বরিশাল প্রতিনিধি

ক্লাসরুম সংকটের কারণে খোলা আকাশ, মুক্তমঞ্চ কিংবা তালতলায় ক্লাস করতে বাধ্য হচ্ছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থীরা।
বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয়ে সাতটি অনুষদের ২৫টি বিভাগ দশ হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। প্রতিটা বিভাগের জন্য কমপক্ষে ৩-৪টি কক্ষের প্রয়োজন হলেও ববিতে মোট ক্লাসরুম রয়েছে মাত্র ৩৬টি। এর মধ্যে ১৫টি বিভাগকে মৌখিকভাবে একটি করে ক্লাসরুম বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
সেই ক্লাসরুমও অন্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে ব্যবহার করতে হচ্ছে। এতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় সময় অপচয়ের কারণে প্রতিদিন নির্ধারিত ক্লাস থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। পাঠদানের ধারাবাহিকতা রক্ষায় খোলা আকাশ, মুক্তমঞ্চ কিংবা তালতলায় ক্লাস নিতে বাধ্য হচ্ছেন শিক্ষকরা। একই কারণে সেশনজটে পড়ছে অনেক বিভাগ।
এটি এড়াতে সিলেবাস শেষ করতে পরপর তিনটি ক্লাস নিতেও দেখা গেছে শিক্ষকদের। ফলে শতভাগ শেখার পরিবেশ পাচ্ছেন না শিক্ষার্থীরা।
ববি শিক্ষার্থী মো. রাজিব বলেন, “অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য আমরা দীর্ঘদিন আন্দোলন করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আমাদের নানা ভাবে আশ্বস্ত করার পরও তেমন কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যাচ্ছে না। ক্লাসরুম সংকটের কারণে আমরা বাধ্য হয়ে এই শীতে খোলা আকাশের নিচে ক্লাস করেছি।’’
এ নিয়ে বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মো. সুমন ভূইয়া বলেন, "আমাদের বিভাগের এখন পাঁচটি ব্যাচ। আর সবার জন্য মাত্র একটি ক্লাসরুম আছে। আরেকটি কক্ষ আছে, যা অন্যান্য বিভাগের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে হয়। যখন আমরা সেখানে ক্লাস করতে যাই তখন দেখা যায়, সেখানে অন্যদের ক্লাস চলছে। এ জন্য আমাদের দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। এ ছাড়া ক্লাসরুম সংকটের কারণে আমাদের মাঝে মাঝে খোলা মাঠে ক্লাস করতে হয়।’’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড.তৌফিক আলম বলেন, “নতুন ভবন নির্মানের জন্য ফিজিবিলিটি স্টাডির কাজ শুরু হয়েছে। আগামী জুন মাসের ভেতর আমাদের কাজ শেষ হবে। এরপর আমাদের নতুন ভবনের কাজ শুরু হবে।”

ক্লাসরুম সংকটের কারণে খোলা আকাশ, মুক্তমঞ্চ কিংবা তালতলায় ক্লাস করতে বাধ্য হচ্ছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থীরা।
বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয়ে সাতটি অনুষদের ২৫টি বিভাগ দশ হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। প্রতিটা বিভাগের জন্য কমপক্ষে ৩-৪টি কক্ষের প্রয়োজন হলেও ববিতে মোট ক্লাসরুম রয়েছে মাত্র ৩৬টি। এর মধ্যে ১৫টি বিভাগকে মৌখিকভাবে একটি করে ক্লাসরুম বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
সেই ক্লাসরুমও অন্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে ব্যবহার করতে হচ্ছে। এতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় সময় অপচয়ের কারণে প্রতিদিন নির্ধারিত ক্লাস থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। পাঠদানের ধারাবাহিকতা রক্ষায় খোলা আকাশ, মুক্তমঞ্চ কিংবা তালতলায় ক্লাস নিতে বাধ্য হচ্ছেন শিক্ষকরা। একই কারণে সেশনজটে পড়ছে অনেক বিভাগ।
এটি এড়াতে সিলেবাস শেষ করতে পরপর তিনটি ক্লাস নিতেও দেখা গেছে শিক্ষকদের। ফলে শতভাগ শেখার পরিবেশ পাচ্ছেন না শিক্ষার্থীরা।
ববি শিক্ষার্থী মো. রাজিব বলেন, “অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য আমরা দীর্ঘদিন আন্দোলন করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আমাদের নানা ভাবে আশ্বস্ত করার পরও তেমন কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যাচ্ছে না। ক্লাসরুম সংকটের কারণে আমরা বাধ্য হয়ে এই শীতে খোলা আকাশের নিচে ক্লাস করেছি।’’
এ নিয়ে বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মো. সুমন ভূইয়া বলেন, "আমাদের বিভাগের এখন পাঁচটি ব্যাচ। আর সবার জন্য মাত্র একটি ক্লাসরুম আছে। আরেকটি কক্ষ আছে, যা অন্যান্য বিভাগের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে হয়। যখন আমরা সেখানে ক্লাস করতে যাই তখন দেখা যায়, সেখানে অন্যদের ক্লাস চলছে। এ জন্য আমাদের দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। এ ছাড়া ক্লাসরুম সংকটের কারণে আমাদের মাঝে মাঝে খোলা মাঠে ক্লাস করতে হয়।’’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড.তৌফিক আলম বলেন, “নতুন ভবন নির্মানের জন্য ফিজিবিলিটি স্টাডির কাজ শুরু হয়েছে। আগামী জুন মাসের ভেতর আমাদের কাজ শেষ হবে। এরপর আমাদের নতুন ভবনের কাজ শুরু হবে।”

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।