চরচা ডেস্ক

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের পূর্ব অংশে আজ রোববার বেশ কয়েকটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিনিধি এবং স্থানীয় বাসিন্দারা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আইয়ের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে ইরানের টানা দ্বিতীয় দিনের মতো চালানো ‘প্রতিশোধমূলক’ হামলার মধ্যেই এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটল।
রিয়াদের পূর্বাঞ্চলের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, তারা পর পর কয়েকটি বিকট শব্দ শুনতে পেয়েছেন এবং এলাকাটি থেকে ধোঁয়া উড়তে দেখেছেন।
এএফপির সংবাদদাতারাও ব্যক্তিগতভাবে এই বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়ার কথা জানিয়েছেন।
এই বিস্ফোরণ এমন এক সময়ে ঘটল যখন ইরান এই অঞ্চলে তাদের দ্বিতীয় দিনের মতো পাল্টা হামলা অব্যাহত রেখেছে।
বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ বা এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, সে বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের পূর্ব অংশে আজ রোববার বেশ কয়েকটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিনিধি এবং স্থানীয় বাসিন্দারা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আইয়ের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে ইরানের টানা দ্বিতীয় দিনের মতো চালানো ‘প্রতিশোধমূলক’ হামলার মধ্যেই এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটল।
রিয়াদের পূর্বাঞ্চলের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, তারা পর পর কয়েকটি বিকট শব্দ শুনতে পেয়েছেন এবং এলাকাটি থেকে ধোঁয়া উড়তে দেখেছেন।
এএফপির সংবাদদাতারাও ব্যক্তিগতভাবে এই বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়ার কথা জানিয়েছেন।
এই বিস্ফোরণ এমন এক সময়ে ঘটল যখন ইরান এই অঞ্চলে তাদের দ্বিতীয় দিনের মতো পাল্টা হামলা অব্যাহত রেখেছে।
বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ বা এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, সে বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।