চরচা প্রতিবেদক

“খালেদা জিয়ার ক্যান্টনমেন্টের বাসায় মিস্ত্রিরা কাজে গেছে। দুপুরের আগে একবার নিজে মিস্ত্রিদের নাস্তা দিয়েছেন। কিন্তু লজ্জায় মিস্ত্রিরা খাবার খাওয়া শুরু করে না। একটু পরে খালেদা জিয়া নিজে তাদের মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বলেন, লজ্জা কীসের তোমরা খাওয়া শুরু করো।”
আজ বুধবার বিজয় সরণী এলাকায় রুহুল আমিনের সঙ্গে চরচা প্রতিবেদকের আলাপ হয়। একমাত্র নাতীকে নিয়ে জানাজায় উপস্থিত হয়েছেন তিনি।
রুহুল আমিন বলেন, “আমি স্যানেটারি ও খুচরা সিমেন্ট–বালুর ব্যবসা করি। তাই একসময় খালেদা জিয়ার বাড়ির ছোট-বড় কিছু সংস্কার কাজ পাই। এটা ১৯৮০ সালের পর হবে। এরপর মালামাল ও মিস্ত্রি পাঠাই। তাদের মুখে হুনছি, খালেদা জিয়া সকালে নাস্তা দিছে। কিন্তু লজ্জায় কেউ খাওয়া শুরু করতে পারে না। এক পর্যায়ে খালেদা জিয়া নিজে মিস্ত্রিদের মাথায় হাত বুলিয়ে খাবার খাওয়ার কথা বলেন।”
রুহুল আমিন আরও বলেন,‘‘আমি একাধিক বার ক্যান্টনমেন্টের ওই বাসায় গেছি। উনি বাড়ির বউ, তাতে এমন মানুষ হয় না। সবার সঙ্গে খুব কমলভাবে কথা বলতেন।’’
রুহুল আমিন আরও বলেন, ‘‘খালেদা জিয়া বাড়ির বউ হিসেবে যেমন সরল খুব সাধারণ মানুষ ছিলেন। দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরও বদলাননি। উনাকে সেই থেকে আমার খুব ভালো লাগে। তারপর থেকে আমিসহ আমার পুরো পরিবার বিএনপি রাজনীতির সমর্থক।”
নাতীকে নিয়ে জানাজায় আসার ব্যাপারে রুহুল আমিন বলেন, ‘‘নাতী ছোট, এরা তো আর খালেদা জিয়াকে দেখতি পাবে না। তাই তাকে নিয়ে জানাজায় আইছি। এমন মানুষ আর হয় না।”

“খালেদা জিয়ার ক্যান্টনমেন্টের বাসায় মিস্ত্রিরা কাজে গেছে। দুপুরের আগে একবার নিজে মিস্ত্রিদের নাস্তা দিয়েছেন। কিন্তু লজ্জায় মিস্ত্রিরা খাবার খাওয়া শুরু করে না। একটু পরে খালেদা জিয়া নিজে তাদের মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বলেন, লজ্জা কীসের তোমরা খাওয়া শুরু করো।”
আজ বুধবার বিজয় সরণী এলাকায় রুহুল আমিনের সঙ্গে চরচা প্রতিবেদকের আলাপ হয়। একমাত্র নাতীকে নিয়ে জানাজায় উপস্থিত হয়েছেন তিনি।
রুহুল আমিন বলেন, “আমি স্যানেটারি ও খুচরা সিমেন্ট–বালুর ব্যবসা করি। তাই একসময় খালেদা জিয়ার বাড়ির ছোট-বড় কিছু সংস্কার কাজ পাই। এটা ১৯৮০ সালের পর হবে। এরপর মালামাল ও মিস্ত্রি পাঠাই। তাদের মুখে হুনছি, খালেদা জিয়া সকালে নাস্তা দিছে। কিন্তু লজ্জায় কেউ খাওয়া শুরু করতে পারে না। এক পর্যায়ে খালেদা জিয়া নিজে মিস্ত্রিদের মাথায় হাত বুলিয়ে খাবার খাওয়ার কথা বলেন।”
রুহুল আমিন আরও বলেন,‘‘আমি একাধিক বার ক্যান্টনমেন্টের ওই বাসায় গেছি। উনি বাড়ির বউ, তাতে এমন মানুষ হয় না। সবার সঙ্গে খুব কমলভাবে কথা বলতেন।’’
রুহুল আমিন আরও বলেন, ‘‘খালেদা জিয়া বাড়ির বউ হিসেবে যেমন সরল খুব সাধারণ মানুষ ছিলেন। দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরও বদলাননি। উনাকে সেই থেকে আমার খুব ভালো লাগে। তারপর থেকে আমিসহ আমার পুরো পরিবার বিএনপি রাজনীতির সমর্থক।”
নাতীকে নিয়ে জানাজায় আসার ব্যাপারে রুহুল আমিন বলেন, ‘‘নাতী ছোট, এরা তো আর খালেদা জিয়াকে দেখতি পাবে না। তাই তাকে নিয়ে জানাজায় আইছি। এমন মানুষ আর হয় না।”

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।