Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> ভাবনা

বাংলাদেশে কী পরিবর্তন হয়েছে, কী হয়নি

মোবাশ্বার হাসান

মোবাশ্বার হাসান

প্রকাশ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬, ১২: ২৫
বাংলাদেশে কী পরিবর্তন হয়েছে, কী হয়নি

২০২৪ সালে একটি গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর, ছয় বছরেরও বেশি সময়ের প্রবাস জীবনের অবসান ঘটিয়ে আমি আমার জন্মভূমি বাংলাদেশে ফিরে আসি। ২০১৭ সালের ৭ নভেম্বর রাষ্ট্রীয় মদদে গুমের শিকার হওয়ার পর আমি দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলাম।

Advertisement

বাংলাদেশের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্সের (ডিজিএফআই) এজেন্টরা আমাকে অপহরণ করে ‘আয়নাঘর’ নামক একটি অবৈধ গোপন কারাগারে ৪৪ দিন আটকে রেখে নির্যাতন চালিয়েছিল।

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পর, আমি ‘দ্য ডিপ্লোম্যাট’-এ একটি নিবন্ধ লিখেছিলাম। যেখানে আমার অভিজ্ঞতা এবং হাসিনা-পরবর্তী বাংলাদেশে কী কী পরিবর্তন এসেছে সে বিষয়ে আমার প্রতিফলন তুলে ধরেছিলাম। এরপর ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে আমি আবারও বাংলাদেশে যাই এবং রাজধানী ঢাকায় প্রায় এক মাস সময় কাটাই। এই নিবন্ধটি মূলত এইবারের সফরে আমার পর্যবেক্ষণগুলোর একটি প্রতিফলন।

আমার পৌঁছানোর সময়টি ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ১৯ ডিসেম্বর আমি যখন ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করি, তার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেই সিঙ্গাপুর থেকে ওসমান হাদির মৃতদেহ দেশে এসে পৌঁছায়। ওসমান হাদি ছিলেন একজন প্রাণবন্ত ছাত্রনেতা, যিনি কয়েক দিন আগে সাবেক ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের কর্মীদের গুলিতে আহত হন এবং সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। হাদির কথিত ঘাতক ভারতে পালিয়ে গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

হাদির এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের কারণে বাংলাদেশে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছিল। ২০২৪ সালের আগস্টে হাসিনার পতনের পর আওয়ামী লীগ এবং ভারতের কট্টর সমালোচক হিসেবে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন।

ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পর, বাংলাদেশের ডানপন্থী জনতা দেশটির সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটি সংবাদপত্র- ‘দ্য ডেইলি স্টার’ এবং ‘প্রথম আলো’-এর কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয় যে, তারা ভারতপন্থী এবং হাদি হত্যাকাণ্ডের পটভূমি তৈরিতে ভূমিকা রেখেছে। সংক্ষেপে বলতে গেলে, এক ধরনের উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা পুরো দেশকে গ্রাস করেছিল। ফলে, ঢাকা পৌঁছানোর পর আমিও বেশ নার্ভাস অনুভব করছিলাম।

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি। ছবি: সংগৃহীত
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি। ছবি: সংগৃহীত

আমার পৌঁছানোর দুই সপ্তাহের মধ্যে আরও দুটি বিশাল রাজনৈতিক ঘটনা ঘটে। প্রথমত, দীর্ঘ ১৭ বছর নির্বাসনে থাকার পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন। দ্বিতীয়ত, তারেক রহমানের মা এবং বিএনপির চেয়ারপারসন তথা বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া মৃত্যুবরণ করেন। তিনি বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে যদি মানুষের ঢল নেমে থাকে, তবে খালেদা জিয়ার জানাজায় বিদায় জানাতে ঢাকার রাস্তায় মানুষের মহাসমুদ্র তৈরি হয়েছিল। আমার মনে হচ্ছিল, আমি যেন সেই পরিচিত ঢাকাতেই ফিরে এসেছি যেখানে আমি বড় হয়েছি। যে শহর সবসময় রাজনীতি নিয়ে সরগরম থাকে।

এই সব ঘটনার ঘনঘটার মাঝে আমি সমাজে তিনটি ধারা লক্ষ্য করেছি, যা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের দিকনির্দেশনা দেয়:

প্রথমত, বাংলাদেশের শিক্ষিত তরুণদের একটি বড় অংশের মধ্যে ডানপন্থী ইসলামি রাজনীতি এখন মূলধারায় পরিণত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চশিক্ষিত শিক্ষার্থীরা এখন ইসলামি রাজনীতির সাথে যুক্ত হওয়ার বিষয়ে অনেক বেশি খোলামেলা কথা বলছেন। তবে, এই খোলামেলা কথা বলা মানেই যে এর পেছনে ব্যাপক জনসমর্থন রয়েছে, তা ভাবা ঠিক হবে না। যদিও বাংলাদেশের বৃহত্তম ইসলামি দল জামায়াতে ইসলামীর সাথে যুক্ত ছাত্রসংগঠনগুলো সাম্প্রতিক সময়ে বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ধারাবাহিকভাবে জয়লাভ করেছে, কিন্তু জামায়াতই একমাত্র শক্তি নয় যারা ক্ষমতার জন্য তৎপরতা চালাচ্ছে।

