চরচা ডেস্ক

পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে চলমান রক্তক্ষয়ী সীমান্ত সংঘর্ষ এবং আফগান ভূখণ্ডে পাকিস্তানের বিমান হামলার ঘটনায় বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়লেও, ইসলামাবাদের পাশে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটন জানিয়েছে, তালেবান গোষ্ঠীর হামলার বিরুদ্ধে পাকিস্তানের ‘আত্মরক্ষার অধিকার’ রয়েছে এবং তারা একে সমর্থন করে।
কয়েক দিন আগে আফগান ভূখণ্ডে পাকিস্তান বিমান হামলা চালালে দুই প্রতিবেশীর মধ্যে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এর জবাবে বৃহস্পতিবার সীমান্তজুড়ে পাকিস্তানি সেনাচৌকিতে ব্যাপক আক্রমণ চালায় তালেবান বাহিনী। শুক্রবার দুই দেশ কার্যত ‘ সরাসরি যুদ্ধে’ লিপ্ত হওয়ার কথা স্বীকার করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের এই সমর্থনমূলক বিবৃতি আসে।
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র ইমেইল বার্তায় রয়টার্সকে জানান, বিশেষভাবে স্বীকৃত বৈশ্বিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী তালেবানের হামলার বিরুদ্ধে পাকিস্তানের আত্মরক্ষার অধিকারকে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন দিচ্ছে।
পারমাণবিক শক্তিধর পাকিস্তানের সামরিক সক্ষমতা আফগানিস্তানের তুলনায় অনেক বেশি হলেও, আফগান তালেবানরা দীর্ঘ দুই দশক ধরে মার্কিন নেতৃত্বাধীন বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করে তাদের গেরিলা যুদ্ধের পারদর্শিতা প্রমাণ করেছে। ২০২১ সালে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর তারা পুনরায় ক্ষমতায় আসীন হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে পাকিস্তান ওয়াশিংটনের অন্যতম সামরিক মিত্র হিসেবে পরিচিত, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র তালেবানকে একটি ‘সন্ত্রাসী’ সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করে।
ইসলামাবাদের দাবি, আফগান শাসকরা পাকিস্তানি তালেবান জঙ্গিদের (টিটিপি) আশ্রয় দিচ্ছে, যারা পাকিস্তানে সাম্প্রতিক আত্মঘাতী ও জঙ্গি হামলার জন্য দায়ী। তবে কাবুল এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, পাকিস্তান নিজেদের নিরাপত্তা ব্যর্থতা ঢাকতে আফগানিস্তানের ওপর দোষ চাপাচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও এই সংকটে পাকিস্তানের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছেন। শুক্রবার এক সাক্ষাৎকারে তিনি পাকিস্তানের বর্তমান নেতৃত্ব ও সামরিক বাহিনীর প্রশংসা করে বলেন, ‘‘পাকিস্তানের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার। দেশটির প্রধানমন্ত্রী এবং জেনারেল উভয়কেই আমি অত্যন্ত শ্রদ্ধা করি।’’
অন্যদিকে, এই যুদ্ধ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ, চীন, রাশিয়া এবং ইরান। বেইজিং জানিয়েছে, তারা নিজস্ব কূটনৈতিক চ্যানেলে উত্তেজনা প্রশমনে কাজ করছে। পাল্টাপাল্টি ধ্বংসযজ্ঞের পর শুক্রবার রাতে তালেবান শাসকরাও আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের বিষয়ে কিছুটা আগ্রহ দেখিয়েছেন।

পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে চলমান রক্তক্ষয়ী সীমান্ত সংঘর্ষ এবং আফগান ভূখণ্ডে পাকিস্তানের বিমান হামলার ঘটনায় বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়লেও, ইসলামাবাদের পাশে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটন জানিয়েছে, তালেবান গোষ্ঠীর হামলার বিরুদ্ধে পাকিস্তানের ‘আত্মরক্ষার অধিকার’ রয়েছে এবং তারা একে সমর্থন করে।
কয়েক দিন আগে আফগান ভূখণ্ডে পাকিস্তান বিমান হামলা চালালে দুই প্রতিবেশীর মধ্যে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এর জবাবে বৃহস্পতিবার সীমান্তজুড়ে পাকিস্তানি সেনাচৌকিতে ব্যাপক আক্রমণ চালায় তালেবান বাহিনী। শুক্রবার দুই দেশ কার্যত ‘ সরাসরি যুদ্ধে’ লিপ্ত হওয়ার কথা স্বীকার করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের এই সমর্থনমূলক বিবৃতি আসে।
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র ইমেইল বার্তায় রয়টার্সকে জানান, বিশেষভাবে স্বীকৃত বৈশ্বিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী তালেবানের হামলার বিরুদ্ধে পাকিস্তানের আত্মরক্ষার অধিকারকে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন দিচ্ছে।
পারমাণবিক শক্তিধর পাকিস্তানের সামরিক সক্ষমতা আফগানিস্তানের তুলনায় অনেক বেশি হলেও, আফগান তালেবানরা দীর্ঘ দুই দশক ধরে মার্কিন নেতৃত্বাধীন বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করে তাদের গেরিলা যুদ্ধের পারদর্শিতা প্রমাণ করেছে। ২০২১ সালে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর তারা পুনরায় ক্ষমতায় আসীন হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে পাকিস্তান ওয়াশিংটনের অন্যতম সামরিক মিত্র হিসেবে পরিচিত, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র তালেবানকে একটি ‘সন্ত্রাসী’ সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করে।
ইসলামাবাদের দাবি, আফগান শাসকরা পাকিস্তানি তালেবান জঙ্গিদের (টিটিপি) আশ্রয় দিচ্ছে, যারা পাকিস্তানে সাম্প্রতিক আত্মঘাতী ও জঙ্গি হামলার জন্য দায়ী। তবে কাবুল এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, পাকিস্তান নিজেদের নিরাপত্তা ব্যর্থতা ঢাকতে আফগানিস্তানের ওপর দোষ চাপাচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও এই সংকটে পাকিস্তানের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছেন। শুক্রবার এক সাক্ষাৎকারে তিনি পাকিস্তানের বর্তমান নেতৃত্ব ও সামরিক বাহিনীর প্রশংসা করে বলেন, ‘‘পাকিস্তানের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার। দেশটির প্রধানমন্ত্রী এবং জেনারেল উভয়কেই আমি অত্যন্ত শ্রদ্ধা করি।’’
অন্যদিকে, এই যুদ্ধ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ, চীন, রাশিয়া এবং ইরান। বেইজিং জানিয়েছে, তারা নিজস্ব কূটনৈতিক চ্যানেলে উত্তেজনা প্রশমনে কাজ করছে। পাল্টাপাল্টি ধ্বংসযজ্ঞের পর শুক্রবার রাতে তালেবান শাসকরাও আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের বিষয়ে কিছুটা আগ্রহ দেখিয়েছেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।