চরচা ডেস্ক

অবশেষে ইমরান খানের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পেল তার পরিবার। পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) নেতার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে তার বোন উজমা খানমকে। আজ মঙ্গলবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগার কর্তৃপক্ষ এই অনুমতি দেয়।
করাচিভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডন বলছে, অনুমতি পাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে কারাগারের ভেতর যেতে দেখা যায় উজমা খানমকে। এ সময় বাইরে ইমরানের সমর্থকেরা জমায়েত ছিলেন।
এর আগে আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে পরিবার ও দলের নেতাদের সাক্ষাৎ করতে না দেওয়ায় বিক্ষোভ করে তার দল তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। আজ মঙ্গলবার ইসলামাবাদ হাইকোর্ট ও রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারের সামনে বিক্ষোভ হয়।
খাইবার পাখতুনখাওয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি বলেন, গত ২৭ অক্টোবর থেকেই ইমরান খান কিংবা তার স্ত্রী বুশরা বিবির সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পাচ্ছে না তাদের পরিবার। বিষয়টি আলোচনায় আসার পরই ইমরান খানের মৃত্যু হয়েছে বলে গুঞ্জন শুরু হয়।
তবে কারা কর্তৃপক্ষ বলছে, ইমরান খান সুস্থ আছেন।

অবশেষে ইমরান খানের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পেল তার পরিবার। পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) নেতার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে তার বোন উজমা খানমকে। আজ মঙ্গলবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগার কর্তৃপক্ষ এই অনুমতি দেয়।
করাচিভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডন বলছে, অনুমতি পাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে কারাগারের ভেতর যেতে দেখা যায় উজমা খানমকে। এ সময় বাইরে ইমরানের সমর্থকেরা জমায়েত ছিলেন।
এর আগে আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে পরিবার ও দলের নেতাদের সাক্ষাৎ করতে না দেওয়ায় বিক্ষোভ করে তার দল তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। আজ মঙ্গলবার ইসলামাবাদ হাইকোর্ট ও রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারের সামনে বিক্ষোভ হয়।
খাইবার পাখতুনখাওয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি বলেন, গত ২৭ অক্টোবর থেকেই ইমরান খান কিংবা তার স্ত্রী বুশরা বিবির সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পাচ্ছে না তাদের পরিবার। বিষয়টি আলোচনায় আসার পরই ইমরান খানের মৃত্যু হয়েছে বলে গুঞ্জন শুরু হয়।
তবে কারা কর্তৃপক্ষ বলছে, ইমরান খান সুস্থ আছেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।