চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর মিনি কক্সবাজার এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় আজিম নামের এক ডেইরি ফার্মের কর্মচারী আহত হয়েছেন। আজ শনিবার সন্ধ্যার দিকে এই ঘটনা ঘটে।
বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
আজিম বাগেরহাট জেলার মো. আনোয়ার হোসেনের ছেলে। তিনি যাত্রাবাড়ীর কোনাবাড়ী এলাকায় বসবাস করতেন এবং ‘জোসনা ডেইরি ফার্মে’ কর্মরত ছিলেন বলে জানিয়েছে তার স্বজনরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মাঠে ঘাস কাটার সময় কাঁচির আঘাতে সেখানে পড়ে থাকা একটি অবিস্ফোরিত ককটেল বিস্ফোরিত হলে আজিমের হাত ও পায়ে গুরুতর আঘাত লাগে। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
জোসনা ডেইরি ফার্মের মালিক সাদেক জানান, বিস্ফোরণের খবর পেয়ে আজিমকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে ঢামেকে স্থানান্তর করা হয়।
ঢামেকের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ ফারুক বলেন, প্রাথমিকভাবে আহত ব্যক্তির কাছ থেকে জানা গেছে, ঘাস কাটার সময় কাঁচির আঘাতে ককটেলটি বিস্ফোরিত হয়। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করা হয়েছে।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর মিনি কক্সবাজার এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় আজিম নামের এক ডেইরি ফার্মের কর্মচারী আহত হয়েছেন। আজ শনিবার সন্ধ্যার দিকে এই ঘটনা ঘটে।
বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
আজিম বাগেরহাট জেলার মো. আনোয়ার হোসেনের ছেলে। তিনি যাত্রাবাড়ীর কোনাবাড়ী এলাকায় বসবাস করতেন এবং ‘জোসনা ডেইরি ফার্মে’ কর্মরত ছিলেন বলে জানিয়েছে তার স্বজনরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মাঠে ঘাস কাটার সময় কাঁচির আঘাতে সেখানে পড়ে থাকা একটি অবিস্ফোরিত ককটেল বিস্ফোরিত হলে আজিমের হাত ও পায়ে গুরুতর আঘাত লাগে। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
জোসনা ডেইরি ফার্মের মালিক সাদেক জানান, বিস্ফোরণের খবর পেয়ে আজিমকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে ঢামেকে স্থানান্তর করা হয়।
ঢামেকের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ ফারুক বলেন, প্রাথমিকভাবে আহত ব্যক্তির কাছ থেকে জানা গেছে, ঘাস কাটার সময় কাঁচির আঘাতে ককটেলটি বিস্ফোরিত হয়। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করা হয়েছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।