চরচা প্রতিবেদক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে হওয়া বিভিন্ন অনিয়মের সুনির্দিষ্ট লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়ার পরও প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান আবিদ।
আজ সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।
আবিদ বলেন, ‘ডাকসু নির্বাচনে বিভিন্ন অনিয়ম ও কারচুপির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়ার পরও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না। অনিয়মের প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও কোনো ধরনের আন্দোলনে যায়নি ছাত্রদল। বরং পুরোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপনের উদ্দেশ্যে প্রশাসনকে অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখার জন্য সময় দেওয়া হয়েছে।’
ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যদি যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ না করে, তবে ২০১৯ সালের মতো এবারের ডাকসু নির্বাচনও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে থাকবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে হওয়া বিভিন্ন অনিয়মের সুনির্দিষ্ট লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়ার পরও প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান আবিদ।
আজ সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।
আবিদ বলেন, ‘ডাকসু নির্বাচনে বিভিন্ন অনিয়ম ও কারচুপির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়ার পরও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না। অনিয়মের প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও কোনো ধরনের আন্দোলনে যায়নি ছাত্রদল। বরং পুরোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপনের উদ্দেশ্যে প্রশাসনকে অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখার জন্য সময় দেওয়া হয়েছে।’
ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যদি যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ না করে, তবে ২০১৯ সালের মতো এবারের ডাকসু নির্বাচনও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে থাকবে।’

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।