চরচা ডেস্ক

বাংলাদেশে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করবেন বলে মন্তব্য করেছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ আসন থেকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হাসনাত আবদুল্লাহ।
আজ শুক্রবার বিকেলে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “আমরা ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করব। আমার শত্রুর সঙ্গেও যেন কোনো বেইনসাফি না হয়, সে ধরনের সিস্টেম তৈরির জন্য আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে। আমাদের ভেঙে পড়া রাষ্ট্রকাঠামো পুনর্গঠনে কাজ করব।”
হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, “এই নির্বাচন ছিল আমার বিরুদ্ধে একটি বৃহৎ রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী গোষ্ঠীর লড়াই। কিন্তু আমার সঙ্গে জনগণ ছিল। তাদের আস্থা ছিল। তাই আমি বিজয়ী হয়েছি।”
ফ্যাসিবাদের চূড়ান্ত বিলুপ্তি মূল-লক্ষ্য উল্লেখ করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “আমার রাজনৈতিক দল এনসিপির রাজনীতির মূল অঙ্গীকার হলো-জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স এবং রাষ্ট্র কাঠামো ঢেলে সাজানো।”

বাংলাদেশে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করবেন বলে মন্তব্য করেছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ আসন থেকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হাসনাত আবদুল্লাহ।
আজ শুক্রবার বিকেলে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “আমরা ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করব। আমার শত্রুর সঙ্গেও যেন কোনো বেইনসাফি না হয়, সে ধরনের সিস্টেম তৈরির জন্য আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে। আমাদের ভেঙে পড়া রাষ্ট্রকাঠামো পুনর্গঠনে কাজ করব।”
হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, “এই নির্বাচন ছিল আমার বিরুদ্ধে একটি বৃহৎ রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী গোষ্ঠীর লড়াই। কিন্তু আমার সঙ্গে জনগণ ছিল। তাদের আস্থা ছিল। তাই আমি বিজয়ী হয়েছি।”
ফ্যাসিবাদের চূড়ান্ত বিলুপ্তি মূল-লক্ষ্য উল্লেখ করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “আমার রাজনৈতিক দল এনসিপির রাজনীতির মূল অঙ্গীকার হলো-জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স এবং রাষ্ট্র কাঠামো ঢেলে সাজানো।”

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।