরবরাহ ব্যবস্থার জটিলতা, উৎপাদন ব্যয় এবং ভৌগোলিক অবস্থান একসঙ্গে কাজ করছে। তাই জাতীয় পর্যায়ে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও দেশের সব অঞ্চলের মানুষ সেই স্বস্তি সমানভাবে অনুভব করছেন না। বিশেষ করে দুর্গম ও বিচ্ছিন্ন এলাকায় বসবাসকারীদের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের উচ্চমূল্য এখনো একটি বড় বাস্তবতা।

বিষয়: খাবারঅর্থনীতিমূল্যস্ফীতিজাতিসংঘদামচাল
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    ঢাকার তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধারের তিন দিন পরও মৃত্যুরহস্যের কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। এর মধ্যে তাহসিফের বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপের বক্তব্য নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। পিবিআইকে দেওয়া তথ্যে দীপ জানিয়েছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তিতে তাদের কয়েক

  • সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে মিরপুরের উইকেট বরাবরই এক ধাঁধাঁর বিষয়। বিশেষ করে স্পিন নির্ভর কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার কৌশল হিসেবে ধীরগতির ও অতিরিক্ত টার্নিং উইকেট ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় এক যুগ ধরে চলে আসছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সেই কৌশলই বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়ি

  • মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানবমস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক জিনগত ত্রুটিযুক্ত স্নায়ুকোষ বা নিউরন অপসারিত হয়। জন্মের সময়ের কাছাকাছি এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক যেন নিজের কোষগুলোর গুণগত মান যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা ত্রুটিপূর্ণ কোষ সরিয়ে দেয়। নেচার সাময়িকীতে গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি গবেষণায় মানুষের

  • মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    টেঘাজা ০০১-এর আবিষ্কার মঙ্গল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে—গ্রহটি সব সময় বর্তমানের মতো শীতল ও শুষ্ক ছিল না। তার জন্মলগ্নে সেখানে পানি, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং তুলনামূলক ঘন বায়ুমণ্ডলসহ ভিন্ন এক পরিবেশ থাকতে পারে।