চরচা প্রতিবেদক

গত দুই সপ্তাহ ধরে গ্রাহকদের চড়া মূল্যে এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে। তার মধ্যে বৃহস্পতিবার সারা দেশে সিলিন্ডার বন্ধ রেখেছে ব্যবসায়ীরা। ফলে গ্রাহক ভোগান্তি এখন চরমে।
গতকাল বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে সিলিন্ডারের দাম নতুন করে নির্ধারণ এবং ডিলারদের হয়রানি ও জরিমানা বন্ধসহ ছয় দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দেয় এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড।
ঘোষণা অনুযায়ী- আজ বৃহস্পতিবার থেকে ঢাকাসহ সারাদেশে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ রয়েছে। দুই দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ রাখবেন তারা।
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের রসুই ঘর রেস্টুরেন্টের মালিক সাব্বির হোসেন বলেন, “আমার ছোট হোটেল। ১২ কেজি সিলিন্ডারই কিনতাম। সর্বোচ্চ ২১৫০ দিয়ে কিনতে হয়েছে। এখন তো বিক্রি বন্ধ। কাল সিলিন্ডার না পেলে দোকান বন্ধ রাখতে হবে।”
এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি নাজির আহমেদ মোল্লা চরচাকে বলেন, “বারবার হয়রানির শিকার হই আমরা। আবার সরকারের ভাষায় দোষী আমরাই। কাজেই এবার সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।”
নাজির আহমেদ জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে এ বিষয়ে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) সাথে বৈঠক হওয়ার কথা আছে।
সমিতির তথ্য অনুযায়ী, দেশে ২৭টি কোম্পানির প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি এলপি সিলিন্ডার বাজারে রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র এক কোটি ২৫ লাখ সিলিন্ডারে নিয়মিত গ্যাস রিফিল হচ্ছে। বাকি প্রায় চার কোটি ২৫ লাখ সিলিন্ডার খালি পড়ে রয়েছে।
তাদের দাবি, অধিকাংশ সিলিন্ডার খালি থাকায় পরিবেশকদের পরিচালন ব্যয় বেড়েছে, যা এলপিজির মূল্যবৃদ্ধির অন্যতম কারণ।
সমিতির দাবি, বর্তমানে পরিবেশকদের কমিশন ৫০ থেকে বাড়িয়ে ৮০ টাকা এবং খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন ৪৫ থেকে বাড়িয়ে ৭৫ টাকা নির্ধারণ করতে হবে।
গত ডিসেম্বর মাসের শেষ দিক থেকে বাজারে নির্ধারিত দামের অনেক বেশিতে বিক্রি হচ্ছে এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার।
২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসের জন্য ১২ কেজি এলপি গ্যাসের দাম ১২৫৩ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি। কিন্তু দাম বাড়তে বাড়তে দুই হাজারের ওপরে উঠে যায়।

গত দুই সপ্তাহ ধরে গ্রাহকদের চড়া মূল্যে এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে। তার মধ্যে বৃহস্পতিবার সারা দেশে সিলিন্ডার বন্ধ রেখেছে ব্যবসায়ীরা। ফলে গ্রাহক ভোগান্তি এখন চরমে।
গতকাল বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে সিলিন্ডারের দাম নতুন করে নির্ধারণ এবং ডিলারদের হয়রানি ও জরিমানা বন্ধসহ ছয় দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দেয় এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড।
ঘোষণা অনুযায়ী- আজ বৃহস্পতিবার থেকে ঢাকাসহ সারাদেশে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ রয়েছে। দুই দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ রাখবেন তারা।
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের রসুই ঘর রেস্টুরেন্টের মালিক সাব্বির হোসেন বলেন, “আমার ছোট হোটেল। ১২ কেজি সিলিন্ডারই কিনতাম। সর্বোচ্চ ২১৫০ দিয়ে কিনতে হয়েছে। এখন তো বিক্রি বন্ধ। কাল সিলিন্ডার না পেলে দোকান বন্ধ রাখতে হবে।”
এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি নাজির আহমেদ মোল্লা চরচাকে বলেন, “বারবার হয়রানির শিকার হই আমরা। আবার সরকারের ভাষায় দোষী আমরাই। কাজেই এবার সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।”
নাজির আহমেদ জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে এ বিষয়ে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) সাথে বৈঠক হওয়ার কথা আছে।
সমিতির তথ্য অনুযায়ী, দেশে ২৭টি কোম্পানির প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি এলপি সিলিন্ডার বাজারে রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র এক কোটি ২৫ লাখ সিলিন্ডারে নিয়মিত গ্যাস রিফিল হচ্ছে। বাকি প্রায় চার কোটি ২৫ লাখ সিলিন্ডার খালি পড়ে রয়েছে।
তাদের দাবি, অধিকাংশ সিলিন্ডার খালি থাকায় পরিবেশকদের পরিচালন ব্যয় বেড়েছে, যা এলপিজির মূল্যবৃদ্ধির অন্যতম কারণ।
সমিতির দাবি, বর্তমানে পরিবেশকদের কমিশন ৫০ থেকে বাড়িয়ে ৮০ টাকা এবং খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন ৪৫ থেকে বাড়িয়ে ৭৫ টাকা নির্ধারণ করতে হবে।
গত ডিসেম্বর মাসের শেষ দিক থেকে বাজারে নির্ধারিত দামের অনেক বেশিতে বিক্রি হচ্ছে এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার।
২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসের জন্য ১২ কেজি এলপি গ্যাসের দাম ১২৫৩ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি। কিন্তু দাম বাড়তে বাড়তে দুই হাজারের ওপরে উঠে যায়।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।