চরচা প্রতিবেদক

ভোটারদের টাকা দেওয়ার অভিযোগে পুরান ঢাকার সূত্রাপুর থানা জামায়াতের নায়েবে আমির মো. হাবিবকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে দুই দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সূত্রাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মতিউর রহমান বলেন, সূত্রাপুর কমিউনিটি সেন্টার ভোটকেন্দ্রের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। হাবিবের কাছে নগদ টাকা পাওয়া গেছে।
তবে তার কাছ থেকে কত টাকা উদ্ধার হয়েছে-সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানাতে পারেননি।
লালবাগ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. তারেক মাহমুদ চরচাকে বলেন, “কিছু ব্যক্তিকে টাকা দেওয়ার অভিযোগে স্থানীয় লোকজন হাবিবকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। পরে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দুই দিনের কারাদণ্ড দেন। দণ্ডপ্রাপ্তকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।”
অভিযোগের বিষয়ে মো. হাবিব দাবি করেছেন, তিনি ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকারী পোলিং এজেন্টদের ‘চা-নাস্তার খরচ’ বাবদ খামে করে ৫০০ টাকা করে দিচ্ছিলেন। তবে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগে তাকে দণ্ডিত করা হয়েছে।

ভোটারদের টাকা দেওয়ার অভিযোগে পুরান ঢাকার সূত্রাপুর থানা জামায়াতের নায়েবে আমির মো. হাবিবকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে দুই দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সূত্রাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মতিউর রহমান বলেন, সূত্রাপুর কমিউনিটি সেন্টার ভোটকেন্দ্রের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। হাবিবের কাছে নগদ টাকা পাওয়া গেছে।
তবে তার কাছ থেকে কত টাকা উদ্ধার হয়েছে-সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানাতে পারেননি।
লালবাগ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. তারেক মাহমুদ চরচাকে বলেন, “কিছু ব্যক্তিকে টাকা দেওয়ার অভিযোগে স্থানীয় লোকজন হাবিবকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। পরে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দুই দিনের কারাদণ্ড দেন। দণ্ডপ্রাপ্তকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।”
অভিযোগের বিষয়ে মো. হাবিব দাবি করেছেন, তিনি ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকারী পোলিং এজেন্টদের ‘চা-নাস্তার খরচ’ বাবদ খামে করে ৫০০ টাকা করে দিচ্ছিলেন। তবে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগে তাকে দণ্ডিত করা হয়েছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।