চরচা প্রতিবেদক

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য ও দৈনিক দিনকালের সিনিয়র সাংবাদিক আলী মামুদের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে জাতীয় প্রেসক্লাবের ওয়াশরুম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে তিনি মারা গেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, সকাল ৯টার দিকে প্রেসক্লাবের একটি ওয়াশরুম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি স্ট্রোক করে মারা গেছেন। তবে ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
সাংবাদিক আলী মামুদ দৈনিক দিনকাল পত্রিকার সিটি এডিটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) ইউনিটের সাবেক এবং বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য ছিলেন হিসাবে কাজ করছিলেন।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য ও দৈনিক দিনকালের সিনিয়র সাংবাদিক আলী মামুদের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে জাতীয় প্রেসক্লাবের ওয়াশরুম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে তিনি মারা গেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, সকাল ৯টার দিকে প্রেসক্লাবের একটি ওয়াশরুম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি স্ট্রোক করে মারা গেছেন। তবে ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
সাংবাদিক আলী মামুদ দৈনিক দিনকাল পত্রিকার সিটি এডিটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) ইউনিটের সাবেক এবং বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য ছিলেন হিসাবে কাজ করছিলেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।