চরচা প্রতিবেদক

২৬ ডিসেম্বর থেকে সিলেটে শুরু হচ্ছে বিপিএলের এবারের আসর। এর আগে ঢাকায় ২৫ ডিসেম্বর হওয়ার কথা ছিল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। তবে সেটি হচ্ছে না। বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, দেশের সার্বিক পরিস্থিতিতে জনসমাগম সংক্রান্ত সরকারের পরামর্শ বিবেচনায় নিয়ে এবং খেলোয়াড়, দর্শক ও সংশ্লিষ্ট সবার সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোনো প্রাক–ইভেন্ট বা আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী আয়োজন না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তবে বিপিএলে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো ছাড় দেওয়া হচ্ছে না বলে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল নিশ্চিত করেছে। খেলোয়াড়, ম্যাচ অফিশিয়াল, দর্শক ও অন্যান্য অংশীজনদের জন্য নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ নিশ্চিত করা বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের আগ্রাধিকার বলেও জানানো হয়েছে।
২৫ ডিসেম্বর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে দেশে ফেরার কথা। সেদিন ঢাকায় বিএনপির বিপুল নেতাকর্মীর জমায়েতের সম্ভাবনা থাকায় সরকারের পরামর্শ মেনেই বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাতিল করার সিদ্ধান্তের পেছনে বড় কারণ বলেই জানা গেছে। সেদিন ঢাকায় বিপুল জনসমাগম হতে পারে এবং সে কারণেই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়তে পারে। এ ব্যাপারে সরকারের নির্দেশনাই মেনেছে বিসিবি।
২৬ ডিসেম্বর সিলেটে সিলেট টাইটানস ও রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে এবারের বিপিএল। ফাইনাল ২৩ জানুয়ারি।

২৬ ডিসেম্বর থেকে সিলেটে শুরু হচ্ছে বিপিএলের এবারের আসর। এর আগে ঢাকায় ২৫ ডিসেম্বর হওয়ার কথা ছিল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। তবে সেটি হচ্ছে না। বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, দেশের সার্বিক পরিস্থিতিতে জনসমাগম সংক্রান্ত সরকারের পরামর্শ বিবেচনায় নিয়ে এবং খেলোয়াড়, দর্শক ও সংশ্লিষ্ট সবার সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোনো প্রাক–ইভেন্ট বা আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী আয়োজন না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তবে বিপিএলে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো ছাড় দেওয়া হচ্ছে না বলে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল নিশ্চিত করেছে। খেলোয়াড়, ম্যাচ অফিশিয়াল, দর্শক ও অন্যান্য অংশীজনদের জন্য নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ নিশ্চিত করা বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের আগ্রাধিকার বলেও জানানো হয়েছে।
২৫ ডিসেম্বর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে দেশে ফেরার কথা। সেদিন ঢাকায় বিএনপির বিপুল নেতাকর্মীর জমায়েতের সম্ভাবনা থাকায় সরকারের পরামর্শ মেনেই বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাতিল করার সিদ্ধান্তের পেছনে বড় কারণ বলেই জানা গেছে। সেদিন ঢাকায় বিপুল জনসমাগম হতে পারে এবং সে কারণেই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়তে পারে। এ ব্যাপারে সরকারের নির্দেশনাই মেনেছে বিসিবি।
২৬ ডিসেম্বর সিলেটে সিলেট টাইটানস ও রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে এবারের বিপিএল। ফাইনাল ২৩ জানুয়ারি।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।