চরচা প্রতিবেদক

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জন্য আসন রেখে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট আসন ভাগাভাগি চূড়ান্ত করেছে।
কোন দল কত আসন নিয়ে সমঝোতায় এসেছে তা আজ বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে।
ধর্মভিত্তিক দলগুলোর জোট নেতা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার সংসদ নির্বাচনের আসন ভাগাভাগি নিয়ে জরুরি বৈঠক বসে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের নেতারা।
প্রত্যাশিত আসন না পেলে ১১ দলীয় জোট ছাড়ার আভাস দিয়েছিল ইসলামী আন্দোলন।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বাকি ১০ দলের নেতাদের নিয়ে জোটের বৈঠক শুরু হয়।
মামুনুল হক বলেন, “দশ দলের উপস্থিতিতে বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গেও কথা হয়েছে। রাতে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে। আমাদের প্রত্যাশা একসঙ্গেই এগিয়ে যেতে পারব। ইসলামী আন্দোলনকে সঙ্গে নিয়েই আসন ঘোষণা করতে পারব এই আশা করছি।”
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগারিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চাঁদ, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমাদ আব্দুর কাদের।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জন্য আসন রেখে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট আসন ভাগাভাগি চূড়ান্ত করেছে।
কোন দল কত আসন নিয়ে সমঝোতায় এসেছে তা আজ বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে।
ধর্মভিত্তিক দলগুলোর জোট নেতা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার সংসদ নির্বাচনের আসন ভাগাভাগি নিয়ে জরুরি বৈঠক বসে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের নেতারা।
প্রত্যাশিত আসন না পেলে ১১ দলীয় জোট ছাড়ার আভাস দিয়েছিল ইসলামী আন্দোলন।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বাকি ১০ দলের নেতাদের নিয়ে জোটের বৈঠক শুরু হয়।
মামুনুল হক বলেন, “দশ দলের উপস্থিতিতে বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গেও কথা হয়েছে। রাতে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে। আমাদের প্রত্যাশা একসঙ্গেই এগিয়ে যেতে পারব। ইসলামী আন্দোলনকে সঙ্গে নিয়েই আসন ঘোষণা করতে পারব এই আশা করছি।”
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগারিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চাঁদ, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমাদ আব্দুর কাদের।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।