আধিপত্য বিস্তারের জেরে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে যুবদল কর্মী তারেক হোসেন বাপ্পি (২৬) খুন হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছয়জনকে এরইমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, স্টিল রি রোলিং মিলের স্ক্র্যাপ কেনাবেচা নিয়ে বিরোধে এ ঘটনা ঘটেছে।
আজ রোববার সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, “মূলত স্থানীয় প্রভাব বা আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তারা স্টিল কারখানায় স্ক্র্যাপ কেনাবেচা করে, এর সাথে আর্থিক স্বার্থ জড়িত। এর বাইরেও অনেক বিষয় থাকতে পারে।”
এক প্রশ্নের জবাবে মাসুদ আলম বলেন, “সীতাকুণ্ডে যে মারা গেছে তিনি যুবদলের কর্মী। আর গ্রেপ্তার আরিফ ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। বড় বিষয় তারা নৃশংস অপরাধ করেছে। সেটা আমরা উদঘাটন করতে পেরেছি।”
সীতাকুণ্ড থানার ওসি মহিনুল ইসলাম চরচাকে বলেন, “এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। গ্রেপ্তার ছয়জনের মধ্যে বাপ্পিকে গুলি করা আরিফ হোসেনও রয়েছেন। তাদের কাছ থেকে তিনটি আগ্নেয়াস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে।”
গত শুক্রবার দিবাগত রাতে সীতাকুণ্ড উপজেলার বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের আলী নগরে দুর্বত্তের গুলিতে নিহত হন তারেক হোসেন বাপ্পি। গুলিবিদ্ধ হন তাফসির আলম শাওন (২২) নামে আরও একজন। বাপ্পি স্থানীয়ভাবে যুবদলের রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে।
গ্রেপ্তাররা হলেন- আরিফ হোসেন (২৯), ফখরুল ইসলাম (৩২), আব্দুল মান্নান (২৮), মো. ইফতেখার (৩৫), আরিফুল ইসলাম জাবেদ (২৫) ও নুর আহাম্মদ রনি (২৩)। তাদের সবার বাড়ি সীতাকুণ্ড উপজেলার বাড়বকুণ্ড এলাকায়।
গ্রেপ্তারদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরিফের বাড়ির পাশ থেকে একটি বিদেশী পিস্তল, একটি বিদেশী রিভলবার ও একটি এলজি উদ্ধার করা হয়েছে।