চরচা ডেস্ক

পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে অবৈধ মাদক বহনের সন্দেহে গতকাল বৃহস্পতিবার একটি নৌকায় আবারও হামলা চালিয়েছে আমেরিকার সামরিক বাহিনী। এতে অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পেন্টাগন।
আমেরিকার সাউদার্ন কমান্ড এক্সে দেওয়া পোস্টে জানিয়েছে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের নির্দেশে আন্তর্জাতিক জলসীমায় একটি ‘সন্ত্রাসী সংগঠনের’ পরিচালিত নৌযানে তারা প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।
গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, নৌযানটিতে মাদক বহন করা হচ্ছিল এবং এটি পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরের পরিচিত মাদকচোরাচালান রুট দিয়ে চলছিল। সাউদার্ন কমান্ড আরও জানিয়েছে, নৌকায় থাকা চারজন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে।
দ্য গার্ডিয়ান বলছে, এই হামলাগুলোর বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন ক্রমেই বাড়ছে। গত ২ সেপ্টেম্বর একটি নৌকায় পরপর দুটি হামলা চালানোর তথ্য সামনে আসার পর পুরো অভিযান ঘিরে ট্রাম্প প্রশাসনে নতুন করে তদন্তের মুখোমুখি হয়েছে।
গত সেপ্টেম্বর মাসের শুরু থেকে ক্যারিবীয় সাগর ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে মাদক পাচারের অভিযোগে ২০টির বেশি নৌযানে হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। এসব হামলায় ৮০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।

পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে অবৈধ মাদক বহনের সন্দেহে গতকাল বৃহস্পতিবার একটি নৌকায় আবারও হামলা চালিয়েছে আমেরিকার সামরিক বাহিনী। এতে অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পেন্টাগন।
আমেরিকার সাউদার্ন কমান্ড এক্সে দেওয়া পোস্টে জানিয়েছে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের নির্দেশে আন্তর্জাতিক জলসীমায় একটি ‘সন্ত্রাসী সংগঠনের’ পরিচালিত নৌযানে তারা প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।
গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, নৌযানটিতে মাদক বহন করা হচ্ছিল এবং এটি পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরের পরিচিত মাদকচোরাচালান রুট দিয়ে চলছিল। সাউদার্ন কমান্ড আরও জানিয়েছে, নৌকায় থাকা চারজন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে।
দ্য গার্ডিয়ান বলছে, এই হামলাগুলোর বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন ক্রমেই বাড়ছে। গত ২ সেপ্টেম্বর একটি নৌকায় পরপর দুটি হামলা চালানোর তথ্য সামনে আসার পর পুরো অভিযান ঘিরে ট্রাম্প প্রশাসনে নতুন করে তদন্তের মুখোমুখি হয়েছে।
গত সেপ্টেম্বর মাসের শুরু থেকে ক্যারিবীয় সাগর ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে মাদক পাচারের অভিযোগে ২০টির বেশি নৌযানে হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। এসব হামলায় ৮০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।