চরচা প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় আরও ৫৯ নেতাকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি। আজ বুধবার রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ তথ্য জানান।
দলটি জানিয়েছে, তারা দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে তাদের বহিষ্কৃত করা হয়েছে।
বহিষ্কৃতদের মধ্যে রয়েছেন রংপুর বিভাগের দিনাজপুর–২ আসনের আ ন ম বজলুর রশিদ, দিনাজপুর–৫ আসনের এ জেড এম রেজয়ানুল হক এবং নীলফামারী–৪ আসনের রিয়াদ আরাফান সরকার রানা।
রাজশাহী বিভাগ থেকে নওগাঁ–৩ এর পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী জনি, নাটোর–১ আসনের তাইফুল ইসলাম টিপু ও ডা. ইয়াসির আরশাদ রাজন, নাটোর–৩ আসনের দাউদার মাহমুদ, রাজশাহী–৫ এর ইসফা খাইরুল হক শিমুল ও ব্যারিস্টার রেজাউল করিম, পাবনা–৩ এর কে এম আনোয়ারুল ইসলাম এবং পাবনা–৪ এর জাকারিয়া পিন্টুও বহিষ্কৃত হয়েছেন।
খুলনা বিভাগের কুষ্টিয়া–১ এর নুরুজ্জামান হাবলু মোল্লা, নড়াইল–২ এর মনিরুল ইসলাম, যশোর–৫ এর অ্যাড. শহিদ ইকবাল, সাতক্ষীরা–৩ এর ডা. শহীদুল আলম, বাগেরহাট–১ এর ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ এবং বাগেরহাট–৪ এর খায়রুজ্জামান শিপনকেও বহিষ্কার করা হয়েছে।
বরিশাল বিভাগে বরিশাল–১ এর আব্দুস সোবহান ও পিরোজপুর–২ এর মোহাম্মদ মাহমুদ হোসেন তালিকায় রয়েছেন।
ঢাকা বিভাগের নারায়ণগঞ্জ–১ এর দুলাল হোসেন, নারায়ণগঞ্জ–২ এর আতাউর রহমান খান আঙ্গুর, নারায়ণগঞ্জ–৩ এর অধ্যাপক রেজাউল করিম, টাঙ্গাইল–১ এর অ্যাড. মোহাম্মদ আলী, টাঙ্গাইল–৩ এর লুৎফর রহমান খান আজাদ, টাঙ্গাইল–৫ এর অ্যাড. ফরহাদ ইকবাল, নরসিংদী–৫ এর জামাল আহমেদ চৌধুরী, মুন্সিগঞ্জ–১ এর মুমিন আলী এবং মুন্সিগঞ্জ–৩ এর মহিউদ্দিনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
ময়মনসিংহ বিভাগের কিশোরগঞ্জ–১ এর রেজাউল করিম চুন্নু, কিশোরগঞ্জ–৫ এর শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল, ময়মনসিংহ–১ এর সালমান ওমর রুবেল, ময়মনসিংহ–১০ এর এবি সিদ্দিকুর রহমান, ময়মনসিংহ–১১ এর মোর্শেদ আলম, নেত্রকোনা–৩ এর দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া এবং শেরপুর–৩ এর আমিনুল ইসলাম বাদশাহ বহিষ্কৃত হয়েছেন।
ফরিদপুর বিভাগে মাদারিপুর–১ এর লাভলু সিদ্দিকী ও কামাল জামাল নুরুউদ্দিন মোল্লা, মাদারিপুর–২ এর মিল্টন বৈদ্য, রাজবাড়ী–২ এর নাসিরুল হক সাবু, গোপালগঞ্জ–২ এর এম এস খান মঞ্জু ও সিরাজুল ইসলাম সিরাজ এবং গোপালগঞ্জ–৩ এর অ্যাড. হাবিবুর রহমান হাবিব বহিষ্কার হয়েছেন।
সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ–৩ এর আনোয়ার হোসেন, সুনামগঞ্জ–৪ এর দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন, সিলেট–৫ এর মামুনুর রশীদ, মৌলভীবাজার–৪ এর মহসিন মিয়া মধু এবং হবিগঞ্জ–১ এর শেখ সুজাত মিয়া তালিকায় আছেন।
কুমিল্লা বিভাগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া–১ এর অ্যাড. কামরুজ্জামান মামুন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৫ এর কাজী নাজমুল হোসেন তাপস, ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৬ এর কৃষিবিদ সাইদুজ্জামান কামাল, কুমিল্লা–২ এর ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মতিন, কুমিল্লা–৭ এর আতিকুল আলম শাওন এবং চাঁদপুর–৪ এর এম এ হান্নানকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এ ছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগের চট্টগ্রাম–১৪ এর অ্যাড. মিজানুল হক চৌধুরী ও শফিকুল ইসলাম রাহী, চট্টগ্রাম–১৬ এর লিয়াকত আলী চেয়ারম্যান, নোয়াখালী–২ এর কাজী মফিজুর রহমান এবং নোয়াখালী–৬ এর ফজলুল আজীম ও ইঞ্জিনিয়ার তানবীর উদ্দীন রাজীবকেও দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এর আগে আরও ১৩ নেতাকে বহিষ্কার করে বিএনপি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় আরও ৫৯ নেতাকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি। আজ বুধবার রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ তথ্য জানান।