ওসমান হাদি যে ‘ইনকিলাব মঞ্চ’-এর সাথে যুক্ত ছিলেন, সেই ধরনের নাগরিক প্ল্যাটফর্মগুলো একটি অতি-জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক আন্দোলন গড়ে তুলছে, যেখানে তাদের সাংস্কৃতিক বয়ানে ধর্ম একটি বড় ভূমিকা পালন করছে।

দ্বিতীয়ত, হাসিনা সরকারের তৈরি করা কর্তৃত্ববাদী ব্যবস্থার কিছু মূল উপাদান এখনো কোনো কোনো ক্ষেত্রে সক্রিয় রয়েছে। তবে এবার এই ব্যবস্থার লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে আওয়ামী লীগের সাথে যুক্ত ব্যক্তিরা। আওয়ামী লীগপন্থী কিছু শিক্ষাবিদ ও সাংবাদিক বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের বিধিনিষেধের সম্মুখীন হচ্ছেন। উদাহরণস্বরূপ, তাদের অনেকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং তাদের গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচক সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে যেমন দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সাংবাদিক আনিস আলমগীর। ছবি: ফেসবুক থেকে নেওয়া
সাংবাদিক আনিস আলমগীর। ছবি: ফেসবুক থেকে নেওয়া

আরও অনেকে আছেন যারা মুক্ত থাকলেও বর্তমানে নানাবিধ বিধিনিষেধের সম্মুখীন হচ্ছেন। আমি বেশ কয়েকজন সাংবাদিক ও শিক্ষাবিদদের সঙ্গে কথা বলেছি, যারা জানিয়েছেন যে তাদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি মামলা না থাকা সত্ত্বেও তাদের দেশত্যাগের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। তাদের মধ্যে দুজন আমাকে জানিয়েছেন যে তাদের ব্যাংকের সঞ্চয়ী হিসাবগুলো অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করে রাখা হয়েছে; কেউ কেউ কেবল তাদের বেতন হওয়ার অ্যাকাউন্ট (স্যালারি অ্যাকাউন্ট) ব্যবহার করে দৈনন্দিন খরচ মেটাচ্ছেন।

একজন নারী সাংবাদিক জানান, তাকে ফ্যাসিবাদীর সহযোগী হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে এবং তাকে চাকরি ছাড়তে প্রায় বাধ্য করা হয়েছে। তিনি দ্য ডিপ্লোম্যাটকে বলেন, “আমি কখনোই কোনো অন্যায় কাজ করিনি বা সমর্থন করিনি, এমনকি শেখ হাসিনার রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা থেকেও কোনো সুবিধা গ্রহণ করিনি। প্রকৃতপক্ষে, আওয়ামী লীগের সমর্থক হওয়া সত্ত্বেও আমি তার ভুল ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলাম। অথচ আজ আমাকে কোনো স্পষ্ট প্রতিকার ছাড়াই নীরবে এসব সহ্য করতে হচ্ছে।”

সবশেষে, সুশীল সমাজকে আমার কাছে সম্পূর্ণ ভয়হীনভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেখা গেছে। আমি ‘ভয়েসেস ফর রিফর্ম বিডি’ এবং ‘বাংলাদেশ রিসার্চ অ্যানালাইসিস অ্যান্ড ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক’ (ব্রেইন) দ্বারা যৌথভাবে আয়োজিত একটি গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নিয়েছিলাম।

আমার সহ-আলোচকরা, যাদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং সাবেক উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তারা ছিলেন, তারা অত্যন্ত খোলাখুলিভাবে হাসিনা সরকারের আমলে ডিজিএফআই-এর ভূমিকা এবং বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সমালোচনা করতে পেরেছেন। অতীতের মতো প্যানেলিস্টদের কাউকে এই সংস্থা থেকে কোনো হুমকিমূলক ফোন পেতে হয়নি বা শারীরিকভাবে হেনস্তা হতে হয়নি।

প্রকৃতপক্ষে, মানুষ এখন নির্ভীক। এমনকি টেলিভিশনের টকশোতেও মানুষ এখন ডিজিএফআই-এর ভূমিকার সমালোচনা করছে। সেনাবাহিনীও এখন সমালোচনার প্রতি অনেক বেশি সহনশীল বলে মনে হচ্ছে। এটি সেই বাহিনীর কর্মকর্তাদের জন্য একটি পরীক্ষা, যারা নিজ দেশের নাগরিকদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ করার অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি হচ্ছেন।

বাংলাদেশ ছাড়ার আগে আমি বিএনপির নতুন চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করি। তিনি এখন অত্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন। হঠাৎ করেই যেন পুরো দেশ তাকে চাইছে। তবে তাকে একটি প্রশ্ন করা আমার জন্য খুব জরুরি ছিল।

