চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ‘স্থিতিশীল’ বলে জানিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের এ কথা জানান খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক জহিদ হোসেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, “চিকিৎসকদের পরামর্শ মোতাবেক যে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে তা তিনি গ্রহণ করতে পারছেন। সবাই আশাবাদী, ইনশাল্লাহ তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠবেন।”
একজন সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে জাহিদ বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া স্থিতিশীল আছেন। এটা বলতে পারেন।”
দীর্ঘদিন ধরে লিভার, কিডনি, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও আর্থ্রাইটিসসহ বিভিন্ন দীর্ঘস্থায়ী জটিলতায় ভুগছেন খালেদা জিয়া।
বাসায় অবস্থানকালে গত মাসের শেষ দিকে শ্বাসকষ্ট, কাশি ও জ্বর বেড়ে যাওয়ায় ২৩ নভেম্বর তাকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তির পর পরীক্ষা- নিরীক্ষায় ফুসফুস, হৃদযন্ত্র ও কিডনির তীব্র অবনতি দেখা দেয়। পরে তাকে কেবিন থেকে সরিয়ে দ্রুত ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়।

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ‘স্থিতিশীল’ বলে জানিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের এ কথা জানান খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক জহিদ হোসেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, “চিকিৎসকদের পরামর্শ মোতাবেক যে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে তা তিনি গ্রহণ করতে পারছেন। সবাই আশাবাদী, ইনশাল্লাহ তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠবেন।”
একজন সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে জাহিদ বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া স্থিতিশীল আছেন। এটা বলতে পারেন।”
দীর্ঘদিন ধরে লিভার, কিডনি, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও আর্থ্রাইটিসসহ বিভিন্ন দীর্ঘস্থায়ী জটিলতায় ভুগছেন খালেদা জিয়া।
বাসায় অবস্থানকালে গত মাসের শেষ দিকে শ্বাসকষ্ট, কাশি ও জ্বর বেড়ে যাওয়ায় ২৩ নভেম্বর তাকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তির পর পরীক্ষা- নিরীক্ষায় ফুসফুস, হৃদযন্ত্র ও কিডনির তীব্র অবনতি দেখা দেয়। পরে তাকে কেবিন থেকে সরিয়ে দ্রুত ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।