দলটি জানিয়েছে, তারা দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে তাদের বহিষ্কৃত করা হয়েছে।
বহিষ্কৃতদের মধ্যে রয়েছেন রংপুর বিভাগের দিনাজপুর–২ আসনের আ ন ম বজলুর রশিদ, দিনাজপুর–৫ আসনের এ জেড এম রেজয়ানুল হক এবং নীলফামারী–৪ আসনের রিয়াদ আরাফান সরকার রানা।
রাজশাহী বিভাগ থেকে নওগাঁ–৩ এর পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী জনি, নাটোর–১ আসনের তাইফুল ইসলাম টিপু ও ডা. ইয়াসির আরশাদ রাজন, নাটোর–৩ আসনের দাউদার মাহমুদ, রাজশাহী–৫ এর ইসফা খাইরুল হক শিমুল ও ব্যারিস্টার রেজাউল করিম, পাবনা–৩ এর কে এম আনোয়ারুল ইসলাম এবং পাবনা–৪ এর জাকারিয়া পিন্টুও বহিষ্কৃত হয়েছেন।
খুলনা বিভাগের কুষ্টিয়া–১ এর নুরুজ্জামান হাবলু মোল্লা, নড়াইল–২ এর মনিরুল ইসলাম, যশোর–৫ এর অ্যাড. শহিদ ইকবাল, সাতক্ষীরা–৩ এর ডা. শহীদুল আলম, বাগেরহাট–১ এর ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ এবং বাগেরহাট–৪ এর খায়রুজ্জামান শিপনকেও বহিষ্কার করা হয়েছে।
বরিশাল বিভাগে বরিশাল–১ এর আব্দুস সোবহান ও পিরোজপুর–২ এর মোহাম্মদ মাহমুদ হোসেন তালিকায় রয়েছেন।
ঢাকা বিভাগের নারায়ণগঞ্জ–১ এর দুলাল হোসেন, নারায়ণগঞ্জ–২ এর আতাউর রহমান খান আঙ্গুর, নারায়ণগঞ্জ–৩ এর অধ্যাপক রেজাউল করিম, টাঙ্গাইল–১ এর অ্যাড. মোহাম্মদ আলী, টাঙ্গাইল–৩ এর লুৎফর রহমান খান আজাদ, টাঙ্গাইল–৫ এর অ্যাড. ফরহাদ ইকবাল, নরসিংদী–৫ এর জামাল আহমেদ চৌধুরী, মুন্সিগঞ্জ–১ এর মুমিন আলী এবং মুন্সিগঞ্জ–৩ এর মহিউদ্দিনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
ময়মনসিংহ বিভাগের কিশোরগঞ্জ–১ এর রেজাউল করিম চুন্নু, কিশোরগঞ্জ–৫ এর শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল, ময়মনসিংহ–১ এর সালমান ওমর রুবেল, ময়মনসিংহ–১০ এর এবি সিদ্দিকুর রহমান, ময়মনসিংহ–১১ এর মোর্শেদ আলম, নেত্রকোনা–৩ এর দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া এবং শেরপুর–৩ এর আমিনুল ইসলাম বাদশাহ বহিষ্কৃত হয়েছেন।
ফরিদপুর বিভাগে মাদারিপুর–১ এর লাভলু সিদ্দিকী ও কামাল জামাল নুরুউদ্দিন মোল্লা, মাদারিপুর–২ এর মিল্টন বৈদ্য, রাজবাড়ী–২ এর নাসিরুল হক সাবু, গোপালগঞ্জ–২ এর এম এস খান মঞ্জু ও সিরাজুল ইসলাম সিরাজ এবং গোপালগঞ্জ–৩ এর অ্যাড. হাবিবুর রহমান হাবিব বহিষ্কার হয়েছেন।
সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ–৩ এর আনোয়ার হোসেন, সুনামগঞ্জ–৪ এর দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন, সিলেট–৫ এর মামুনুর রশীদ, মৌলভীবাজার–৪ এর মহসিন মিয়া মধু এবং হবিগঞ্জ–১ এর শেখ সুজাত মিয়া তালিকায় আছেন।
কুমিল্লা বিভাগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া–১ এর অ্যাড. কামরুজ্জামান মামুন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৫ এর কাজী নাজমুল হোসেন তাপস, ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৬ এর কৃষিবিদ সাইদুজ্জামান কামাল, কুমিল্লা–২ এর ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মতিন, কুমিল্লা–৭ এর আতিকুল আলম শাওন এবং চাঁদপুর–৪ এর এম এ হান্নানকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এ ছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগের চট্টগ্রাম–১৪ এর অ্যাড. মিজানুল হক চৌধুরী ও শফিকুল ইসলাম রাহী, চট্টগ্রাম–১৬ এর লিয়াকত আলী চেয়ারম্যান, নোয়াখালী–২ এর কাজী মফিজুর রহমান এবং নোয়াখালী–৬ এর ফজলুল আজীম ও ইঞ্জিনিয়ার তানবীর উদ্দীন রাজীবকেও দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এর আগে আরও ১৩ নেতাকে বহিষ্কার করে বিএনপি।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।