চরচা ডেস্ক

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) প্রশাসনের নিলাম বিজ্ঞপ্তির আগেই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের কাশবন বিক্রি ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে।
গত ৬ নভেম্বর আব্দুর রহমান নামের এক ব্যক্তি কাশবন কাটার প্রস্তাব দেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এসেট শাখাকে। আব্দুর রহমানকে কাশবন কাটার জন্য বিশ হাজার টাকা ঘুষ দেওয়ার প্রস্তাব দেন এক কর্মচারী।
পরবর্তীতে ঘুষ দেওয়ার বিষয়ে অস্বীকৃতি জানালে এসেট শাখার কর্মচারী মিজান বলেন, “তোমরা এই কাশবন কাটতে পারবা না। যদি কাজ করতে চাও আগে পাঁচ হাজার টাকা দাও বাকি ১৫ হাজার টাকা কাশবন কাটা শেষে দিতে হবে।”
পরবর্তীতে আব্দুর রহমান অগ্রীম পাঁচ হাজার টাকা দেওয়ার জন্য সম্মত হয়। এরপর কাশবন কাটার সময় এক শিক্ষার্থী তাকে দেখে ফেলে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এসেট শাখায় বিষয়টি জানানো হলে, কর্তৃপক্ষ কাশবন বিক্রির নিলাম এখনো হয়নি বলে জানায়।
ভুক্তভোগী আব্দুর রহমান জানান, বিশ হাজার টাকায় তিনি কাশবন কিনেছেন।
এসেট শাখার দায়িত্বরত সাইদুর জামান বিষয়টি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং ভুক্তভোগীর টাকা ফিরিয়ে দেন।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) প্রশাসনের নিলাম বিজ্ঞপ্তির আগেই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের কাশবন বিক্রি ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে।
গত ৬ নভেম্বর আব্দুর রহমান নামের এক ব্যক্তি কাশবন কাটার প্রস্তাব দেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এসেট শাখাকে। আব্দুর রহমানকে কাশবন কাটার জন্য বিশ হাজার টাকা ঘুষ দেওয়ার প্রস্তাব দেন এক কর্মচারী।
পরবর্তীতে ঘুষ দেওয়ার বিষয়ে অস্বীকৃতি জানালে এসেট শাখার কর্মচারী মিজান বলেন, “তোমরা এই কাশবন কাটতে পারবা না। যদি কাজ করতে চাও আগে পাঁচ হাজার টাকা দাও বাকি ১৫ হাজার টাকা কাশবন কাটা শেষে দিতে হবে।”
পরবর্তীতে আব্দুর রহমান অগ্রীম পাঁচ হাজার টাকা দেওয়ার জন্য সম্মত হয়। এরপর কাশবন কাটার সময় এক শিক্ষার্থী তাকে দেখে ফেলে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এসেট শাখায় বিষয়টি জানানো হলে, কর্তৃপক্ষ কাশবন বিক্রির নিলাম এখনো হয়নি বলে জানায়।
ভুক্তভোগী আব্দুর রহমান জানান, বিশ হাজার টাকায় তিনি কাশবন কিনেছেন।
এসেট শাখার দায়িত্বরত সাইদুর জামান বিষয়টি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং ভুক্তভোগীর টাকা ফিরিয়ে দেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।