
অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের রাজনৈতিক অস্থিরতার পর আসামিরা বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। তারা ফ্ল্যাটের তালা ভেঙে প্রবেশ, ৫ কোটি টাকা চাঁদা দাবি, বাসায় হামলা, ১০ লাখ টাকা ও ১০ ভরি স্বর্ণালংকার লুট এবং গ্যারেজে ভাঙচুর চালিয়ে প্রায় ৩ কোটি টাকার ক্ষতি করেন।

গত ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ২৬ মার্চ আদালত প্রথম দফায় ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মিরপুর-১০ এলাকায় ছাত্র-জনতার শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে হামলার নির্দেশ দেন মামুন খালেদ।

তদন্ত কর্মকর্তা আরও জানান, প্রাথমিকভাবে স্বীকারোক্তিতে উঠে এসেছে–খুলনার সন্ত্রাসী সালাউদ্দিনের নির্দেশে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানতে আরও জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।

এ ঘটনায় গতকাল সোমবার কমপ্লেক্সটির ইলেকট্রিশিয়ান আরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা দায়ের করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৫ মে নগরীর অনামী–লেন এলাকায় হামলার অভিযোগে বিএনপি কর্মী সরোয়ার হোসেন ২০২৪ সালে কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেন।

২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে সুইফট কোড ব্যবহার করে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি করা হয়।

ঢাকার নয়াপল্টন এলাকার শারমিন একাডেমিতে এক শিশু নির্যাতনের ঘটনায় গ্রেপ্তার ওই স্কুলের ব্যবস্থাপক পবিত্র কুমার বড়ুয়াকে চারদিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ এ আদেশ দেন।

গত ৬ জানুয়ারি মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ ঘটনাটিতে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেন।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা ও তার উত্তর-দক্ষিণে দেড় কিলোমিটার এলাকা–স্কলাস্টিকা স্কুল থেকে হোটেল লা মেরিডিয়ান পর্যন্ত এবং গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতন এলাকাকে ‘নিরব এলাকা’ ঘোষণা করা হয়েছে। তাই এসব এলাকায় হর্ন বাজালে সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা জরিমানা বা তিন মাসের কারাদণ্ড হতে পারে ।

শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ চার্জশিট গ্রহণের পক্ষে মত দিলেও মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে ‘অসন্তোষ’ প্রকাশ করে নারাজি আবেদন করেন।

ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ রাহুল দাউদ ও তার সহযোগী অজ্ঞাতনামা আসামিকে ভারতে অবৈধ পথে পালিয়ে যেতে সহায়তা করে ফিলিপ নামের এক ব্যক্তি। সিবিউন ও সঞ্জয় ফিলিপের নেতৃত্বে কার্য পরিচালনা করে।