চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় সমন্বয় পরিষদ এমপিওভুক্ত ও জাতীয়করণ ঘোষণার দাবিতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারীসহ আটজন আহত হয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটার দিকে আহত অবস্থায় তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।
তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা সহকর্মী আতাউর রহমান বলেন, “আমরা বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় সমন্বয় পরিষদ এমপিওভুক্ত ও জাতীয়করণ ঘোষণার দাবিতে আজ বিকেলের দিকে প্রেসক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সভায় জড়ো হয়েছিলাম। এ সময় পুলিশ আমাদেরকে জোর করে এখান থেকে উঠিয়ে দিতে গেলে পুলিশের সঙ্গে আমাদের সংঘর্ষ হয়। এতে আমাদের আটজন সমন্বয়ক আহত হলে তাদের ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসি। বর্তমানে সেখানে তাদের চিকিৎসা চলছে।”
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, “আজ বিকেলের দিকে প্রেসক্লাব থেকে আহত অবস্থায় নারীসহ আটজনকে হাসপাতালে আনা হলে জরুরি বিভাগের তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। এদের মধ্যে কয়েকজন চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন। বিষয়টি শাহবাগ থানা পুলিশকে অবগত করা হয়েছে।”

রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় সমন্বয় পরিষদ এমপিওভুক্ত ও জাতীয়করণ ঘোষণার দাবিতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারীসহ আটজন আহত হয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটার দিকে আহত অবস্থায় তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।
তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা সহকর্মী আতাউর রহমান বলেন, “আমরা বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় সমন্বয় পরিষদ এমপিওভুক্ত ও জাতীয়করণ ঘোষণার দাবিতে আজ বিকেলের দিকে প্রেসক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সভায় জড়ো হয়েছিলাম। এ সময় পুলিশ আমাদেরকে জোর করে এখান থেকে উঠিয়ে দিতে গেলে পুলিশের সঙ্গে আমাদের সংঘর্ষ হয়। এতে আমাদের আটজন সমন্বয়ক আহত হলে তাদের ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসি। বর্তমানে সেখানে তাদের চিকিৎসা চলছে।”
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, “আজ বিকেলের দিকে প্রেসক্লাব থেকে আহত অবস্থায় নারীসহ আটজনকে হাসপাতালে আনা হলে জরুরি বিভাগের তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। এদের মধ্যে কয়েকজন চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন। বিষয়টি শাহবাগ থানা পুলিশকে অবগত করা হয়েছে।”

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।