চরচা ডেস্ক

নাসা গ্রুপের শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও সার্ভিস বেনিফিট পরিশোধে আদালতের আদেশে প্রতিষ্ঠানটির সম্পত্তি বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের এক ফেসবুক পোস্ট থেকে জানা যায়, গতকাল রোববার বাংলাদেশ সচিবালয়ে ‘বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের শ্রম ও ব্যবসায় পরিস্থিতি পর্যালোচনা’ বিষয়ক উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির ১৫তম সভায় তিনি এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, আদালত নিয়োগকৃত প্রশাসকের মাধ্যমে ইতোমধ্যে নাসা গ্রুপের শেয়ার বিক্রি করে শ্রমিকদের ৭৬ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় গ্রুপটি ৮টি ব্যাংকের ডাউন পেমেন্ট সম্পন্ন করেছে।
অবশিষ্ট ১৫টি ব্যাংকের ডাউন পেমেন্ট এবং শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী নাসা গ্রুপের সম্পত্তি উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বিক্রির পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সভায় শ্রম মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, শিল্পাঞ্চল পুলিশ, স্বরাষ্ট্র ও অর্থ মন্ত্রণালয়, আইন মন্ত্রণালয়, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা, নাসা গ্রুপের প্রশাসক ও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

নাসা গ্রুপের শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও সার্ভিস বেনিফিট পরিশোধে আদালতের আদেশে প্রতিষ্ঠানটির সম্পত্তি বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের এক ফেসবুক পোস্ট থেকে জানা যায়, গতকাল রোববার বাংলাদেশ সচিবালয়ে ‘বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের শ্রম ও ব্যবসায় পরিস্থিতি পর্যালোচনা’ বিষয়ক উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির ১৫তম সভায় তিনি এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, আদালত নিয়োগকৃত প্রশাসকের মাধ্যমে ইতোমধ্যে নাসা গ্রুপের শেয়ার বিক্রি করে শ্রমিকদের ৭৬ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় গ্রুপটি ৮টি ব্যাংকের ডাউন পেমেন্ট সম্পন্ন করেছে।
অবশিষ্ট ১৫টি ব্যাংকের ডাউন পেমেন্ট এবং শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী নাসা গ্রুপের সম্পত্তি উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বিক্রির পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সভায় শ্রম মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, শিল্পাঞ্চল পুলিশ, স্বরাষ্ট্র ও অর্থ মন্ত্রণালয়, আইন মন্ত্রণালয়, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা, নাসা গ্রুপের প্রশাসক ও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।