চরচা প্রতিবেদক

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে সবুজ মিয়া (২৯) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার জগতবেড় ইউনিয়নের শমসেরনগর সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।
বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, নিহত সবুজ মিয়া ওই ইউনিয়নের পচাভান্ডার গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোরে তিস্তা ব্যাটালিয়ন-৬১ বিজিবির অধীনস্ত শমশেরনগর সীমান্তের মেইন পিলার ৮৬৪/৫-এর বিপরীতে ভারতের ভেতরে কেনাকাটা নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।
শমসেরনগর বিওপি ক্যাম্প কমান্ডার কামাল উদ্দিন একজন বাংলাদেশি নিহত হওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বিএসএফকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সীমান্তে এমন একটি ঘটনার খবর পেয়েছি। তবে বিজিবি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। শুনেছি, এ ঘটনায় বিজিবি ও বিএসএফের কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে।

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে সবুজ মিয়া (২৯) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার জগতবেড় ইউনিয়নের শমসেরনগর সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।
বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, নিহত সবুজ মিয়া ওই ইউনিয়নের পচাভান্ডার গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোরে তিস্তা ব্যাটালিয়ন-৬১ বিজিবির অধীনস্ত শমশেরনগর সীমান্তের মেইন পিলার ৮৬৪/৫-এর বিপরীতে ভারতের ভেতরে কেনাকাটা নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।
শমসেরনগর বিওপি ক্যাম্প কমান্ডার কামাল উদ্দিন একজন বাংলাদেশি নিহত হওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বিএসএফকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সীমান্তে এমন একটি ঘটনার খবর পেয়েছি। তবে বিজিবি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। শুনেছি, এ ঘটনায় বিজিবি ও বিএসএফের কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।