চরচা ডেস্ক

আমেরিকার মিত্র ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি মনে করেন, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন সেনারা যেভাবে তুলে নিয়েছে। ঠিক তেমনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকেও তুলে আনা উচিত। জেলেনস্কির এ বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল মার্কিন প্রেসিডেন্টকে। ট্রাম্প মনে করেন, পুতিনের বেলা এমন পদক্ষেপের প্রয়োজন হবে না।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
আমেরিকার শীর্ষ তেল ও গ্যাস নির্বাহীদের সাথে এক বৈঠকের সময় ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, “আমি মনে করি এটার দরকার হবে না। আমাদের (ট্রাম্প ও পুতিন) সব সময়ই দারুণ সম্পর্ক বজায় ছিল। তবে তাঁর আচরণে আমি খুব হতাশ। আমি এখনও পর্যন্ত আটটি যুদ্ধ মীমাংসা করেছি। ভেবেছিলাম রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ সমাধান করা খুব একটা কঠিন হবে না।”
যুদ্ধে সেনাদের মৃত্যুর কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প আক্ষেপ প্রকাশ করে জানান, তিনি অনেক চেষ্টা করেও ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাত থামাতে পারেননি। এরপর বিশ্বজুড়ে আটটি যুদ্ধ থামানোর দাবির পুনরাবৃত্তি করেন।
ট্রাম্প বলেন, “গত মাসে প্রায় ৩১ হাজার মানুষ মারা গেছে। তাদের মধ্যে রুশ সৈন্যও আছে। রাশিয়ার অর্থনীতি ক্রমাগত খারাপ অবস্থায় যাচ্ছে। তবে আমার বিশ্বাস আছে আমরা শেষ পর্যন্ত আমরা একটি মীমাংসায় যেতে পারব।”

আমেরিকার মিত্র ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি মনে করেন, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন সেনারা যেভাবে তুলে নিয়েছে। ঠিক তেমনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকেও তুলে আনা উচিত। জেলেনস্কির এ বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল মার্কিন প্রেসিডেন্টকে। ট্রাম্প মনে করেন, পুতিনের বেলা এমন পদক্ষেপের প্রয়োজন হবে না।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
আমেরিকার শীর্ষ তেল ও গ্যাস নির্বাহীদের সাথে এক বৈঠকের সময় ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, “আমি মনে করি এটার দরকার হবে না। আমাদের (ট্রাম্প ও পুতিন) সব সময়ই দারুণ সম্পর্ক বজায় ছিল। তবে তাঁর আচরণে আমি খুব হতাশ। আমি এখনও পর্যন্ত আটটি যুদ্ধ মীমাংসা করেছি। ভেবেছিলাম রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ সমাধান করা খুব একটা কঠিন হবে না।”
যুদ্ধে সেনাদের মৃত্যুর কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প আক্ষেপ প্রকাশ করে জানান, তিনি অনেক চেষ্টা করেও ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাত থামাতে পারেননি। এরপর বিশ্বজুড়ে আটটি যুদ্ধ থামানোর দাবির পুনরাবৃত্তি করেন।
ট্রাম্প বলেন, “গত মাসে প্রায় ৩১ হাজার মানুষ মারা গেছে। তাদের মধ্যে রুশ সৈন্যও আছে। রাশিয়ার অর্থনীতি ক্রমাগত খারাপ অবস্থায় যাচ্ছে। তবে আমার বিশ্বাস আছে আমরা শেষ পর্যন্ত আমরা একটি মীমাংসায় যেতে পারব।”

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।