চরচা ডেস্ক

যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর গত তিন দিনে ঢাকা থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী ১০২টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গতকাল রোববার এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ৪০টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
যদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দেয়।
ইরানের পাল্টা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই সৌদি আরবের বিভিন্ন গন্তব্যে ফ্লাইট চালাতে শুরু করেছে এয়ারলাইন্সগুলো। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসহ কয়েকটি এয়ারলাইন্স তাদের জেদ্দা ও মদিনা ফ্লাইটের সময়সূচি পুনঃনির্ধারণ করেছে।
শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর পাল্টাপাল্টি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।
ইরান আগেই নিজেদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে। বন্ধ ইসরায়েলের আকাশসীমাও। হামলা হয়েছে কুয়েত বিমানবন্দরে।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের হিসাব অনুযায়ী, শনিবার মোট ২৩টি ফ্লাইট প্রথমে স্থগিত ও পরে বাতিল করা হয়। এরমধ্যে এমিরেটস, গালফ এয়ার ও ফ্লাইদুবাইয়ের একটি করে, এয়ার অ্যারাবিয়ার তিনটি, ইউএস-বাংলার ছয়টি এবং বিমানের ১১টি ফ্লাইট ছিল।
এরপর রোববার সবচেয়ে বেশি ৪০টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। এর মধ্যে জাজিরা এয়ারওয়েজের দুটি, এমিরেটসের পাঁচটি, গালফ এয়ারের দুটি, ফ্লাইদুবাইয়ের চারটি, কাতার এয়ারওয়েজের দুটি, সালামএয়ারের দুটি, এয়ার অ্যারাবিয়ার আটটি, কুয়েত এয়ারওয়েজের দুটি, ইউএস-বাংলার চারটি এবং বিমানের নয়টি ফ্লাইট রয়েছে।
সোমবার দুপুর পর্যন্ত আরও ৩৯টি ফ্লাইট বাতিলের তালিকায় রয়েছে। এরমধ্যে কাতার এয়ারওয়েজের চারটি, এমিরেটস এয়ারলাইনসের পাঁচটি, গালফ এয়ারের দুটি, ফ্লাইদুবাইয়ের চারটি, কুয়েথ এয়ারওয়েজের দুটি, এয়ার অ্যারাবিয়ার আটটি, বাংলাদেশ বিমানের চারটি, ইউএস বাংলার ১০টি ফ্লাইট ছিল।

যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর গত তিন দিনে ঢাকা থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী ১০২টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গতকাল রোববার এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ৪০টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
যদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দেয়।
ইরানের পাল্টা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই সৌদি আরবের বিভিন্ন গন্তব্যে ফ্লাইট চালাতে শুরু করেছে এয়ারলাইন্সগুলো। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসহ কয়েকটি এয়ারলাইন্স তাদের জেদ্দা ও মদিনা ফ্লাইটের সময়সূচি পুনঃনির্ধারণ করেছে।
শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর পাল্টাপাল্টি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।
ইরান আগেই নিজেদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে। বন্ধ ইসরায়েলের আকাশসীমাও। হামলা হয়েছে কুয়েত বিমানবন্দরে।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের হিসাব অনুযায়ী, শনিবার মোট ২৩টি ফ্লাইট প্রথমে স্থগিত ও পরে বাতিল করা হয়। এরমধ্যে এমিরেটস, গালফ এয়ার ও ফ্লাইদুবাইয়ের একটি করে, এয়ার অ্যারাবিয়ার তিনটি, ইউএস-বাংলার ছয়টি এবং বিমানের ১১টি ফ্লাইট ছিল।
এরপর রোববার সবচেয়ে বেশি ৪০টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। এর মধ্যে জাজিরা এয়ারওয়েজের দুটি, এমিরেটসের পাঁচটি, গালফ এয়ারের দুটি, ফ্লাইদুবাইয়ের চারটি, কাতার এয়ারওয়েজের দুটি, সালামএয়ারের দুটি, এয়ার অ্যারাবিয়ার আটটি, কুয়েত এয়ারওয়েজের দুটি, ইউএস-বাংলার চারটি এবং বিমানের নয়টি ফ্লাইট রয়েছে।
সোমবার দুপুর পর্যন্ত আরও ৩৯টি ফ্লাইট বাতিলের তালিকায় রয়েছে। এরমধ্যে কাতার এয়ারওয়েজের চারটি, এমিরেটস এয়ারলাইনসের পাঁচটি, গালফ এয়ারের দুটি, ফ্লাইদুবাইয়ের চারটি, কুয়েথ এয়ারওয়েজের দুটি, এয়ার অ্যারাবিয়ার আটটি, বাংলাদেশ বিমানের চারটি, ইউএস বাংলার ১০টি ফ্লাইট ছিল।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।