Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশেষ প্রতিবেদন

৩৫ শয্যার বার্ন ইউনিটে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ১ জন

শেখ আবু হাসান

শেখ আবু হাসান

প্রকাশ : ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৭: ১১
৩৫ শয্যার বার্ন ইউনিটে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ১ জন
খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতাল। ছবি: চরচা

খুলনা বিভাগের একমাত্র বিশেষায়িত হাসপাতালে আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রতিদিনই বিভিন্ন রোগী আসেন। তবে চিকিৎসক সংকটে সবচেয়ে সমস্যায় পড়েন হাসপাতালটির বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের রোগীরা।

Advertisement

হাসপাতালের এই ইউনিটে ৩৫ শয্যার অনুমোদন থাকলেও এখন চালু রয়েছে ২০টি। স্থান সংকটের কারণে বাকি ১৫টি শয্যা চালু করা সম্ভব হয়নি। গুরুত্বপূর্ণ এই ইউনিটে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রয়েছেন মাত্র একজন। আর মেডিকেল অফিসার রয়েছে একজন। বিশেষজ্ঞ ওই একজনের ওপর নির্ভর করেই চলছে পুরো ইউনিটের চিকিৎসা কার্যক্রম। ফলে চিকিৎসক ছুটিতে থাকলে কিংবা কোনো কারণে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে।

খুলনা নগরীর গোয়ালখালী এলাকায় ২০১০ সালে তিনটি বিভাগ নিয়ে যাত্রা শুরু করে খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতাল। বর্তমানে হাসপাতালটিতে ১১টি বিভাগ চালু রয়েছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসাসেবা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠিত হলেও দীর্ঘদিন ধরেই বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে রয়েছে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সংকট।

এই ইউনিটে শুধু আগুনে বা বিভিন্নভাবে পুড়ে যাওয়া রোগী নয়, পরবর্তী বিভিন্ন জটিলতা, শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের বিকৃতি বা ডিফর্মিটি, ডায়াবেটিক রোগীদের হাত-পায়ের ইনফেকশনসহ বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচার করা হয়। ফলে ইউনিটটির ওপর দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অনেক রোগীর নির্ভরতা বেশি। তবে, এই ইউনিটে নার্স সংকট নেই।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি এমন একটি ক্ষেত্র যেখানে দ্রুত সিদ্ধান্ত, নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অস্ত্রোপচার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ওপর নির্ভর করে দীর্ঘমেয়াদে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট পরিচালনা করা কঠিন। চিকিৎসক ছুটি, প্রশিক্ষণ বা অন্য কোনো কারণে অনুপস্থিত থাকলে রোগীদের সেবা নিশ্চিত করাও চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

ইউনিটে চিকিৎসাধীন রোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চিকিৎসক ও নার্সদের আন্তরিকতা এবং ব্যবহারে তারা সন্তুষ্ট। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসাধীন রোগীরাও চিকিৎসাসেবায় ইতিবাচক অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। তবে একই সঙ্গে তারা বলছেন, একজনের পরিবর্তে আরও অন্তত একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক থাকলে চিকিৎসাসেবা আরও ভালোভাবে পাওয়া সম্ভব।

বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চার মাস ধরে চিকিৎসাধীন আনোয়ার হোসেন চরচাকে বলেন, তার শারীরিক অবস্থার অনেকটাই উন্নতি হয়েছে। তবে এই ইউনিটে মাত্র একজন চিকিৎসক থাকায় সবসময় তাকে পাওয়া যায় না বলে তার অভিযোগ।

বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি এমন একটি ক্ষেত্র যেখানে দ্রুত সিদ্ধান্ত, নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অস্ত্রোপচার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ছবি: চরচা
বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি এমন একটি ক্ষেত্র যেখানে দ্রুত সিদ্ধান্ত, নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অস্ত্রোপচার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ছবি: চরচা

এক নারী রোগী বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং চিকিৎসক ও নার্সদের কাছ থেকে ভালো সেবা পাচ্ছেন। তবে বর্তমান বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পাশাপাশি আরও একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক থাকলে সেবার মান ‘আরও ভালো হতো’।

একজন রোগীর স্বজন আল আমিন বলেন, “বর্তমানে ইউনিটে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রয়েছেন। আরও একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়োগ করা হলে রোগীরা বিশেষভাবে উপকৃত হবেন।”

বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের নার্স ইনচার্জ মালতি দাস বলেন, “খুলনার আশপাশের জেলা ছাড়াও দূর-দূরান্তের বিভিন্ন জেলা থেকে অনেক রোগী এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন। বর্তমানে ইউনিটে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক কর্মরত আছেন। তিনি ছুটিতে থাকলে বা কর্মস্থলে না থাকলে সেবার কাজে কিছুটা বিঘ্ন ঘটে।”

আরও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হলে সেবার মান আরও উন্নত হবে বলে আশা করেন তিনি।

বিষয়: খুলনাবিশেষজ্ঞচিকিৎসকহাসপাতালসংকটবার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

    মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ সাংবাদিক নিধি রাজদানকে বিয়ে করেছেন। আজ শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পৃথক পোস্ট দিয়ে নিজেদের বিয়ের খবর জানিয়েছেন এই দম্পতি। ৫৬ বছর বয়সী ওমর আবদুল্লাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দুজনের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেন। ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখে

  • ভাইরাল হওয়ার নেশায় ‘উড়ছে’ বাস, কর্তৃপক্ষ করছে কী?

    ভাইরাল হওয়ার নেশায় ‘উড়ছে’ বাস, কর্তৃপক্ষ করছে কী?

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গত কয়েকবছর ধরে নতুন কিছু ভাইরাল গ্রুপ আর পেজের দেখা মিলছে। ‘বাস লাভার’, ‘ট্যুর বাস লাভার’, ‘বাস স্পটার’ নামের অনেক গ্রুপ আর পেজ দেখা যায় ফেসবুকে। এই গ্রুপ বা পেজগুলোয় বাস নিয়ে নানা ধরনের ভিডিও প্রকাশ করা হয়। এসব গ্রুপের সদস্য বা পেজের অ্যাডমিনরা কিছুদিন পরপরই বাস ভাড়া করে দূরপ

  • সংসদের সামনে ছিনতাই ও হত্যা: জামিন পাওয়া রাকিব তাহলে গ্রেপ্তার হয়েছিল কেন?

    সংসদের সামনে ছিনতাই ও হত্যা: জামিন পাওয়া রাকিব তাহলে গ্রেপ্তার হয়েছিল কেন?

    “আমাকে গাড়িতে উঠিয়ে মুখে কালো কাপড় বেঁধে ফেলে। তখনই আমার ভিতরে আত্মা নাই। এরপর র‍্যাবের (এসআরবি) অফিসে নিয়ে তাদের শেখানো স্বীকারোক্তি দিতে চাপ দেয় এবং কয়েকটা চড়-থাপ্পড় মারে। যদি তাদের মতো করে স্বীকারোক্তি না দিই, তাহলে জামিন পাব না–এমনটিও বলেন র‍্যাবের (এসআরবি) কর্মকর্তারা”

  • খুলনায় থামছেই না খুনখারাবি, ‘অসহায় পুলিশ’

    খুলনায় থামছেই না খুনখারাবি, ‘অসহায় পুলিশ’

    আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও যেন অসহায়। চেষ্টা করেও খুলনার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছে না তারা। পুলিশের অভিযোগ, ভুক্তভোগীর পরিবার মামলা করতে চাইছে না।