সিবিএসের প্রতিবেদন
চরচা ডেস্ক

আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ায় ইরান ড্রোন হামলা চালাতে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই। এ নিয়ে লস অ্যাঞ্জেলেসের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে একটি মেমো পাঠিয়েছে সংস্থাটি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
ওই মেমোতে বলা হয়েছে, ইরান সমুদ্র থেকে ক্যালিফোর্নিয়ায় একটি আকস্মিক ড্রোন হামলা চালানোর চেষ্টা করতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র এবং ক্যালিফোর্নিয়ার আইন প্রয়োগকারী গোয়েন্দা কর্মকর্তারা সংবাদমাধ্যমটিকে জানিয়েছেন, এই মেমোর ভিত্তি হিসেবে বর্তমানে কোনো নির্দিষ্ট বা সুনিশ্চিত হুমকির খবর নেই। এটি মূলত ইরানে সাম্প্রতিক সংঘাত শুরু হওয়ার আগের একটি তথ্যের ভিত্তিতে পাঠানো হয়েছে।
ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউজম এক্সে দেওয়া একটি পোস্টে বলেছেন, যদিও এই মুহূর্তে কোনো আসন্ন হুমকি সম্পর্কে আমরা অবগত নই, তবুও আমাদের অঙ্গরাজ্যে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতির মোকাবিলা করার জন্য আমরা প্রস্তুত রয়েছি।
এই প্রতিবেদনের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘‘এটি তদন্ত করা হচ্ছে, তবে বর্তমানে অনেক কিছুই ঘটছে এবং আমাদের যা করার আছে তা হলো পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া।’’

আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ায় ইরান ড্রোন হামলা চালাতে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই। এ নিয়ে লস অ্যাঞ্জেলেসের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে একটি মেমো পাঠিয়েছে সংস্থাটি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
ওই মেমোতে বলা হয়েছে, ইরান সমুদ্র থেকে ক্যালিফোর্নিয়ায় একটি আকস্মিক ড্রোন হামলা চালানোর চেষ্টা করতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র এবং ক্যালিফোর্নিয়ার আইন প্রয়োগকারী গোয়েন্দা কর্মকর্তারা সংবাদমাধ্যমটিকে জানিয়েছেন, এই মেমোর ভিত্তি হিসেবে বর্তমানে কোনো নির্দিষ্ট বা সুনিশ্চিত হুমকির খবর নেই। এটি মূলত ইরানে সাম্প্রতিক সংঘাত শুরু হওয়ার আগের একটি তথ্যের ভিত্তিতে পাঠানো হয়েছে।
ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউজম এক্সে দেওয়া একটি পোস্টে বলেছেন, যদিও এই মুহূর্তে কোনো আসন্ন হুমকি সম্পর্কে আমরা অবগত নই, তবুও আমাদের অঙ্গরাজ্যে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতির মোকাবিলা করার জন্য আমরা প্রস্তুত রয়েছি।
এই প্রতিবেদনের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘‘এটি তদন্ত করা হচ্ছে, তবে বর্তমানে অনেক কিছুই ঘটছে এবং আমাদের যা করার আছে তা হলো পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া।’’

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।