চরচা ডেস্ক

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডকে ‘মাইলফলক’ উল্লেখ করে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামন বলেছেন, এই রায় শহীদদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেছে, যা নতুন বাংলাদেশের বিনির্মাণে মাইলফলক হয়ে থাকবে।
আজ সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রায় ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, এই শাস্তি ভবিষ্যতের জন্য কড়া বার্তা বহন করে যে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের বিচার অবশ্যই হবে।
রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান আরও বলেন, “এই রায় প্রমাণ করেছে, রাজনৈতিক পরিচয় বা ক্ষমতার প্রভাব বিচারকের কলমকে প্রভাবিত করতে পারে না। শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামাল গ্রেপ্তারের দিন থেকে তাদের স্বাভাবিক মৃত্যু পর্যন্ত এই দণ্ড কার্যকর থাকবে।”
তিনি বলেন, “আদালত স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, এটি ব্যক্তিগত দায়ের বিচার, কোনো রাজনৈতিক দলের বিচার নয়। তাই দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আদালত আমলে নেয়নি।”

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডকে ‘মাইলফলক’ উল্লেখ করে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামন বলেছেন, এই রায় শহীদদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেছে, যা নতুন বাংলাদেশের বিনির্মাণে মাইলফলক হয়ে থাকবে।
আজ সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রায় ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, এই শাস্তি ভবিষ্যতের জন্য কড়া বার্তা বহন করে যে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের বিচার অবশ্যই হবে।
রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান আরও বলেন, “এই রায় প্রমাণ করেছে, রাজনৈতিক পরিচয় বা ক্ষমতার প্রভাব বিচারকের কলমকে প্রভাবিত করতে পারে না। শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামাল গ্রেপ্তারের দিন থেকে তাদের স্বাভাবিক মৃত্যু পর্যন্ত এই দণ্ড কার্যকর থাকবে।”
তিনি বলেন, “আদালত স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, এটি ব্যক্তিগত দায়ের বিচার, কোনো রাজনৈতিক দলের বিচার নয়। তাই দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আদালত আমলে নেয়নি।”

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।