চরচা প্রতিবেদক

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ এক হাজতির মৃত্যু হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে আনা হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত হাজতির নাম মোজাম্মেল হাওলাদার। তার হাজতি নং ৫২৭২৫/২৫, তবে তিনি কোন মামলায় বন্দী ছিলেন সে বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষ কিছু জানায়নি।
কারারক্ষী ফুয়াদ জানান, রাতেই মোজাম্মেলের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। পরে কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ঢামেকে আনা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানিয়েছেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করা হবে এবং ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ এক হাজতির মৃত্যু হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে আনা হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত হাজতির নাম মোজাম্মেল হাওলাদার। তার হাজতি নং ৫২৭২৫/২৫, তবে তিনি কোন মামলায় বন্দী ছিলেন সে বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষ কিছু জানায়নি।
কারারক্ষী ফুয়াদ জানান, রাতেই মোজাম্মেলের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। পরে কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ঢামেকে আনা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানিয়েছেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করা হবে এবং ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।