চরচা ডেস্ক

সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে ব্যাপক হামলা চালনো হয়েছে বলে জানিয়েছে আমেরিকা। গত মাসে পালমিরায় আইএসের হামলায় দুই মার্কিন সেনা ও এক মার্কিন বেসামরিক দোভাষী নিহত হওয়ার জবাবে এই অভিযান চালানো হয়।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে জানায়, শনিবার স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটের দিকে আমেরিকা ও তাদের মিত্র বাহিনী যৌথভাবে সিরিয়ার বিভিন্ন এলাকায় আইএসের একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। এসব হামলায় আইএসের বিভিন্ন স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে।
সেন্টকোমের বিবৃতিতে অভিযানে হতাহতের কোনো তথ্য জানানো হয়নি। আইএসের কোন কোন স্থাপনায় আঘাত হানা হয়েছে—সে সম্পর্কেও বিবৃতিতে কিছু উল্লেখ করা হয়নি।
২০১৪ সালে আইএসের উত্থানের পর সিরিয়ায় ২ হাজার সেনা পাঠিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে সেখানে মার্কিন ঘাঁটিতে ১ হাজার সেনা রয়েছেন।
চলতি ডিসেম্বরের প্রথম দিকে সিরিয়ার মধ্যাঞ্চলীয় শহর পালমিরায় একটি মার্কিন-সিরীয় গাড়িবহরকে লক্ষ্য করে বন্দুক হামলা চালিয়েছিল আইএস। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন দুই মার্কিন সেনা এবং তাদের এক দোভাষী। আহত হন আরও ৩ জন। সেই হামলার বদলা নিতে ২০ ডিসেম্বর থেকে সিরিয়ায় অপারেশন শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র।

সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে ব্যাপক হামলা চালনো হয়েছে বলে জানিয়েছে আমেরিকা। গত মাসে পালমিরায় আইএসের হামলায় দুই মার্কিন সেনা ও এক মার্কিন বেসামরিক দোভাষী নিহত হওয়ার জবাবে এই অভিযান চালানো হয়।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে জানায়, শনিবার স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটের দিকে আমেরিকা ও তাদের মিত্র বাহিনী যৌথভাবে সিরিয়ার বিভিন্ন এলাকায় আইএসের একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। এসব হামলায় আইএসের বিভিন্ন স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে।
সেন্টকোমের বিবৃতিতে অভিযানে হতাহতের কোনো তথ্য জানানো হয়নি। আইএসের কোন কোন স্থাপনায় আঘাত হানা হয়েছে—সে সম্পর্কেও বিবৃতিতে কিছু উল্লেখ করা হয়নি।
২০১৪ সালে আইএসের উত্থানের পর সিরিয়ায় ২ হাজার সেনা পাঠিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে সেখানে মার্কিন ঘাঁটিতে ১ হাজার সেনা রয়েছেন।
চলতি ডিসেম্বরের প্রথম দিকে সিরিয়ার মধ্যাঞ্চলীয় শহর পালমিরায় একটি মার্কিন-সিরীয় গাড়িবহরকে লক্ষ্য করে বন্দুক হামলা চালিয়েছিল আইএস। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন দুই মার্কিন সেনা এবং তাদের এক দোভাষী। আহত হন আরও ৩ জন। সেই হামলার বদলা নিতে ২০ ডিসেম্বর থেকে সিরিয়ায় অপারেশন শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।