Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> সংক্ষেপে

বাংলাদেশের ঋণমানের পূর্বাভাস ‘নেগেটিভ’ থেকে ‘স্থিতিশীল’

চরচা প্রতিবেদক

চরচা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১: ০০
বাংলাদেশের ঋণমানের পূর্বাভাস ‘নেগেটিভ’ থেকে ‘স্থিতিশীল’
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের ঋণমানের পূর্বাভাস ‘নেগেটিভ’ বা নেতিবাচক থেকে ‘স্থিতিশীল’ করেছে আন্তর্জাতিক ঋণমান যাচাইকারী সংস্থা মুডিস। তবে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি ঋণমান ‘বি২’ অপরিবর্তিত রেখেছে সংস্থাটি।

Advertisement

রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ কমা, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়া এবং রেকর্ড রেমিট্যান্স প্রবাহকে এই পরিবর্তনের প্রধান কারণ হিসেবে দেখিয়েছে মুডিস।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

গতকাল মঙ্গলবার প্রকাশিত সর্বশেষ মূল্যায়নে মুডিস বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি ইস্যুয়ার ও সিনিয়র আনসিকিউরড রেটিং ‘বি২’ এবং স্বল্পমেয়াদি ইস্যুয়ার রেটিং ‘নট প্রাইম’ অপরিবর্তিত রেখেছে। অর্থাৎ বাংলাদেশের ঋণমানের মূল রেটিংয়ে কোনো পরিবর্তন হয়নি, শুধু ভবিষ্যৎ অবস্থার পূর্বাভাসে উন্নতি হয়েছে।

মুডিস বলেছে, আগে যেসব কারণে বাংলাদেশের ঋণমানের পূর্বাভাস নেতিবাচক করা হয়েছিল, সেসব ঝুঁকি এখন কিছুটা কমেছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কমে আসা এবং নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবর্তন সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ বাড়িয়েছে।

নাম ছাড়া র‌্যাবে কি কোনো পরিবর্তন এল?RAB

দেশের বৈদেশিক খাতেও কিছুটা উন্নতি হয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে, বিনিময় হার ব্যবস্থায় নমনীয়তা এসেছে এবং বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রবাহ রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছেছে। ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় ৩২ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলারে উঠেছে, যা ২০২৪ সালের শেষে ছিল প্রায় ২১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার।

রেমিট্যান্সেও বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশে রেকর্ড ৩৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি।

মুডিস মনে করছে, এসব কারণে বাংলাদেশের বৈদেশিক অর্থনৈতিক অবস্থান আগের চেয়ে শক্তিশালী হয়েছে। এতে বাড়তি জ্বালানি আমদানি ব্যয় সামাল দেওয়াও সহজ হয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বাংলাদেশের নিয়মিত যোগাযোগও অর্থনৈতিক সংস্কার ও বিদেশি অর্থায়নের ক্ষেত্রে সহায়ক হচ্ছে।

অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিও ধীরে ধীরে বাড়বে বলে মনে করছে মুডিস। সংস্থাটির হিসাবে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছিল ৩ দশমিক ৫ শতাংশ। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা বেড়ে ৪ দশমিক ১ শতাংশ হয়েছে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৩ শতাংশে উঠতে পারে। বিনিয়োগ ও শিল্পকারখানার কার্যক্রম স্বাভাবিক হলে পরের অর্থবছর থেকে প্রবৃদ্ধি আরও বাড়তে পারে।

তবে এসব উন্নতির পরও বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বড় ঝুঁকি রয়েছে বলে জানিয়েছে মুডিস। বিশেষ করে দুর্বল রাজস্ব আয়, ঋণের সুদ পরিশোধের চাপ এবং ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে সংস্থাটির।

