চরচা প্রতিবেদক

রাজনৈতিক দল হিসেবে নিজেদের নিবন্ধন ফিরে পেয়েছে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি- জাগপা। আজ রবিবার নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
জাগপা ২০০৮ সালের ২০ নভেম্বর রাজনৈতিক দল হিসেবে ইসির নিবন্ধন পায়। এক যুগ পর ২০২১ সালের ২৮ জানুয়ারি তাদের নিবন্ধন বাতিল করা হয়।
নিবন্ধন বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্ট গত ১৯ মার্চ রায় দেয়। সেই রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে ইসি সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জাগপার নিবন্ধন পুনর্বহাল করা হয়েছে।
তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জাগপা সভাপতি তাসমিয়া প্রধান বলেন, “ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা আমাদের নিবন্ধন কেড়ে নিয়েছিল কিন্তু রাজনীতি বন্ধ করতে পারে নাই। আমরা ধৈর্যের সঙ্গে দেশের পক্ষে রাজনীতি করেছি। সত্যের বিজয় হয়েছে, আমরা আমাদের রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পেয়েছি”
জাগপা সহ-সভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান বলেছেন, “নিবন্ধন বাতিলের পক্ষে তৎকালীন ইসি কাগজে- কলমে যেই কারণই দেখাক না কেন, মূল কারণ ছিল জাগপার ভারতীয় আধিপত্যবাদ এবং আগ্রাসন বিরোধী দৃঢ় অবস্থান। তাই ভারতীয় ‘র’ এর পরিকল্পনায় এবং ভারতের সেবাদাসী ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার নির্দেশনায় জাগপার নিবন্ধন বাতিল করা হয়।”

রাজনৈতিক দল হিসেবে নিজেদের নিবন্ধন ফিরে পেয়েছে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি- জাগপা। আজ রবিবার নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
জাগপা ২০০৮ সালের ২০ নভেম্বর রাজনৈতিক দল হিসেবে ইসির নিবন্ধন পায়। এক যুগ পর ২০২১ সালের ২৮ জানুয়ারি তাদের নিবন্ধন বাতিল করা হয়।
নিবন্ধন বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্ট গত ১৯ মার্চ রায় দেয়। সেই রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে ইসি সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জাগপার নিবন্ধন পুনর্বহাল করা হয়েছে।
তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জাগপা সভাপতি তাসমিয়া প্রধান বলেন, “ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা আমাদের নিবন্ধন কেড়ে নিয়েছিল কিন্তু রাজনীতি বন্ধ করতে পারে নাই। আমরা ধৈর্যের সঙ্গে দেশের পক্ষে রাজনীতি করেছি। সত্যের বিজয় হয়েছে, আমরা আমাদের রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পেয়েছি”
জাগপা সহ-সভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান বলেছেন, “নিবন্ধন বাতিলের পক্ষে তৎকালীন ইসি কাগজে- কলমে যেই কারণই দেখাক না কেন, মূল কারণ ছিল জাগপার ভারতীয় আধিপত্যবাদ এবং আগ্রাসন বিরোধী দৃঢ় অবস্থান। তাই ভারতীয় ‘র’ এর পরিকল্পনায় এবং ভারতের সেবাদাসী ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার নির্দেশনায় জাগপার নিবন্ধন বাতিল করা হয়।”

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।