চরচা ডেস্ক

ইসরায়েলের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে দণ্ডিত এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে ইরান। আজ বুধবার দেশটির বিচার বিভাগ এ তথ্য জানিয়েছে। নিউইয়র্ক পোস্টে প্রকাশিত এক খবরে তা বলা হয়।
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটিই এ ধরনের প্রথম মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা।
বিচার বিভাগের অনলাইন ওয়েবসাইট মিজানে বলা হয়, “জায়নিস্ট শাসনের এক গুপ্তচরের মৃত্যুদণ্ড আজ সকালে কার্যকর করা হয়েছে। তিনি দেশের সংবেদনশীল স্থানের ছবি ও তথ্য মোসাদের কর্মকর্তাদের কাছে সরবরাহ করতেন।”
তেহরান থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম কৌরুশ কেইভানি। গত বছরের জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের ১২ দিনের যুদ্ধ চলাকালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই সময় যুক্তরাষ্ট্র সংক্ষিপ্তভাবে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলায় যোগ দেয়।
ওয়েবসাইটটি তার ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের এজেন্টদের সঙ্গে সাক্ষাতের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে।
এতে বলা হয়, তিনি ‘ছয়টি ইউরোপীয় দেশ ও তেল আবিবে’ প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালায়। এতে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হন। এরপর পুরো মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে।

ইসরায়েলের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে দণ্ডিত এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে ইরান। আজ বুধবার দেশটির বিচার বিভাগ এ তথ্য জানিয়েছে। নিউইয়র্ক পোস্টে প্রকাশিত এক খবরে তা বলা হয়।
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটিই এ ধরনের প্রথম মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা।
বিচার বিভাগের অনলাইন ওয়েবসাইট মিজানে বলা হয়, “জায়নিস্ট শাসনের এক গুপ্তচরের মৃত্যুদণ্ড আজ সকালে কার্যকর করা হয়েছে। তিনি দেশের সংবেদনশীল স্থানের ছবি ও তথ্য মোসাদের কর্মকর্তাদের কাছে সরবরাহ করতেন।”
তেহরান থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম কৌরুশ কেইভানি। গত বছরের জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের ১২ দিনের যুদ্ধ চলাকালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই সময় যুক্তরাষ্ট্র সংক্ষিপ্তভাবে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলায় যোগ দেয়।
ওয়েবসাইটটি তার ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের এজেন্টদের সঙ্গে সাক্ষাতের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে।
এতে বলা হয়, তিনি ‘ছয়টি ইউরোপীয় দেশ ও তেল আবিবে’ প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালায়। এতে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হন। এরপর পুরো মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।