চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর উত্তর বাড্ডার একটি বাসা থেকে তাহিয়া আক্তার মিন্নি (২০) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে স্বজনরা। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত তাহিয়া ঢাকার দক্ষিণখানের আইনুস বাগ এলাকার আব্দুল আউয়ালের মেয়ে। তিনি স্বামী আসিফ আহমেদের সঙ্গে উত্তর বাড্ডার হাসান উদ্দিন রোডের মিশ্রিটোলা এলাকার একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন।
মৃতের বাবা আব্দুল আউয়াল জানান, খবর পেয়ে তারা দরজা ভেঙে মিন্নির ঘরে প্রবেশ করেন। সেখানে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়। পরে দ্রুত তাকে ঢামেকে নেওয়া হলে চিকিৎসক জানান, তিনি আর বেঁচে নেই।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি বাড্ডা থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহের জেরে অভিমানে মিন্নি আত্মহত্যা করতে পারেন বলে তারা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছেন।

রাজধানীর উত্তর বাড্ডার একটি বাসা থেকে তাহিয়া আক্তার মিন্নি (২০) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে স্বজনরা। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত তাহিয়া ঢাকার দক্ষিণখানের আইনুস বাগ এলাকার আব্দুল আউয়ালের মেয়ে। তিনি স্বামী আসিফ আহমেদের সঙ্গে উত্তর বাড্ডার হাসান উদ্দিন রোডের মিশ্রিটোলা এলাকার একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন।
মৃতের বাবা আব্দুল আউয়াল জানান, খবর পেয়ে তারা দরজা ভেঙে মিন্নির ঘরে প্রবেশ করেন। সেখানে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়। পরে দ্রুত তাকে ঢামেকে নেওয়া হলে চিকিৎসক জানান, তিনি আর বেঁচে নেই।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি বাড্ডা থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহের জেরে অভিমানে মিন্নি আত্মহত্যা করতে পারেন বলে তারা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।