চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী পূবাইল এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে মো. রনি (১৩) নামে এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সে স্থানীয় ধনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। পরিবারের সদস্যদের দাবি, পড়াশোনা নিয়ে বকাবকি করায় আত্মহত্যা করেছে রনি।
নোয়াখালীর চাটখিল থানার শিবপুর গ্রামের নুর আলমের ছেলে রনি পরিবারের সাথে যাত্রাবাড়ীর পূবাইল এলাকায় ভাড়া থাকত। গতকাল শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টার দিকে পরিবারের সদস্যরা রনিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত রনির বাবা নুর আলম জানান, পড়াশোনা নিয়ে বকাঝকার পর অভিমান করে রনি বাথরুমের ঝরনার রডের সঙ্গে গামছা পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেয়। পরে পরিবারের লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করা হয়েছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী পূবাইল এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে মো. রনি (১৩) নামে এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সে স্থানীয় ধনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। পরিবারের সদস্যদের দাবি, পড়াশোনা নিয়ে বকাবকি করায় আত্মহত্যা করেছে রনি।
নোয়াখালীর চাটখিল থানার শিবপুর গ্রামের নুর আলমের ছেলে রনি পরিবারের সাথে যাত্রাবাড়ীর পূবাইল এলাকায় ভাড়া থাকত। গতকাল শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টার দিকে পরিবারের সদস্যরা রনিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত রনির বাবা নুর আলম জানান, পড়াশোনা নিয়ে বকাঝকার পর অভিমান করে রনি বাথরুমের ঝরনার রডের সঙ্গে গামছা পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেয়। পরে পরিবারের লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করা হয়েছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।