
অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে প্রভাব
অস্ট্রেলিয়া সরকারের নতুন উদ্যোগে ভবিষ্যতে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনা করা মানেই ভিসা পাওয়া সহজ হয়ে গেছে, এমন নয়।
চরচা প্রবাস ডেস্ক

মালদ্বীপের সঙ্গে পর্যটন ও মৎস্য খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে টেকসই মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা, পর্যটন উন্নয়ন ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরিতে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ সরকারের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানী ঢাকায় মালদ্বীপ হাইকমিশনের আয়োজিত দ্য গ্রেট টুনা গালা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে বাণিজ্য, ব্যবসা ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ জোরদারের পাশাপাশি মালদ্বীপের টেকসই টুনা মৎস্য আহরণ, রন্ধন ঐতিহ্য ও পর্যটনের সুযোগ তুলে ধরতে এ আয়োজন করা হয়।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত মালদ্বীপের হাইকমিশনার শিউনীন রশীদ মালদ্বীপ ও সমুদ্রের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং দেশটির অর্থনীতি, জনজীবন ও সংস্কৃতিতে মৎস্য খাতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।
তিনি মালদ্বীপের ঐতিহ্যবাহী ছিপ ও বড়শি দিয়ে টুনা ধরার পদ্ধতি এবং টেকসই মৎস্য আহরণ পদ্ধতি বজায় রাখার গুরুত্ব নিয়েও কথা বলেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশের বাজারে মালদ্বীপের টুনা ও অন্য মৎস্যজাত পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের সম্ভাবনার কথা জানান।
হাইকমিশনার দুই দেশের মধ্যে বাড়তে থাকা যোগাযোগের কথাও উল্লেখ করেন এবং এর ফলে পর্যটন, বাণিজ্য ও ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততা আরও বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হচ্ছে বলে জানান।
অনুষ্ঠানে মালদ্বীপের সঙ্গে সমুদ্রের গভীর সম্পর্ক এবং দেশটির অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও দ্বীপাঞ্চলের জনগোষ্ঠীর জীবনে মৎস্য খাতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরা হয়।
মালদ্বীপের মৎস্য খাতের প্রধান অবলম্বন টুনা মাছকে ঘিরে ছিল অনুষ্ঠানের বড় অংশ। অতিথিদের মালদ্বীপের বিভিন্ন ধরনের মৎস্যজাত পণ্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।
সেই সঙ্গে মালদ্বীপের ঐতিহ্যবাহী ছিপ ও বড়শি দিয়ে মাছ ধরার পদ্ধতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ পদ্ধতিতে প্রতিটি টুনা মাছ আলাদাভাবে ধরা হয়। মালদ্বীপে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চর্চিত এই পদ্ধতি সামুদ্রিক সম্পদের দায়িত্বশীল ও টেকসই ব্যবহারের প্রতি দেশটির দীর্ঘদিনের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।
অনুষ্ঠানে অংশ নিতে বিশেষভাবে ঢাকায় আসা মালদ্বীপের খ্যাতনামা শেফ মাহা নাসির সরাসরি রান্নার প্রদর্শনী করেন। তিনি মালদ্বীপের বিভিন্ন খাবার তৈরি করে দেখান এবং দেশটির রান্নায় টুনাসহ অন্যান্য মৎস্যজাত পণ্যের বহুমুখী ব্যবহারের দিক তুলে ধরেন।
বাংলাদেশ সরকারের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধি, কূটনৈতিক অঙ্গনের সদস্য, ব্যবসায়ী নেতা, পর্যটন ও মৎস্য খাতের অংশীদার, গণমাধ্যমের প্রতিনিধিসহ প্রায় ২৫০ জন অতিথি অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

অতিথিরা মালদ্বীপের ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদ নেওয়ার পাশাপাশি দেশটির মৎস্য খাত, রন্ধন ঐতিহ্য, দ্বীপাঞ্চলের জনগোষ্ঠী ও জীবনযাপনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক সম্পর্কে জানার সুযোগ পান।
অনুষ্ঠানে বিশ্বের অন্যতম প্রধান পর্যটন গন্তব্য হিসেবে মালদ্বীপকে পরিচয় করানো হয়। দেশটির দ্বীপভিত্তিক বিচিত্র অভিজ্ঞতা, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, আতিথেয়তা ও সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়।
‘দ্য গ্রেট টুনা গালা’র মাধ্যমে বাংলাদেশে মালদ্বীপের মৎস্যজাত পণ্য সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো, বাজার সম্প্রসারণ ও ব্যবসায়িক অংশীদারত্বের সুযোগ খুঁজে দেখা এবং বাংলাদেশি ভ্রমণকারীদের কাছে মালদ্বীপকে পছন্দের পর্যটন গন্তব্য হিসেবে আরও জনপ্রিয় করার উদ্যোগ নেয় হাইকমিশন।
অনুষ্ঠানটি মালদ্বীপ ও বাংলাদেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগের প্রতিফলন ঘটায়। পাশাপাশি মৎস্য, বাণিজ্য, পর্যটন ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্য ক্ষেত্রে আরও সহযোগিতার সম্ভাবনাও তুলে ধরে।
এ অনুষ্ঠান আয়োজনে সহযোগিতা করেছে এপিটিচিয়া হোল্ডিংস প্রাইভেট লিমিটেড, ভারু বাই অ্যাটমসফিয়ার, মালদ্বীপ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফিশারিজ কোম্পানি লিমিটেড, মালদিভিয়ান এয়ারলাইনস, শেরাটন ঢাকা, দ্য ওয়ে ঢাকা ও ইনজা কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড।

অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে প্রভাব
অস্ট্রেলিয়া সরকারের নতুন উদ্যোগে ভবিষ্যতে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কঠোর নীতি পুনর্বিবেচনা করা মানেই ভিসা পাওয়া সহজ হয়ে গেছে, এমন নয়।

খাবার নষ্ট করার মধ্যে গর্বের কী আছে?
খাবার শুধু মুখে তোলার বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মানুষের ক্ষুধা, মর্যাদা, বিবেক ও দায়িত্ববোধ। মুখের খাবার যখন বুকের ভেতর প্রশ্ন জাগায়, তখনই হয়তো মানুষ হিসেবে আমাদের সত্যিকারের জাগরণ শুরু হয়।

মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষার ফি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, মেডিকেল সেন্টারগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন করা হবে। কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমিরাতে বাংলাদেশি দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসির ফলাফল সন্তোষজনক
আবুধাবির শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল ১৫ জন শিক্ষার্থী। ১৫ শিক্ষার্থীই পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়েছেন। পাসের হার শতভাগ।