আমরা যখন উভয়ই প্রবাসে নির্বাসিত ছিলাম, তখন তারেক রহমান এবং আমার মধ্যে তিনবার ভার্চুয়ালি আলাপ হয়েছিল। কিন্তু সামনাসামনি আমাদের এটাই ছিল প্রথম দেখা। আমরা দুজনেই নির্যাতনের শিকার এবং বাধ্য হয়ে দেশ ছেড়ে প্রবাসে নির্বাসিত হয়েছিলাম। তবে আমি একজন সাধারণ বাংলাদেশি, আর তিনি হয়তো হতে পারেন দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ছবি: বাসস
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ছবি: বাসস

আমি তারেক রহমানকে জিজ্ঞেস করলাম, “আপনি যদি পরবর্তী সরকার গঠন করেন, তবে বাকস্বাধীনতা এবং আপনার প্রতি সমালোচনার বিষয়ে আপনার অবস্থান কী হবে?”

তিনি হেসে উত্তর দিলেন, “আমি কাজ করতে চাই, আমার একটি পরিকল্পনা আছে। আমার দৃষ্টিভঙ্গি হবে মানুষকে অবাধে কথা বলতে দেওয়া। আমার বাবা এবং পরবর্তীতে আমার মা যে দেশ পরিচালনা করেছিলেন, সেই দেশের জন্য আমি আমার সর্বোচ্চ দিয়ে কাজ করার চেষ্টা করব।”

আমি তারেক রহমানের এই প্রতিশ্রুতিটুকু নিয়ে আমার আরেক ঘর অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ফিরে এলাম। যদিও আমি জানি যে তারেক রহমানের এই প্রতিশ্রুতির শ্রেষ্ঠ বিচারক হবে একমাত্র সময়।

বিষয়: বিএনপিশেখ হাসিনাআওয়ামী লীগঅভ্যুত্থানমতামতজুলাই-আগস্ট হত্যাকাণ্ড
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • প্রবাসী শ্রমিকেরা কি কেবলই লাশ, কেবলই গিনিপিগ?

    প্রবাসী শ্রমিকেরা কি কেবলই লাশ, কেবলই গিনিপিগ?

    চলতি বছর জানুয়ারি থেকে গত ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত (মোট ২৭৩ দিন) ৯ মাসে দেশে এসেছে চার হাজার ৬০টি মরদেহ। এ হিসাবে দিনে মরদেহ এসেছে গড়ে ১৪টির বেশি। সবচেয়ে বেশি কর্মী মারা যান সৌদি আরবে, দুই হাজারের মতো। সরকার প্রবাসী কার্ড দেবে, ভালো কথা। কিন্তু বিদেশে গিয়ে যারা লাশ বা পঙ্গু হয়ে ফিরে আসেন, তাদের তো

  • স্লোগান ও গ্রেপ্তার: শব্দ নয়, অপরাধের বিচার হোক

    স্লোগান ও গ্রেপ্তার: শব্দ নয়, অপরাধের বিচার হোক

    স্লোগান ঘিরে রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতা ও গ্রেপ্তারের ঘটনায় একটি প্রশ্ন সামনে আসে। আর তা হলো, সমস্যা স্লোগানের উচ্চারণে, নাকি অপব্যবহারে? কারণ, রাজনীতির মাঠ-ময়দানে উচ্চারিত একটি স্লোগান কখনো কেবল কয়েকটি শব্দের সমষ্টি নয়: ইতিহাস, আবেগ, পরিচয়, রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা এবং কখনো কখনো মানুষের আত্মত্যাগের স্মৃতি। দৃষ্

  • আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা: দুধের বোতল থেকে বিশ্বরাজনীতির শিক্ষা

    আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা: দুধের বোতল থেকে বিশ্বরাজনীতির শিক্ষা

    সুপারমার্কেট থেকে দুই শতাংশ চর্বিযুক্ত দুধের একটি বোতল কেনার সময় সাধারণত কেউ আন্তর্জাতিক রাজনীতির কথা ভাবেন না। ক্রেতার প্রত্যাশা থাকে, বোতলের গায়ে যা লেখা আছে, ভেতরের পণ্যও ঠিক তা-ই হবে। কিন্তু এই সাধারণ আস্থার পেছনেও রয়েছে আন্তর্জাতিক নিয়ম, মান নির্ধারণ এবং পারস্পরিক বিশ্বাসের একটি বিস্তৃত

  • অর্থনীতির নাজুক অবস্থায় সচিবালয় স্থানান্তর খুব কি জরুরি?

    অর্থনীতির নাজুক অবস্থায় সচিবালয় স্থানান্তর খুব কি জরুরি?

    বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া তথ্য জানাচ্ছে, বাজেটের আওতাধীন দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ব্যাংক থেকে নেওয়া সরকারের ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৪ হাজর ২৪৫ কোটি টাকা। একই ধারাবাহিকতায় নভেম্বরের গোড়াতে সরকারি কর্মচারীদেরকে নতুন বেতন স্কেলে অক্টোবর মাসের বেতন