ন্যাশনাল ব্যাংকে টাকা তোলা নিয়ে ক্ষোভ, গ্রাহকরা কি আন্দোলনের পথে?national-bank

মুডিসের হিসাবে, সাম্প্রতিক সংস্কারের পর দেশের ব্যাংকিং খাতে মোট খেলাপি ঋণের হার প্রায় ৩২ দশমিক ৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ব্যাংকগুলোর মূলধন শক্তিশালী করতে জিডিপির প্রায় ১০ শতাংশের সমপরিমাণ অর্থ প্রয়োজন হতে পারে। এ অর্থ জোগান দিতে গেলে সরকারের বাজেটের ওপর বড় চাপ তৈরি হতে পারে।

তবে ব্যাংকিং খাতে এখন মূল সমস্যা তারল্য সংকট নয়, বরং মূলধনের ঘাটতি বলে মনে করছে মুডিস। ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত ব্যাংক খাতে আমানত প্রবৃদ্ধি ছিল প্রায় ১২ শতাংশ। অর্থাৎ ব্যাংকগুলোতে আমানত আসছে, কিন্তু অনেক ব্যাংকের আর্থিক ভিত্তি ও মূলধন এখনও দুর্বল।

রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের অবস্থান দুর্বল বলে উল্লেখ করেছে মুডিস। সংস্থাটির মূল্যায়ন অনুযায়ী, অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের সরকারি রাজস্বের ভিত্তি বেশ ছোট। ফলে সরকারের আয় বাড়ানোর সুযোগ সীমিত। অন্যদিকে সরকারি ঋণ জিডিপির প্রায় ৪০ শতাংশ হলেও রাজস্বের প্রায় ৩০ শতাংশই ঋণের সুদ পরিশোধে ব্যয় হচ্ছে।

মুডিস মনে করছে, ব্যাংকিং খাতকে সহায়তা দিতে সরকারের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হলে আগামী কয়েক বছরে সরকারি ঋণের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। একই সঙ্গে বাজেট ঘাটতি ও আগের ঋণের সুদ পরিশোধের চাপও থাকবে। তবে সহজ শর্তের বিদেশি ঋণ অব্যাহত থাকলে সরকারের ঋণ নেওয়ার খরচ ও নতুন করে ঋণ নেওয়ার ঝুঁকি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে।

বিষয়: ঋণবাংলাদেশ ব্যাংকবাংলাদেশ
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • ৭ শর্তে দুইদিনের মধ্যে হরমুজ খুলতে সম্মত ইরান

    ৭ শর্তে দুইদিনের মধ্যে হরমুজ খুলতে সম্মত ইরান

    হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সময়সীমা সাত দিন থেকে কমিয়ে দুই দিন করতে সম্মত হয়েছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের অংশ আলোচনার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্তের কথা জানাল তেহরান। তবে এ জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে সাতটি শর্ত পূরণ করতে হবে বলে জানিয়েছে ইরান।

  • সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

    ৫৬ বছর বয়সী ওমর আবদুল্লাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দুজনের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেন। ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘গতকাল একটি নতুন যাত্রা শুরু হলো।’ পোস্টে নিধি রাজদানকে ট্যাগও করেন তিনি। জবাবে ৪৯ বছর বয়সী সাংবাদিক নিধি লেখেন, ‘হয়ে গেছে ভাই @OmarAbdullah’।

  • যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইরানের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন: জানালেন আরাঘচি

    যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইরানের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন: জানালেন আরাঘচি

    আরাঘচি জানান, মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রাখতে ইরানের একটি প্রতিনিধিদল দোহায় রয়েছে। তিনি আল জাজিরাকে বলেন, “পরামর্শ অব্যাহত রাখতে আমার একজন সহকারী বর্তমানে কাতারে রয়েছেন।”

  • ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতা নিয়ে ‘সতর্ক আশাবাদী’ পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী

    ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতা নিয়ে ‘সতর্ক আশাবাদী’ পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী

    সামরিক মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী বলেন, “কিছুটা ইতিবাচক সম্ভাবনা না থাকলে ফিল্ড মার্শাল কেন দুবার সেখানে যাবেন? সুতরাং হ্যাঁ, অবশ্যই।”