চরচা ডেস্ক

ভেনেজুয়েলার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তারের পর আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রশংসায় ভাসাচ্ছেন শান্তিতে নোবেলজয়ী মারিনা কোরিনা মাচাদো। এমনকি নোবেল শান্তি পুরস্কারের অর্থ পেলে তা তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চান বলেও জানিয়েছেন ভেনেজুয়েলার এই বিরোধীদলীয় নেত্রী।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব বলেন মাচাদো। তিনি আরও জানান, আমেরিকার এই অভিযানের পর তিনি যত দ্রুত সম্ভব দেশে ফেরার পরিকল্পনা করছেন।
ভেনেজুয়েলায় গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান ও প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে সস্ত্রীক তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনার পর এই প্রথম প্রকাশ্যে কথা বললেন মাচাদো। গত মাসে তিনি লুকিয়ে ভেনেজুয়েলা ছেড়েছিলেন।
সাক্ষাৎকারে মাচাদো ভেনেজুয়েলায় অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডেলসি রদ্রিগেজের নিয়োগকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন। রদ্রিগেজকে নিয়ে মাচাদো বলেন, “তিনি নিপীড়ন, নির্যাতন, দুর্নীতি ও মাদক পাচারের প্রধান স্থপতিদের একজন।”
মাদুরোর ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন রদ্রিগেজ। অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি ওয়াশিংটনের সঙ্গে সহযোগিতা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
এর আগে মাচাদোকে ভেনেজুয়েলার পরবর্তী নেতা হিসেবে নাকচ করে ট্রাম্প বলেছিলেন, “দেশের ভেতরে তার কোনো জনসমর্থন বা সম্মান নেই। তিনি খুব ভালো একজন নারী, কিন্তু তার প্রতি মানুষের শ্রদ্ধা নেই।”
এদিকে, গতকাল সোমবার মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের একটি আদালতে হাজির করা হয়।
গত শনিবার ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে মাদুরো ও তার স্ত্রীকে তুলে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে নিয়ে আসে আমেরিকান বাহিনী। মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক-সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ আনা হয়। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মাদুরো।

ভেনেজুয়েলার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তারের পর আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রশংসায় ভাসাচ্ছেন শান্তিতে নোবেলজয়ী মারিনা কোরিনা মাচাদো। এমনকি নোবেল শান্তি পুরস্কারের অর্থ পেলে তা তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চান বলেও জানিয়েছেন ভেনেজুয়েলার এই বিরোধীদলীয় নেত্রী।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব বলেন মাচাদো। তিনি আরও জানান, আমেরিকার এই অভিযানের পর তিনি যত দ্রুত সম্ভব দেশে ফেরার পরিকল্পনা করছেন।
ভেনেজুয়েলায় গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান ও প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে সস্ত্রীক তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনার পর এই প্রথম প্রকাশ্যে কথা বললেন মাচাদো। গত মাসে তিনি লুকিয়ে ভেনেজুয়েলা ছেড়েছিলেন।
সাক্ষাৎকারে মাচাদো ভেনেজুয়েলায় অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডেলসি রদ্রিগেজের নিয়োগকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন। রদ্রিগেজকে নিয়ে মাচাদো বলেন, “তিনি নিপীড়ন, নির্যাতন, দুর্নীতি ও মাদক পাচারের প্রধান স্থপতিদের একজন।”
মাদুরোর ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন রদ্রিগেজ। অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি ওয়াশিংটনের সঙ্গে সহযোগিতা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
এর আগে মাচাদোকে ভেনেজুয়েলার পরবর্তী নেতা হিসেবে নাকচ করে ট্রাম্প বলেছিলেন, “দেশের ভেতরে তার কোনো জনসমর্থন বা সম্মান নেই। তিনি খুব ভালো একজন নারী, কিন্তু তার প্রতি মানুষের শ্রদ্ধা নেই।”
এদিকে, গতকাল সোমবার মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের একটি আদালতে হাজির করা হয়।
গত শনিবার ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে মাদুরো ও তার স্ত্রীকে তুলে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে নিয়ে আসে আমেরিকান বাহিনী। মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক-সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ আনা হয়। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মাদুরো।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।