চরচা ডেস্ক

ভারতের জম্মু কাশ্মীরের একটি থানায় জব্দ করে রাখা বিস্ফোরক দ্রব্যের ভান্ডারে বিস্ফোরণে ৯ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ২৯ জন।
গতকাল শুক্রবার গভীর রাতে এ বিস্ফোরণ ঘটেছে।
রয়টার্স বলেছে, নিহত ব্যক্তিদের বেশির ভাগই পুলিশ সদস্য ও ফরেনসিক দলে কর্মরত ছিলেন। তারা ওই থানায় মজুত করে রাখা বিস্ফোরক দ্রব্য পরীক্ষা করছিলেন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিস্ফোরণের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করতে পারেনি রয়টার্স। এ বিষয়ে জানার জন্য জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের সঙ্গে রয়টার্সের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছিল। তাৎক্ষণিক জবাব পাওয়া যায়নি।
রাজধানী দিল্লির লালকেল্লার কাছে একটি গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের মাত্র চার দিন পর কাশ্মীরের থানাটিতে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটল। দিল্লির ওই বিস্ফোরণে কমপক্ষে ১৩ জন নিহত হন। ভারত সরকার এটিকে ‘সন্ত্রাসী ঘটনা’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

ভারতের জম্মু কাশ্মীরের একটি থানায় জব্দ করে রাখা বিস্ফোরক দ্রব্যের ভান্ডারে বিস্ফোরণে ৯ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ২৯ জন।
গতকাল শুক্রবার গভীর রাতে এ বিস্ফোরণ ঘটেছে।
রয়টার্স বলেছে, নিহত ব্যক্তিদের বেশির ভাগই পুলিশ সদস্য ও ফরেনসিক দলে কর্মরত ছিলেন। তারা ওই থানায় মজুত করে রাখা বিস্ফোরক দ্রব্য পরীক্ষা করছিলেন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিস্ফোরণের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করতে পারেনি রয়টার্স। এ বিষয়ে জানার জন্য জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের সঙ্গে রয়টার্সের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছিল। তাৎক্ষণিক জবাব পাওয়া যায়নি।
রাজধানী দিল্লির লালকেল্লার কাছে একটি গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের মাত্র চার দিন পর কাশ্মীরের থানাটিতে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটল। দিল্লির ওই বিস্ফোরণে কমপক্ষে ১৩ জন নিহত হন। ভারত সরকার এটিকে ‘সন্ত্রাসী ঘটনা’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।