চরচা প্রতিবেদক

কারাগার থেকে লটারির মাধ্যমে বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হচ্ছে—এমন একটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে একটি সক্রিয় প্রতারক চক্র। এই চক্রের ফাঁদে পা না দেওয়ার জন্য বন্দিদের স্বজন ও দেশবাসীকে বিশেষভাবে সতর্ক করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।
আজ বৃহস্পতিবার কারা অধিদফতরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি–মিডিয়া) মো. ফরহাদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।
কারা কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়েছে যে, লটারির মাধ্যমে বন্দী মুক্তির কোনো বিধান বা সুযোগ বিদ্যমান আইনে নেই। একটি কুচক্রী মহল এই ধরণের মিথ্যা তথ্য দিয়ে বন্দিদের অসহায় আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা আদায়ের চেষ্টা করছে, যা সম্পূর্ণ অনৈতিক ও দণ্ডনীয় অপরাধ।
কারা অধিদপ্তর জনসাধারণকে এ ধরনের কোনো গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে। এছাড়া কেউ যদি বন্দি মুক্তির নামে অর্থ দাবি করে, তবে তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে বলা হয়েছে।
কারাগার সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য যাচাই বা সন্দেহজনক কার্যক্রমের বিষয়ে অভিযোগ জানাতে কারা কর্তৃপক্ষের অফিসিয়াল হটলাইন নম্বর ১৬১৯১-এ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

কারাগার থেকে লটারির মাধ্যমে বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হচ্ছে—এমন একটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে একটি সক্রিয় প্রতারক চক্র। এই চক্রের ফাঁদে পা না দেওয়ার জন্য বন্দিদের স্বজন ও দেশবাসীকে বিশেষভাবে সতর্ক করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।
আজ বৃহস্পতিবার কারা অধিদফতরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি–মিডিয়া) মো. ফরহাদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।
কারা কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়েছে যে, লটারির মাধ্যমে বন্দী মুক্তির কোনো বিধান বা সুযোগ বিদ্যমান আইনে নেই। একটি কুচক্রী মহল এই ধরণের মিথ্যা তথ্য দিয়ে বন্দিদের অসহায় আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা আদায়ের চেষ্টা করছে, যা সম্পূর্ণ অনৈতিক ও দণ্ডনীয় অপরাধ।
কারা অধিদপ্তর জনসাধারণকে এ ধরনের কোনো গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে। এছাড়া কেউ যদি বন্দি মুক্তির নামে অর্থ দাবি করে, তবে তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে বলা হয়েছে।
কারাগার সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য যাচাই বা সন্দেহজনক কার্যক্রমের বিষয়ে অভিযোগ জানাতে কারা কর্তৃপক্ষের অফিসিয়াল হটলাইন নম্বর ১৬১৯১-এ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।