Advertisement Banner

ওসমান হাদি হত্যা মামলার চার্জশিট গ্রহণে বাদীর নারাজি

চরচা প্রতিবেদক
চরচা প্রতিবেদক
ওসমান হাদি হত্যা মামলার চার্জশিট গ্রহণে বাদীর নারাজি
ওসমান হাদি। ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় দাখিল করা চার্জশিট গ্রহণের বিষয়ে বাদীপক্ষ নারাজি দেওয়ায় এ বিষয়ে আদেশ অপেক্ষমাণ রেখেছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে চার্জশিট পর্যালোচনার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ চার্জশিট গ্রহণের পক্ষে মত দিলেও মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে ‘অসন্তোষ’ প্রকাশ করে নারাজি আবেদন করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, বাদীপক্ষের নারাজি আবেদন বিবেচনায় নিয়ে চার্জশিট গ্রহণ সংক্রান্ত বিষয়ে আদালত তাৎক্ষণিক কোনো আদেশ না দিয়ে সিদ্ধান্ত অপেক্ষমাণ রাখেন।

এর আগে, চার্জশিট গভীরভাবে পর্যালোচনার জন্য রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা দুই দিনের সময় চাইলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। সেই অনুযায়ী বৃহস্পতিবার চার্জশিট সংক্রান্ত শুনানি হয়।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষকে সহায়তার জন্য আদালত তিনজন আইনজীবী নিয়োগ দেন। তারা হলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আব্দুস সোবহান তরফদার, ব্যারিস্টার এস এম মইনুল করিম এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মুস্তাফিজুর রহমান মুকুল।

শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের নিয়োগপ্রাপ্ত আইনজীবীরা আদালতকে জানান, চার্জশিটের প্রতিটি দিক পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছে এবং তদন্তে পর্যাপ্ত আইনগত উপাদান রয়েছে। তবে বাদীপক্ষ দাবি করে, তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় উপেক্ষিত হয়েছে, যা পুনরায় যাচাই প্রয়োজন।

গত ৬ জানুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ ১৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। পর দিন আদালত বাদীর বক্তব্য শুনতে দিন ধার্য করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হন শরিফ ওসমান হাদি। প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে গত ১৫ ডিসেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর রাতে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যু হলে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপ নেয়।

সম্পর্কিত