চরচা ডেস্ক

বাংলাদেশে এক হাজার মানুষের মধ্যে ৭৮ দশমিক ২৮ জন উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত রোববার আগারগাঁওয়ে এক অনুষ্ঠানে ‘হেলথ এন্ড মরবিডিটি স্ট্যাটাস সার্ভে (এইচএমএসএস) ২০২৫’ জরিপের ফলাফল প্রকাশ করে বিবিএস। সেই প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
জরিপে দেশের সাধারণ রোগ হিসেবে উচ্চ রক্তচাপকে শনাক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি পুরুষদের তুলনায় নারীদের অসুস্থতার হার বেশি দেখানো হয়।
জরিপ অনুযায়ী, দেশে প্রতি এক হাজার মানুষের মধ্যে ৩৩২ দশমিক ১৯ জন গত ৯০ দিনের মধ্যে কোনো না কোনো অসুস্থতার কথা জানিয়েছেন। নারীদের মধ্যে এ হার হাজারে ৩৫৪ দশমিক ৫৬ ও পুরুষদের মধ্যে ৩০৯ দশমিক ৬। অর্থাৎ দেশের প্রতি তিন জনের মধ্যে একজন কোনো না কোনো ধরনের রোগে আক্রান্ত।
বিবিএস কর্মকর্তারা জানায়, জরিপের ফলাফল স্বাস্থ্যসেবা পরিকল্পনা ও সম্পদ ব্যবস্থাপনায় নীতি নির্ধারকদের আরও কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করবে।
২০২৪ সালে ৪৭ হাজার ৪০টি পরিবার এবং ১ লাখ ৮৯ হাজার ৯৮৬ জন ব্যক্তিকে নিয়ে সম্পন্ন হয় জরিপটি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব আলেয়া আকতার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত সচিব মো. হুজুর আলী, বিবিএস মহাপরিচালক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এবং উপ-পরিচালক মো. আলমগীর।

বাংলাদেশে এক হাজার মানুষের মধ্যে ৭৮ দশমিক ২৮ জন উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত রোববার আগারগাঁওয়ে এক অনুষ্ঠানে ‘হেলথ এন্ড মরবিডিটি স্ট্যাটাস সার্ভে (এইচএমএসএস) ২০২৫’ জরিপের ফলাফল প্রকাশ করে বিবিএস। সেই প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
জরিপে দেশের সাধারণ রোগ হিসেবে উচ্চ রক্তচাপকে শনাক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি পুরুষদের তুলনায় নারীদের অসুস্থতার হার বেশি দেখানো হয়।
জরিপ অনুযায়ী, দেশে প্রতি এক হাজার মানুষের মধ্যে ৩৩২ দশমিক ১৯ জন গত ৯০ দিনের মধ্যে কোনো না কোনো অসুস্থতার কথা জানিয়েছেন। নারীদের মধ্যে এ হার হাজারে ৩৫৪ দশমিক ৫৬ ও পুরুষদের মধ্যে ৩০৯ দশমিক ৬। অর্থাৎ দেশের প্রতি তিন জনের মধ্যে একজন কোনো না কোনো ধরনের রোগে আক্রান্ত।
বিবিএস কর্মকর্তারা জানায়, জরিপের ফলাফল স্বাস্থ্যসেবা পরিকল্পনা ও সম্পদ ব্যবস্থাপনায় নীতি নির্ধারকদের আরও কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করবে।
২০২৪ সালে ৪৭ হাজার ৪০টি পরিবার এবং ১ লাখ ৮৯ হাজার ৯৮৬ জন ব্যক্তিকে নিয়ে সম্পন্ন হয় জরিপটি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব আলেয়া আকতার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত সচিব মো. হুজুর আলী, বিবিএস মহাপরিচালক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এবং উপ-পরিচালক মো. আলমগীর।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।